প্রতিনিধি, তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ)

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে হাত-পা বেঁধে ও মুখে দড়ি লাগিয়ে প্লাস্টিকের বস্তায় ভরে ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে নদীর পানিতে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। গতকাল শুক্রবার রাত ৮টায় তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের বাদলার পাড় গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। পরে স্থানীয় প্রতিবেশী আবুল হোসেন বস্তার মুখ খোলে ওই নারীকে উদ্ধার করেন।
উদ্ধারকৃত নারী বাদলার পাড় গ্রামের কারি নিজাম উদ্দিনের মেয়ে মাইফুল নেছা (২৩)। তিনি বর্তমানে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।
মাইফুল নেছার মা মমতা বেগম অভিযোগ করে বলেন, আমার মেয়ের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী দোয়ারাবাজার উপজেলার চৌধুরীপাড়া গ্রামের সাজিদুল মিয়ার ছেলে আবু তাহের জান্নাতের (২৮) পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই যৌতুকের টাকা মেটানোর জন্য আমার মেয়ে মাইফুলকে চাপ দিচ্ছিল আবু তাহের। কিন্তু টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে শারীরিক নির্যাতন শুরু করে। কিছুদিন আগে বিষ খাইয়ে মেরেও ফেলতে চেয়েছিল আমার মেয়েকে। এ নিয়ে স্থানীয় ভাবে বিচার সালিসও হয়েছে আবু তাহেরের বিরুদ্ধে।
বিচার সালিসের পর গত রাতে আমার মেয়ে টয়লেট গেলে মেয়ের স্বামী, শ্বশুর ও দেবররা পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে তাঁর মুখ চেপে ধরে হাত, পা বেধে প্লাস্টিকের বস্তায় ভরে পাশে ভাঙার খাল নদীতে ফেলে দেয়।
মাইফুল নেছার বোন জামাই আশু মিয়া ও বড় ভাই ওবায়দুল্লাহ জানান, বিয়ের পর থেকেই তারা আমার বোনকে নির্যাতন করছিল। যৌতুকের ৫০ হাজার টাকার দাবি মেটানোর পরও নির্যাতন বন্ধ করেনি। আজ হাত পা বেঁধে আমার বোনকে নদীতে ভাসিয়ে দিতে চেয়েছিল।
ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত আবু তাহের জান্নাত, তাঁর বাবা ও ভাই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছে।
তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল লতিফ তরফদার বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলেই দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে হাত-পা বেঁধে ও মুখে দড়ি লাগিয়ে প্লাস্টিকের বস্তায় ভরে ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে নদীর পানিতে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। গতকাল শুক্রবার রাত ৮টায় তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের বাদলার পাড় গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। পরে স্থানীয় প্রতিবেশী আবুল হোসেন বস্তার মুখ খোলে ওই নারীকে উদ্ধার করেন।
উদ্ধারকৃত নারী বাদলার পাড় গ্রামের কারি নিজাম উদ্দিনের মেয়ে মাইফুল নেছা (২৩)। তিনি বর্তমানে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।
মাইফুল নেছার মা মমতা বেগম অভিযোগ করে বলেন, আমার মেয়ের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী দোয়ারাবাজার উপজেলার চৌধুরীপাড়া গ্রামের সাজিদুল মিয়ার ছেলে আবু তাহের জান্নাতের (২৮) পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই যৌতুকের টাকা মেটানোর জন্য আমার মেয়ে মাইফুলকে চাপ দিচ্ছিল আবু তাহের। কিন্তু টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে শারীরিক নির্যাতন শুরু করে। কিছুদিন আগে বিষ খাইয়ে মেরেও ফেলতে চেয়েছিল আমার মেয়েকে। এ নিয়ে স্থানীয় ভাবে বিচার সালিসও হয়েছে আবু তাহেরের বিরুদ্ধে।
বিচার সালিসের পর গত রাতে আমার মেয়ে টয়লেট গেলে মেয়ের স্বামী, শ্বশুর ও দেবররা পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে তাঁর মুখ চেপে ধরে হাত, পা বেধে প্লাস্টিকের বস্তায় ভরে পাশে ভাঙার খাল নদীতে ফেলে দেয়।
মাইফুল নেছার বোন জামাই আশু মিয়া ও বড় ভাই ওবায়দুল্লাহ জানান, বিয়ের পর থেকেই তারা আমার বোনকে নির্যাতন করছিল। যৌতুকের ৫০ হাজার টাকার দাবি মেটানোর পরও নির্যাতন বন্ধ করেনি। আজ হাত পা বেঁধে আমার বোনকে নদীতে ভাসিয়ে দিতে চেয়েছিল।
ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত আবু তাহের জান্নাত, তাঁর বাবা ও ভাই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছে।
তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল লতিফ তরফদার বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলেই দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৪ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৫ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৫ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৮ দিন আগে