বালিয়াডাঙ্গী (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের জেরে সলিম উদ্দীনকে (৪৮) হত্যার অভিযোগ উঠেছে রফিকুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। আজ বুধবার দুপুরে মৃতের ছেলে বাবু রানা এ অভিযোগ করেন। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে বালিয়াডাঙ্গী বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
মৃত সলিম উদ্দীন বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বড় পলাশবাড়ী ইউনিয়নের বুনিয়াডাঙ্গী গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে।
অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম একই এলাকার খেজু মোহাম্মদের ছেলে।
জানা গেছে, গত চার বছর ধরে রফিকুল ইসলামের সঙ্গে সলিম উদ্দীনের স্ত্রী আকলিমার বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে। বিষয়টি জানার পর স্থানীয়দের মাধ্যমে একাধিকবার বিচার-সালিস করা হলেও সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হয়নি। গতকাল সকালে সলিমের বাড়িতে গেলে রফিকুলকে আটকে রেখে স্থানীদের কাছে পুনরায় বিচার চান।
মৃতের ছেলে বাবু রানা বলেন, গতকাল দুপুরে রফিকুল ইসলাম আমার বাবাকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে বাড়ি থেকে চলে আসেন। এরপর বিকেলে বাবা বালিয়াডাঙ্গী বাজারে গেলে তাঁকে জোর করে গ্যাসের ট্যাবলেট খাওয়ানো হয়। পরে ইজিবাইকে করে হাসপাতালে পৌঁছে দিয়ে রফিকুল পালিয়ে যান। খবর পেয়ে বাবাকে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মারা যান তিনি।
বাবু রানা আরও বলেন, ‘আমি ও আমার পরিবারের লোকজন বাবার মরদেহ নিতে এসেছি। ময়নাতদন্ত শেষ মরদেহ নিয়ে বাড়িতে ফিরব। এ ঘটনায় রফিকুল ইসলামসহ জড়িত কয়েকজনকে আসামি করে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি।’
অভিযোগের বিষয়ে জানতে রফিকুল ইসলামের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। তিনি ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন।
বালিয়াডাঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খায়রুল আনাম বলেন, ঠাকুরগাঁও সদর থানার পুলিশ মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করছে। এ ঘটনায় সলিম উদ্দীনের পরিবারের লোকজন বালিয়াডাঙ্গী থানায় অভিযোগ দিলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের জেরে সলিম উদ্দীনকে (৪৮) হত্যার অভিযোগ উঠেছে রফিকুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। আজ বুধবার দুপুরে মৃতের ছেলে বাবু রানা এ অভিযোগ করেন। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে বালিয়াডাঙ্গী বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
মৃত সলিম উদ্দীন বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বড় পলাশবাড়ী ইউনিয়নের বুনিয়াডাঙ্গী গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে।
অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম একই এলাকার খেজু মোহাম্মদের ছেলে।
জানা গেছে, গত চার বছর ধরে রফিকুল ইসলামের সঙ্গে সলিম উদ্দীনের স্ত্রী আকলিমার বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে। বিষয়টি জানার পর স্থানীয়দের মাধ্যমে একাধিকবার বিচার-সালিস করা হলেও সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হয়নি। গতকাল সকালে সলিমের বাড়িতে গেলে রফিকুলকে আটকে রেখে স্থানীদের কাছে পুনরায় বিচার চান।
মৃতের ছেলে বাবু রানা বলেন, গতকাল দুপুরে রফিকুল ইসলাম আমার বাবাকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে বাড়ি থেকে চলে আসেন। এরপর বিকেলে বাবা বালিয়াডাঙ্গী বাজারে গেলে তাঁকে জোর করে গ্যাসের ট্যাবলেট খাওয়ানো হয়। পরে ইজিবাইকে করে হাসপাতালে পৌঁছে দিয়ে রফিকুল পালিয়ে যান। খবর পেয়ে বাবাকে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মারা যান তিনি।
বাবু রানা আরও বলেন, ‘আমি ও আমার পরিবারের লোকজন বাবার মরদেহ নিতে এসেছি। ময়নাতদন্ত শেষ মরদেহ নিয়ে বাড়িতে ফিরব। এ ঘটনায় রফিকুল ইসলামসহ জড়িত কয়েকজনকে আসামি করে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি।’
অভিযোগের বিষয়ে জানতে রফিকুল ইসলামের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। তিনি ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন।
বালিয়াডাঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খায়রুল আনাম বলেন, ঠাকুরগাঁও সদর থানার পুলিশ মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করছে। এ ঘটনায় সলিম উদ্দীনের পরিবারের লোকজন বালিয়াডাঙ্গী থানায় অভিযোগ দিলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৭ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৮ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৮ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২১ দিন আগে