শিক্ষা ডেস্ক

বিশ্ববিদ্যালয় কেবল উচ্চশিক্ষা অর্জনের জায়গা নয়, এটি জীবনের বৃহত্তর পাঠশালা। পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি এখানে শেখার আছে নেতৃত্বের দক্ষতা, আত্ম-উন্নয়নের কৌশল এবং ভবিষ্যতের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি। আজকের শিক্ষাজীবনের প্রস্তুতিই নির্ধারণ করবে আপনি আগামী দিনে কোন পথে হাঁটবেন, কতটা ওপরে উঠবেন।
বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাব ও সংগঠন
বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ক্লাব, সংগঠন কিংবা স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম তরুণদের নেতৃত্বগুণ বিকাশের প্রথম মঞ্চ। শুরুতে হয়তো আপনি একজন সাধারণ সদস্য হিসেবে যুক্ত হবেন। কিন্তু ক্রমে দায়িত্ব পালন, সৃজনশীল উদ্যোগ নেওয়া এবং কাজের মধ্যে দক্ষতা প্রদর্শনের মাধ্যমে নেতৃত্বের আসনে পৌঁছানো সম্ভব। এই অভিজ্ঞতা শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডিতেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; পেশাজীবনে বড় পদে দায়িত্ব নেওয়ার ক্ষেত্রেও এটি আপনাকে এগিয়ে রাখবে।
লক্ষ্য নির্ধারণ: পথচলার সঠিক দিশা
কোথায় যেতে চান, কী হতে চান—এই প্রশ্নের উত্তর যত দ্রুত খুঁজে পাবেন, আপনার পথচলা তত সহজ হবে। লক্ষ্যহীন পড়াশোনা আপনাকে সার্টিফিকেট দিতে পারে, কিন্তু লক্ষ্যভিত্তিক পড়াশোনা দেবে সাফল্যের ঠিকানা। বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকাকালীনই নিজের আগ্রহ, শক্তি এবং স্বপ্ন নিয়ে চিন্তা করুন। ভবিষ্যতের অবস্থান নির্ধারণের জন্য আজ থেকেই পরিকল্পনা শুরু করুন।
দক্ষতা বিকাশ: বইয়ের বাইরে শিক্ষার গুরুত্ব
শুধু ভালো ফল করাই যথেষ্ট নয়; বইয়ের বাইরে হাতে-কলমে শেখাটাই সত্যিকারের প্রস্তুতি। নেতৃত্বের জন্য দরকার সময় ব্যবস্থাপনা, সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা, দল পরিচালনা করার সক্ষমতা এবং ভালো যোগাযোগ দক্ষতা। এসব গুণ অর্জনের জন্য ক্লাসরুমের বাইরের জগতে সক্রিয় হতে হবে—বিতর্ক ক্লাব, কালচারাল ক্লাব, এনভায়রনমেন্টাল ক্লাব বা যেকোনো সৃজনশীল কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত হওয়া যেতে পারে।
অভিজ্ঞতার ভান্ডার গড়ে তোলার সময় এখন
প্রতিটি মিটিং পরিচালনা, প্রতিটি ইভেন্ট আয়োজন, প্রতিটি সমস্যা সমাধানের চেষ্টা আপনাকে শেখাবে বাস্তব নেতৃত্বের পাঠ। ভুল করলেও ভয় নেই; আজকের ভুল ভবিষ্যতের বড় সাফল্যের ভিত্তি গড়ে দেয়। তাই সাহস নিয়ে এগিয়ে যান, নিজের জায়গা তৈরি করুন।
দায়িত্ব নেওয়ার মানসিকতা গড়ে তুলুন
ভবিষ্যতে বড় দায়িত্ব নিতে চাইলে আজ ছোট ছোট দায়িত্ব নিতে ভয় পাবেন না। নেতৃত্ব মানে শুধু আদেশ দেওয়া নয়, বরং সমস্যা মোকাবিলা করা, সিদ্ধান্ত নেওয়া, অন্যদের প্রেরণা জোগানো। এসব গুণ বিকাশে বিশ্ববিদ্যালয়জীবন হলো সর্বোত্তম সময়।
সময় দ্রুত চলে যায়। আজকের অবহেলা আগামী দিনে আফসোসে পরিণত হতে পারে। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন এই সময়টা কাজে লাগাতে হবে। নেতৃত্বের দক্ষতা গড়ে তুলুন, নিজের শক্তি আবিষ্কার করুন এবং ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত হয়ে উঠুন। মনে রাখবেন, আপনি যদি আজ প্রস্তুতি শুরু করেন, কাল নেতৃত্বের আসনে আপনিই বসবেন।

বিশ্ববিদ্যালয় কেবল উচ্চশিক্ষা অর্জনের জায়গা নয়, এটি জীবনের বৃহত্তর পাঠশালা। পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি এখানে শেখার আছে নেতৃত্বের দক্ষতা, আত্ম-উন্নয়নের কৌশল এবং ভবিষ্যতের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি। আজকের শিক্ষাজীবনের প্রস্তুতিই নির্ধারণ করবে আপনি আগামী দিনে কোন পথে হাঁটবেন, কতটা ওপরে উঠবেন।
বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাব ও সংগঠন
বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ক্লাব, সংগঠন কিংবা স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম তরুণদের নেতৃত্বগুণ বিকাশের প্রথম মঞ্চ। শুরুতে হয়তো আপনি একজন সাধারণ সদস্য হিসেবে যুক্ত হবেন। কিন্তু ক্রমে দায়িত্ব পালন, সৃজনশীল উদ্যোগ নেওয়া এবং কাজের মধ্যে দক্ষতা প্রদর্শনের মাধ্যমে নেতৃত্বের আসনে পৌঁছানো সম্ভব। এই অভিজ্ঞতা শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডিতেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; পেশাজীবনে বড় পদে দায়িত্ব নেওয়ার ক্ষেত্রেও এটি আপনাকে এগিয়ে রাখবে।
লক্ষ্য নির্ধারণ: পথচলার সঠিক দিশা
কোথায় যেতে চান, কী হতে চান—এই প্রশ্নের উত্তর যত দ্রুত খুঁজে পাবেন, আপনার পথচলা তত সহজ হবে। লক্ষ্যহীন পড়াশোনা আপনাকে সার্টিফিকেট দিতে পারে, কিন্তু লক্ষ্যভিত্তিক পড়াশোনা দেবে সাফল্যের ঠিকানা। বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকাকালীনই নিজের আগ্রহ, শক্তি এবং স্বপ্ন নিয়ে চিন্তা করুন। ভবিষ্যতের অবস্থান নির্ধারণের জন্য আজ থেকেই পরিকল্পনা শুরু করুন।
দক্ষতা বিকাশ: বইয়ের বাইরে শিক্ষার গুরুত্ব
শুধু ভালো ফল করাই যথেষ্ট নয়; বইয়ের বাইরে হাতে-কলমে শেখাটাই সত্যিকারের প্রস্তুতি। নেতৃত্বের জন্য দরকার সময় ব্যবস্থাপনা, সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা, দল পরিচালনা করার সক্ষমতা এবং ভালো যোগাযোগ দক্ষতা। এসব গুণ অর্জনের জন্য ক্লাসরুমের বাইরের জগতে সক্রিয় হতে হবে—বিতর্ক ক্লাব, কালচারাল ক্লাব, এনভায়রনমেন্টাল ক্লাব বা যেকোনো সৃজনশীল কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত হওয়া যেতে পারে।
অভিজ্ঞতার ভান্ডার গড়ে তোলার সময় এখন
প্রতিটি মিটিং পরিচালনা, প্রতিটি ইভেন্ট আয়োজন, প্রতিটি সমস্যা সমাধানের চেষ্টা আপনাকে শেখাবে বাস্তব নেতৃত্বের পাঠ। ভুল করলেও ভয় নেই; আজকের ভুল ভবিষ্যতের বড় সাফল্যের ভিত্তি গড়ে দেয়। তাই সাহস নিয়ে এগিয়ে যান, নিজের জায়গা তৈরি করুন।
দায়িত্ব নেওয়ার মানসিকতা গড়ে তুলুন
ভবিষ্যতে বড় দায়িত্ব নিতে চাইলে আজ ছোট ছোট দায়িত্ব নিতে ভয় পাবেন না। নেতৃত্ব মানে শুধু আদেশ দেওয়া নয়, বরং সমস্যা মোকাবিলা করা, সিদ্ধান্ত নেওয়া, অন্যদের প্রেরণা জোগানো। এসব গুণ বিকাশে বিশ্ববিদ্যালয়জীবন হলো সর্বোত্তম সময়।
সময় দ্রুত চলে যায়। আজকের অবহেলা আগামী দিনে আফসোসে পরিণত হতে পারে। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন এই সময়টা কাজে লাগাতে হবে। নেতৃত্বের দক্ষতা গড়ে তুলুন, নিজের শক্তি আবিষ্কার করুন এবং ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত হয়ে উঠুন। মনে রাখবেন, আপনি যদি আজ প্রস্তুতি শুরু করেন, কাল নেতৃত্বের আসনে আপনিই বসবেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫–২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ডি-ইউনিটের (সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ) স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সানজিদা ফারহানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ও ইনস্টিটিউটগুলোতে প্রযুক্তি ইউনিটের অধীনে অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ও পরীক্ষা গ্রহণের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
স্কাউট আন্দোলনের মাধ্যমে মানবকল্যাণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘নম্বর টু দ্য ন্যাশনাল সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) রোভার-এর সাবেক সিনিয়র রোভারমেট ও যুগ্ম সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০১৯-২০ বর্ষের শিক্ষার্থী।
৮ ঘণ্টা আগে
আরও একদল তরুণ শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষার যাত্রা শুরু হলো ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের ব্রাঞ্চ ক্যাম্পাসে। নতুন শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে রাজধানীর বনানীর ইউসিএসআই ক্যাম্পাস। সম্প্রতি জানুয়ারি-২০২৬ সেমিস্টারের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠান হয়।
৯ ঘণ্টা আগে