কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের রাজিবপুরে এনামুল হক নামে এক মিশুক (ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা) চালকের লাশ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের যৌথ দল।
আজ মঙ্গলবার সকালে উপজেলার সদর ইউনিয়নের ধুলাউড়ি স্লুইসগেটসংলগ্ন এলাকার আবাদি জমি থেকে ওই অটোচালকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
রাজিবপুর থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) আশিকুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহত এনামুল হক জেলার রৌমারী উপজেলার সদর ইউনিয়নের মধ্য ইছাকুড়ি গ্রামের মেছের আলীর ছেলে। গতকাল সোমবার বিকেলে তিনি ফেরি করে পণ্য বিক্রেতা এক যাত্রী নিয়ে রাজিবপুরের দিকে যান। এর পর মঙ্গলবার সকালে তাঁর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এনামুলের মিশুকটি পাওয়া যায়নি। যাত্রীবেশে থাকা অজ্ঞাত ব্যক্তি এনামুলকে হত্যা করে মিশুক নিয়ে পালিয়েছে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
রৌমারীর কর্তিমারী বাজার এলাকার প্রত্যক্ষদর্শী এক রিকশাচালক সালাম বলেন, গতকাল বিকেলে কর্তিমারী বাজারের কাছে এনামুলের রিকশায় এক যাত্রীকে দেখা গেছে। সঙ্গে দুটি কার্টন ছিল। সম্ভবত ওই যাত্রী কোনো পণ্য ফেরি করে বিক্রি করতে এসেছিল। এরপর এনামুলকে আর দেখা যায়নি।
কর্তিমারী বাজার এলাকার লোকজন জানান, এনামুলের রিকশায় করে এক ব্যক্তি মাইকিং করে সাবান বিক্রি করছিলেন। তিনি কোন কোম্পানির সাবান বিক্রি করেছেন তা স্পষ্ট করে জানাতে পারেননি কেউ।
এদিকে ঘটনা তদন্তে মাঠে নেমেছে পুলিশ। স্থানীয় লোকজন ছাড়াও বিভিন্ন দোকানে থাকা সিসি টিভি ফুটেজ যাচাই করছে।
রাজিবপুর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আতাউর রহমান বলেন, ‘নিহতের শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে চেতনানাশকজাতীয় কিছু খাওয়ানোর পর অটোচালককে জামিতে ফেলে রেখে গেছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত কাউকে এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি।’
ওসি আশিকুর রহমান বলেন, ‘লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হচ্ছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন।’

কুড়িগ্রামের রাজিবপুরে এনামুল হক নামে এক মিশুক (ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা) চালকের লাশ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের যৌথ দল।
আজ মঙ্গলবার সকালে উপজেলার সদর ইউনিয়নের ধুলাউড়ি স্লুইসগেটসংলগ্ন এলাকার আবাদি জমি থেকে ওই অটোচালকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
রাজিবপুর থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) আশিকুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহত এনামুল হক জেলার রৌমারী উপজেলার সদর ইউনিয়নের মধ্য ইছাকুড়ি গ্রামের মেছের আলীর ছেলে। গতকাল সোমবার বিকেলে তিনি ফেরি করে পণ্য বিক্রেতা এক যাত্রী নিয়ে রাজিবপুরের দিকে যান। এর পর মঙ্গলবার সকালে তাঁর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এনামুলের মিশুকটি পাওয়া যায়নি। যাত্রীবেশে থাকা অজ্ঞাত ব্যক্তি এনামুলকে হত্যা করে মিশুক নিয়ে পালিয়েছে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
রৌমারীর কর্তিমারী বাজার এলাকার প্রত্যক্ষদর্শী এক রিকশাচালক সালাম বলেন, গতকাল বিকেলে কর্তিমারী বাজারের কাছে এনামুলের রিকশায় এক যাত্রীকে দেখা গেছে। সঙ্গে দুটি কার্টন ছিল। সম্ভবত ওই যাত্রী কোনো পণ্য ফেরি করে বিক্রি করতে এসেছিল। এরপর এনামুলকে আর দেখা যায়নি।
কর্তিমারী বাজার এলাকার লোকজন জানান, এনামুলের রিকশায় করে এক ব্যক্তি মাইকিং করে সাবান বিক্রি করছিলেন। তিনি কোন কোম্পানির সাবান বিক্রি করেছেন তা স্পষ্ট করে জানাতে পারেননি কেউ।
এদিকে ঘটনা তদন্তে মাঠে নেমেছে পুলিশ। স্থানীয় লোকজন ছাড়াও বিভিন্ন দোকানে থাকা সিসি টিভি ফুটেজ যাচাই করছে।
রাজিবপুর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আতাউর রহমান বলেন, ‘নিহতের শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে চেতনানাশকজাতীয় কিছু খাওয়ানোর পর অটোচালককে জামিতে ফেলে রেখে গেছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত কাউকে এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি।’
ওসি আশিকুর রহমান বলেন, ‘লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হচ্ছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন।’

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৯ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১০ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২০ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৩ দিন আগে