Ajker Patrika

বিশ্ববিদ্যালয়ের আড্ডা সংস্কৃতি

সেঁজুতি মুমু
বিশ্ববিদ্যালয়ের আড্ডা সংস্কৃতি

ছোটবেলা থেকে আমাদের শেখানো হয় আড্ডা দিলে নাকি মানুষ খারাপ হয়ে যায়। আড্ডাবাজদের থেকে দূরে থাকতে বলা হয়। কিন্তু সত্যিই কি আড্ডা মানুষকে খারাপ করে তোলে? আমার মতে, আড্ডার সঙ্গী ও বিষয়ই তার মূল্য নির্ধারণ করে। কথায় আছে, সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস, অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ।

বিশ্ববিদ্যালয় এমন এক স্থান, যেখানে জ্ঞান শুধু ক্লাসরুমে সীমাবদ্ধ থাকে না। হাঁটতে-চলতে, চায়ের দোকানে, কিংবা অবসর সময়ের আড্ডায়ও জ্ঞানের চর্চা হয়। স্কুলজীবনে যেখানে আড্ডা নিরুৎসাহিত করা হতো, বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে অনেক শিক্ষকই উল্টো আড্ডাকে উৎসাহ দেন। কারণ, এই অনানুষ্ঠানিক পরিবেশে চিন্তার আদান-প্রদান সহজ হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন জেলা, সংস্কৃতি ও সামাজিক পটভূমির মানুষের সঙ্গে পরিচয়ের সুযোগ হয়। উত্তরবঙ্গ, দক্ষিণবঙ্গ কিংবা ক্ষুদ্র জাতিসত্তা সমাজ ভিন্ন ভিন্ন অভিজ্ঞতা ও সংস্কৃতি আড্ডার মাধ্যমে একে অপরের কাছে ধরা দেয়, যা শুধু বই পড়ে জানা সম্ভব নয়। সাহিত্যেও আড্ডার গুরুত্ব অনস্বীকার্য। সৈয়দ মুজতবা আলী তাঁর রচনায় আড্ডার মধ্য দিয়ে সংস্কৃতি ও জ্ঞান বিনিময়ের চিত্র তুলে ধরেছেন।

শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্ক যখন বন্ধুত্বপূর্ণ হয়, তখন জ্ঞানচর্চা আরও গভীর হয়, অবশ্যই পারস্পরিক সম্মান বজায় রেখে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

গভর্নরের মুখের কথায় ‘হ্যাঁ’ ভোটে সিএসআরের টাকা ঢালতে অস্বস্তি, প্রজ্ঞাপন চান ব্যাংকাররা

পটুয়াখালী-৩: নুরকে জেতাতে মাঠে কেন্দ্রীয় বিএনপি

গ্রিনল্যান্ড না দেওয়ায় ইউরোপের ৮ দেশের ওপর শুল্ক বসালেন ট্রাম্প

ইসির শুনানিতে মিন্টু-হাসনাতের বাগ্‌বিতণ্ডা, হট্টগোল

মৌখিক পরীক্ষার দেড় মাস পরও ফল প্রকাশ হয়নি, হতাশায় পরীক্ষার্থীরা

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত