
যে বয়সে কিশোররা ব্যস্ত থাকে স্কুলের পড়া কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রস্তুতি নিয়ে, সেই বয়সেই জেমস ‘জিমি’ চিলিমিগ্রাসের হাতে জুরিস ডক্টর ডিগ্রি। যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপির বে সেন্ট লুইসের এই তরুণ মাত্র ১৮ বছর বয়সে লয়োলা ইউনিভার্সিটি নিউ অরলিন্স কলেজ অব ল থেকে এই ডিগ্রি অর্জন করেন। ছিলেন তাঁর ব্যাচের শীর্ষ ২ শতাংশের একজন। ৪০ শতাংশের বেশি কোর্সে অর্জন করেছেন সর্বোচ্চ নম্বর।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, লুইজিয়ানার ইতিহাসে জিমিই সবচেয়ে কম বয়সী আইন স্নাতক। ১৯১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত লয়োলা ল স্কুলে পড়ার সময় পাঁচটি বিষয়ে বিশেষায়িত সনদও অর্জন করেছেন তিনি। বিষয়গুলো হলো কর আইন, সামাজিক ন্যায়বিচার, অভিবাসন ও নাগরিকত্ব আইন, আন্তর্জাতিক আইন এবং প্রযুক্তি ও উদ্যোক্তা আইন। পাঁচটি বিষয়ে এমন সনদ অর্জনকারী প্রথম শিক্ষার্থীও তিনি।
সাত ভাই-বোনের মধ্যে সবার বড় জিমি। মাত্র দুই বছর বয়সেই পূর্ণ বাক্যে কথা বলতে পারতেন তিনি। বয়স যখন ১২, তখনই শেষ করেন উচ্চমাধ্যমিক। এরপর প্রচলিত বিশ্ববিদ্যালয়ের বদলে অনলাইনে পড়াশোনা শুরু করেন ওয়েস্টার্ন গভর্নরস ইউনিভার্সিটিতে। মাত্র ১৫ বছর বয়সে হিসাববিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর সার্টিফায়েড পাবলিক অ্যাকাউন্ট্যান্ট (সিপিএ) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সনদ পান। তাঁকে বিশ্বের সবচেয়ে কম বয়সী সিপিএদের একজন ধরা হয়ে থাকে। তবে এখানেই থামেনি তাঁর ছুটে চলা। পরে তিনি আইন বিষয়ে পড়ার সিদ্ধান্ত নেন। ল স্কুল ভর্তি পরীক্ষায় ১৮০-এর মধ্যে ১৭৪ স্কোর করেন জিমি।
২০২৩ সালে মাত্র ১৫ বছর বয়সে লয়োলা ইউনিভার্সিটি নিউ অরলিন্স কলেজ অব ল-এ শুরু হয় জিমির নতুন অধ্যায়। তিন বছরের আইনে পড়া শিক্ষাজীবনে শুধু বই আর পরীক্ষায় নিজেকে আটকে রাখেননি তিনি। ছিলেন লয়োলা ল রিভিউয়ের সদস্য। কাজ করেছেন শিক্ষক সহকারী হিসেবেও। আমেরিকান বার অ্যাসোসিয়েশনের জাতীয় মুট কোর্ট দলে কখনো কোচ, কখনো প্রতিযোগী ভূমিকায় নিজেকে মেলে ধরেছেন।
শেষ বর্ষে লয়োলার স্টুয়ার্ট এইচ স্মিথ ল ক্লিনিকে ‘রুল এক্সএক্স স্টুডেন্ট প্র্যাকটিশনার’ হিসেবে কাজ করেন। এই দায়িত্বে থেকে সক্রিয় অভিবাসন মামলায় মানুষের পক্ষে আইনি প্রতিনিধিত্ব করেছেন তিনি। লয়োলা ল স্কুলের ডিন ম্যাডেলিন ল্যান্ড্রিউর চোখেও জিমি ব্যতিক্রমী। তাঁর মতে, বয়সের তুলনায় জিমি অবিশ্বাস্য রকম পরিণত, মেধাবী ও সদয়। সহপাঠীরাও তাঁর কাছ থেকে শিখেছে এবং তাঁকে শ্রদ্ধা করেছে।
জিমির অর্জন তাঁকে বিশ্বের সবচেয়ে কম বয়সী আইন স্নাতকদের তালিকায় জায়গা করে দিয়েছে। ওলডেস্ট ডটঅর্গের সংকলিত তথ্য অনুযায়ী, এই তালিকায় তাঁর চেয়ে কম বয়সে আইন ডিগ্রি অর্জনের নজিরও আছে।
তালিকায় সবচেয়ে কম বয়সী হিসেবে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার স্টিফেন ব্যাকাসের নাম। তিনি ১৯৮৬ সালে মাত্র ১৬ বছর বয়সে জুরিস ডক্টর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে তিনি নিউরোবায়োলজির অধ্যাপক হন। ২০১৩ সালে ফ্লোরিডার গ্যাব্রিয়েল টার্নকোয়েস্ট ১৭ বছর বয়সে আইন ডিগ্রি অর্জন করেন। পরের বছর, ১৮ বছর বয়সে তিনি যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে কম বয়সী ব্যারিস্টার হন। ২০১৫ সালে ফিলিপাইনের জোজেফ মেনার্ড এরেসে ১৮ বছর বয়সে আইন ডিগ্রি অর্জন করেন।
এরপর জিমির গন্তব্য শিকাগো। নর্থওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটি প্রিটজকার স্কুল অব ল-এ কর আইনে মাস্টার অব ল (এলএলএম) পড়বেন তিনি। মিসিসিপির বাইরে এবারই প্রথম পড়তে যাচ্ছেন জিমি। সবকিছু ঠিক থাকলে ২০ বছর বয়সে পা রাখার আগেই তাঁর ঝুলিতে যোগ হবে চতুর্থ ডিগ্রি।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যদেশ গ্রিসে উচ্চশিক্ষা নিচ্ছেন বাংলাদেশের শিক্ষার্থী লিখন কুণ্ডু। দেশটির ইন্টারন্যাশনাল হেলেনিক ইউনিভার্সিটিতে এনার্জি বিল্ডিং ডিজাইন বিষয়ে স্নাতকোত্তর করছেন তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) শুরু হয়েছে দ্য নেটওয়ার্ক ফর ইন্টারন্যাশনাল ল স্টুডেন্টস (নিলস্) ও লিগ্যাল এমপাওয়ারমেন্ট বাংলাদেশের (এলইবি) যৌথ আয়োজনে দ্বিতীয় নিলস্-এলইবি ন্যাশনাল মডেল লেজিসলেটিভ অ্যাসেম্বলি ২০২৬।
২ ঘণ্টা আগে
চারুকলায় ভর্তি হওয়া একজন শিক্ষার্থীর শিল্পী হওয়ার স্বপ্নপূরণের প্রথম ধাপ। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার ভর্তি পরীক্ষার নিয়ম, নম্বর বণ্টন ও ধাপে কিছু পার্থক্য থাকলেও প্রস্তুতির মৌলিক বিষয়গুলো প্রায় একই।
৩ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রে স্নাতক পর্যায়ে পড়তে আগ্রহী মেধাবী আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বড় সুযোগ দিচ্ছে ইউনিভার্সিটি অব আলাবামা। ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হওয়া আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়টি মেধাভিত্তিক বিভিন্ন বৃত্তি দেবে।
৩ ঘণ্টা আগে