আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় শিক্ষা গন্তব্য হয়ে উঠতে নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে চীন। দেশটির ১৫তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় শিক্ষা খাতে উচ্চমানের উন্মুক্ততা বাড়ানোর পাশাপাশি ‘চীনে পড়াশোনা করুন’ ব্র্যান্ডকে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, গত তিন বছরে চীনে বিদেশি শিক্ষার্থীদের আবেদন উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। একই সঙ্গে বেড়েছে বিভিন্ন দেশ থেকে আসা শিক্ষার্থীর সংখ্যা এবং নিজ খরচে পড়তে আসা শিক্ষার্থীদের অংশ নেওয়া।
চীনের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে ১৯১টি দেশ ও অঞ্চলের প্রায় ৩ লাখ ৮০ হাজার আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী চীনে অধ্যয়ন করেছেন। তাঁদের মধ্যে প্রায় ২ লাখ ৫ হাজার শিক্ষার্থী ডিগ্রি অর্জনের লক্ষ্যে ভর্তি হয়েছেন। সবচেয়ে বেশি আগ্রহ দেখা গেছে প্রকৌশল বিষয়ে।
বেইজিং আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য চং ছেংচুন জানান, ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত তাঁদের বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ২৪ জনে পৌঁছেছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৭০ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি।
সহ-উপাচার্য বলেন, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা বাণিজ্য, পর্যটন এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।
আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও অর্থনীতি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট চাও চোংসিউ বলেন, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার সময়ে শিক্ষা সহযোগিতা দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আস্থা এবং জনগণের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে সহায়তা করে। এদিকে বেইজিং ভাষা ও সংস্কৃতি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক চাং হাও বলেন, বিদেশি শিক্ষার্থীরা নিজ দেশে ফিরে চীনের বাস্তব চিত্র তুলে ধরার অন্যতম শক্তিশালী মাধ্যম।
কাজাখস্তানের শিক্ষার্থী অ্যাঞ্জেলিনা সানজারোভস্কিয়া বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নিয়ে তিনি চীনের বিভিন্ন শহর ঘুরে দেখার সুযোগ পেয়েছেন এবং দেশটির সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।
অন্যদিকে মরক্কোর শিক্ষার্থী আল বাতুল নেজ্জুনি জানান, বিশ্বে চীনের ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব তাঁকে দেশটির অর্থনীতি ও নগর উন্নয়ন সম্পর্কে কাছ থেকে জানার আগ্রহ তৈরি করেছে।
তথ্য ও ছবি: চায়না ডেইলি

প্রান্তিকতার গণ্ডি পেরিয়ে স্বপ্নকে ছুঁয়ে দেখার গল্প সুমন সরেনের। রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার ছোট্ট গ্রাম বাঁশবাড়ির একটি সাঁওতাল পরিবারে বেড়ে ওঠা তাঁর। নানা প্রতিকূলতার মধ্যে থেকেও তিনি নিজের স্বপ্নকে আঁকড়ে ধরে নিয়ে গেছেন অনূর্ধ্ব-২০ সাফ ফাইনালের মাটিতে।
৩ ঘণ্টা আগে
শিশু সুরক্ষা, মানবতা আর সাহসিকতার এক উজ্জ্বল নাম মাহমুদুর রহমান নাঈম। মাত্র ২১ বছর বয়সে গাজীপুরের টঙ্গীর ঘনবসতিপূর্ণ শিল্পাঞ্চল থেকে উঠে এসে তিনি সমাজ পরিবর্তনের এক অনন্য উদাহরণ তৈরি করেছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
শৈশব মানে হাসি, খেলা আর রঙিন স্বপ্নের এক পৃথিবী। কিন্তু সমাজের অনেক সুবিধাবঞ্চিত শিশুর জন্য সেই শৈশব খুব দ্রুত হারিয়ে যায় দারিদ্র্য, বৈষম্য ও অবহেলার কঠিন বাস্তবতায়। অর্থনৈতিক সংকটের কারণে অনেক শিশু ছিটকে পড়ে শিক্ষার মূলধারা থেকে।
৫ ঘণ্টা আগে
পোলট্রি, গবাদিপশু এবং মাছের খাদ্য প্রস্তুতে খরচ কমিয়ে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) একদল গবেষক ‘বাউ-ফিড সার্ভিস’ (বাউ-এফএস) নামে একটি স্মার্ট সফটওয়্যার উদ্ভাবন করেছেন।
৫ ঘণ্টা আগে