বাগেরহাট প্রতিনিধি

সিডিসির (কন্টিনিউয়াস ডিসচার্জ সার্টিফিকেট) দাবিতে বাগেরহাটে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং মেরিন টেকনোলজির শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন করেছেন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজি বাগেরহাটের একাডেমিক ভবনের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
জানা যায়, বিদেশগামী বাণিজ্যিক জাহাজে চাকরির জন্য সিম্যান আইডেনটিটি ডকুমেন্ট নামে একটি সার্টিফিকেটের প্রয়োজন হয়, যা সিডিসি (কন্টিনিউয়াস ডিসচার্জ সার্টিফিকেট) নামে পরিচিত। এই সিডিসি না থাকলে কোনো ইঞ্জিনিয়ার বিদেশগামী জাহাজে চাকরি করতে পারেন না।
বাগেরহাটসহ সারা দেশে ছয়টি ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজি রয়েছে। এ ছাড়া কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইন মেরিন টেকনোলজি পড়ানো হয়।
শিক্ষার্থীরা বলেন, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন নানা তালবাহানা করে ২০১০ সাল থেকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর অধীনে পরিচালিত ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজির শিক্ষার্থীদের সিডিসি বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে দেশের হাজার হাজার ডিপ্লোমা মেরিন ইঞ্জিনিয়ার বেকার হয়ে পড়ছেন। হতাশার মধ্যে জীবনযাপন করছেন তাঁরা। দেশের প্রথম সারির শিক্ষার্থীরাই ডিপ্লোমা মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি হন। কিন্তু শুধু সিডিসির অভাবে তাঁরা বিদেশি জাহাজে চাকরি করতে পারেন না। যদি বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজে চাকরি করতে না পারে, তাহলে শিক্ষার্থীরা মেরিন ডিপ্লোমা পড়ে কী করবে?
শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, ১৯৮৮ সাল থেকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে ডিপ্লোমা মেরিন ইঞ্জিনিয়ারদের সিডিসি দেওয়া হতো। ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়াররা বিদেশি জাহাজে সুনামের সঙ্গেই চাকরি করে আসছিলেন। তাঁদের অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা দেশের উন্নয়নে অবদান রেখেছে। কেন এবং কার স্বার্থে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন ডিপ্লোমা মেরিন ইঞ্জিনিয়ারদের সিডিসি বন্ধ করে দিয়েছে তা আমাদের জানা নেই। এ ছাড়া ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশনসহ (আইএমও) বিশ্বের অন্যান্য সকল দেশে জাহাজের ক্যাডেট হিসেবে প্রবেশের যোগ্যতা দশম শ্রেণি। কিন্তু আমাদের কেন সিডিসি বন্ধ করে দেওয়া হলো?
অতি দ্রুত নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে ডিপ্লোমা মেরিন ইঞ্জিনিয়ারদের সিডিসি প্রদান না করা হলে আরও বড় আন্দোলনে যাওয়ার ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন মেরিন টেকনোলজি ডিপার্টমেন্টের ষষ্ঠ সেমিস্টারের শিক্ষার্থী রাকিবুল হাসান, আমিরুল ইসলাম, সোহাগ ইসলাম, মইনুল ইসলাম নাসিম মাহমুদ শুভ, সপ্তম সেমিস্টারের ফয়জুল আমিন সিফাত, চতুর্থ সেমিস্টারের আমিন শেখ, দ্বিতীয় সেমিস্টারের আল্লামা ইকবাল প্রমুখ।

