নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিন্ন আর্থিক নীতিমালা ও হিসাব ম্যানুয়াল প্রস্তাবের প্রতিবাদে আন্দোলনে নামার হুমকির পর আট সদস্যবিশিষ্ট পর্যালোচনা কমিটি করল বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। কমিটির আহ্বায়ক ইউজিসির সদস্য ড. বিশ্বজিৎ চন্দ।
আজ সোমবার ইউজিসির সচিব ড. ফেরদৌস জামান স্বাক্ষরিত অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা যায়।
এতে বলা হয়, দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আর্থিক বিষয়ে সৃষ্ট জটিলতা নিরসন এবং আর্থিক ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও শৃঙ্খলা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে ইউজিসি কর্তৃক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য ‘অভিন্ন আর্থিক ও হিসাব ম্যানুয়াল’ প্রস্তুত করা হয়। যা কমিশনের ১৬৪তম সভায় বাস্তবায়নের জন্য সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠানো হয়। নীতিমালাটি পর্যালোচনা করে মতামত বা সুপারিশ পেশ করার জন্য কমিটি গঠন করা হলো।
ইউজিসি থেকে জানা যায়, কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের সভাপতি ও ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হাবিবুর রহমান, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ড. সেলিয়া শাহনাজ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. তোফাজ্জল ইসলাম, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আখতারুল ইসলাম ও মহাসচিব অধ্যাপক ড. মো. নিজামুল হক ভূঁইয়া।
পর্যালোচনা কমিটি করার ফলে আগামী ১ জুলাই থেকে এ নীতিমালার বাস্তবায়ন শুরু হচ্ছে না। এ নিয়ে ২৫ জুন ‘আন্দোলনের হুমকিতে পিছু হটল ইউজিসি’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করে আজকের পত্রিকা।
এর আগে ২২ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক নীতিমালা ও হিসাব ম্যানুয়াল প্রত্যাখ্যান করে বিবৃতি দেয় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সংগঠন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন। বিবৃতিতে আগামী ৯ জুলাইয়ের মধ্যে এটি বাতিল করা না হলে সব বিশ্ববিদ্যালয়ে একযোগে আন্দোলনে নামার হুমকি দেওয়া হয়।
বিবৃতিতে প্রস্তাবিত নীতিমালাকে ‘দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে সরকার ও শিক্ষকদের পরস্পর বিপরীতমুখী অবস্থানে দাঁড় করানোর অপতৎপরতা’ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
এর আগে গত ১৯ মে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ জানিয়েছিলেন, অভিন্ন আর্থিক নীতিমালা এবং হিসাব ম্যানুয়াল আগামী ১ জুলাই থেকে কার্যকর করা হবে। তিনি বলেছিলেন, ‘পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত ও অনিয়ম, ত্রুটি-বিচ্যুতি চিহ্নিত করতে অভিন্ন আর্থিক নীতিমালা এবং হিসাব ম্যানুয়াল প্রণয়ন করা হয়েছে, যা আগামী ১ জুলাই থেকে কার্যকর করা হবে।’
জানা যায়, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে আর্থিক অনিয়ম ঠেকাতে নীতিমালা করতে ইউজিসি ২০১৯ সালে কমিটি করে। সম্প্রতি নীতিমালাটি অনুমোদন দেওয়া হয়। নীতিমালায় মূলত জাতীয় পে-স্কেলের আওতাধীন ব্যয় বাদে সম্মানী, ভাতা ও পারিতোষিকের হার প্রস্তাব করা হয়েছে।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিন্ন আর্থিক নীতিমালা ও হিসাব ম্যানুয়াল প্রস্তাবের প্রতিবাদে আন্দোলনে নামার হুমকির পর আট সদস্যবিশিষ্ট পর্যালোচনা কমিটি করল বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। কমিটির আহ্বায়ক ইউজিসির সদস্য ড. বিশ্বজিৎ চন্দ।
আজ সোমবার ইউজিসির সচিব ড. ফেরদৌস জামান স্বাক্ষরিত অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা যায়।
এতে বলা হয়, দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আর্থিক বিষয়ে সৃষ্ট জটিলতা নিরসন এবং আর্থিক ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও শৃঙ্খলা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে ইউজিসি কর্তৃক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য ‘অভিন্ন আর্থিক ও হিসাব ম্যানুয়াল’ প্রস্তুত করা হয়। যা কমিশনের ১৬৪তম সভায় বাস্তবায়নের জন্য সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠানো হয়। নীতিমালাটি পর্যালোচনা করে মতামত বা সুপারিশ পেশ করার জন্য কমিটি গঠন করা হলো।
ইউজিসি থেকে জানা যায়, কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের সভাপতি ও ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হাবিবুর রহমান, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ড. সেলিয়া শাহনাজ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. তোফাজ্জল ইসলাম, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আখতারুল ইসলাম ও মহাসচিব অধ্যাপক ড. মো. নিজামুল হক ভূঁইয়া।
পর্যালোচনা কমিটি করার ফলে আগামী ১ জুলাই থেকে এ নীতিমালার বাস্তবায়ন শুরু হচ্ছে না। এ নিয়ে ২৫ জুন ‘আন্দোলনের হুমকিতে পিছু হটল ইউজিসি’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করে আজকের পত্রিকা।
এর আগে ২২ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক নীতিমালা ও হিসাব ম্যানুয়াল প্রত্যাখ্যান করে বিবৃতি দেয় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সংগঠন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন। বিবৃতিতে আগামী ৯ জুলাইয়ের মধ্যে এটি বাতিল করা না হলে সব বিশ্ববিদ্যালয়ে একযোগে আন্দোলনে নামার হুমকি দেওয়া হয়।
বিবৃতিতে প্রস্তাবিত নীতিমালাকে ‘দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে সরকার ও শিক্ষকদের পরস্পর বিপরীতমুখী অবস্থানে দাঁড় করানোর অপতৎপরতা’ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
এর আগে গত ১৯ মে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ জানিয়েছিলেন, অভিন্ন আর্থিক নীতিমালা এবং হিসাব ম্যানুয়াল আগামী ১ জুলাই থেকে কার্যকর করা হবে। তিনি বলেছিলেন, ‘পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত ও অনিয়ম, ত্রুটি-বিচ্যুতি চিহ্নিত করতে অভিন্ন আর্থিক নীতিমালা এবং হিসাব ম্যানুয়াল প্রণয়ন করা হয়েছে, যা আগামী ১ জুলাই থেকে কার্যকর করা হবে।’
জানা যায়, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে আর্থিক অনিয়ম ঠেকাতে নীতিমালা করতে ইউজিসি ২০১৯ সালে কমিটি করে। সম্প্রতি নীতিমালাটি অনুমোদন দেওয়া হয়। নীতিমালায় মূলত জাতীয় পে-স্কেলের আওতাধীন ব্যয় বাদে সম্মানী, ভাতা ও পারিতোষিকের হার প্রস্তাব করা হয়েছে।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিভিন্ন কলেজ ক্যাম্পাসে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপন, মতবিনিময় সভা এবং ২২ জানুয়ারি গণজমায়েতের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ওই দিন অধ্যাদেশের অনুমোদন ও গেজেট প্রকাশ না হলে যমুনা অথবা সচিবালয়ের উদ্দেশে পদযাত্রার কর্মসূচিও থাকবে বলে শিক্ষার্থীরা জানান।
৯ মিনিট আগে
একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়ে নিজের মাতৃভাষার পাশাপাশি অন্য একটি ভাষায় দক্ষতা অর্জন করা এখন আর কেবল শখ নয়; বরং সময়ের দাবি। বিশেষ করে বৈশ্বিক যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ইংরেজি শেখার প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।
৭ ঘণ্টা আগে
জাপানে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য বড় সুযোগ এসেছে। ইন্টারন্যাশনাল গ্র্যাজুয়েট স্কলারশিপের আবেদনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিশ্বের যেকোনো দেশের শিক্ষার্থীরা এই স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
৭ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর সাত সরকারি কলেজ নিয়ে প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ চূড়ান্ত করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে। দ্রুততম সময়ে অধ্যাদেশটি যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন পাবে।
১৯ ঘণ্টা আগে