সিডিসির (কন্টিনিউয়াস ডিসচার্জ সার্টিফিকেট) দাবিতে বাগেরহাটে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং মেরিন টেকনোলজির শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন করেছেন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজি বাগেরহাটের একাডেমিক ভবনের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
জানা যায়, বিদেশগামী বাণিজ্যিক জাহাজে চাকরির জন্য সিম্যান আইডেনটিটি ডকুমেন্ট নামে একটি সার্টিফিকেটের প্রয়োজন হয়, যা সিডিসি (কন্টিনিউয়াস ডিসচার্জ সার্টিফিকেট) নামে পরিচিত। এই সিডিসি না থাকলে কোনো ইঞ্জিনিয়ার বিদেশগামী জাহাজে চাকরি করতে পারেন না।
বাগেরহাটসহ সারা দেশে ছয়টি ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজি রয়েছে। এ ছাড়া কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইন মেরিন টেকনোলজি পড়ানো হয়।
শিক্ষার্থীরা বলেন, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন নানা তালবাহানা করে ২০১০ সাল থেকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর অধীনে পরিচালিত ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজির শিক্ষার্থীদের সিডিসি বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে দেশের হাজার হাজার ডিপ্লোমা মেরিন ইঞ্জিনিয়ার বেকার হয়ে পড়ছেন। হতাশার মধ্যে জীবনযাপন করছেন তাঁরা। দেশের প্রথম সারির শিক্ষার্থীরাই ডিপ্লোমা মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি হন। কিন্তু শুধু সিডিসির অভাবে তাঁরা বিদেশি জাহাজে চাকরি করতে পারেন না। যদি বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজে চাকরি করতে না পারে, তাহলে শিক্ষার্থীরা মেরিন ডিপ্লোমা পড়ে কী করবে?
শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, ১৯৮৮ সাল থেকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে ডিপ্লোমা মেরিন ইঞ্জিনিয়ারদের সিডিসি দেওয়া হতো। ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়াররা বিদেশি জাহাজে সুনামের সঙ্গেই চাকরি করে আসছিলেন। তাঁদের অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা দেশের উন্নয়নে অবদান রেখেছে। কেন এবং কার স্বার্থে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন ডিপ্লোমা মেরিন ইঞ্জিনিয়ারদের সিডিসি বন্ধ করে দিয়েছে তা আমাদের জানা নেই। এ ছাড়া ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশনসহ (আইএমও) বিশ্বের অন্যান্য সকল দেশে জাহাজের ক্যাডেট হিসেবে প্রবেশের যোগ্যতা দশম শ্রেণি। কিন্তু আমাদের কেন সিডিসি বন্ধ করে দেওয়া হলো?
অতি দ্রুত নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে ডিপ্লোমা মেরিন ইঞ্জিনিয়ারদের সিডিসি প্রদান না করা হলে আরও বড় আন্দোলনে যাওয়ার ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন মেরিন টেকনোলজি ডিপার্টমেন্টের ষষ্ঠ সেমিস্টারের শিক্ষার্থী রাকিবুল হাসান, আমিরুল ইসলাম, সোহাগ ইসলাম, মইনুল ইসলাম নাসিম মাহমুদ শুভ, সপ্তম সেমিস্টারের ফয়জুল আমিন সিফাত, চতুর্থ সেমিস্টারের আমিন শেখ, দ্বিতীয় সেমিস্টারের আল্লামা ইকবাল প্রমুখ।

নগদবিহীন আর্থিক ব্যবস্থার প্রসার ও ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থাকে আরও জনপ্রিয় করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে এবং ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি (ইউসিবি) লিড ব্যাংক হিসেবে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) দিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ উদ্যোগ’ শীর্ষক এক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
২৪তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্যানোরমা ট্যালেন্ট সেকশনে ‘বেস্ট ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড’ জিতেছে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘হোয়াট ইফ’ (What If)। সিনেমাটির নির্মাতা তানহা তাবাসসুম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
৭ ঘণ্টা আগে
কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিভিন্ন কলেজ ক্যাম্পাসে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপন, মতবিনিময় সভা এবং ২২ জানুয়ারি গণজমায়েতের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ওই দিন অধ্যাদেশের অনুমোদন ও গেজেট প্রকাশ না হলে যমুনা অথবা সচিবালয়ের উদ্দেশে পদযাত্রার কর্মসূচিও থাকবে বলে শিক্ষার্থীরা জানান।
১০ ঘণ্টা আগে
একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়ে নিজের মাতৃভাষার পাশাপাশি অন্য একটি ভাষায় দক্ষতা অর্জন করা এখন আর কেবল শখ নয়; বরং সময়ের দাবি। বিশেষ করে বৈশ্বিক যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ইংরেজি শেখার প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।
১৭ ঘণ্টা আগে