বালিয়াডাঙ্গী (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি

মরা মুরগির মাংস বিক্রির অভিযোগের ঘটনার ১০ দিন পরই ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে এবার মরা ছাগল জবাই করে মাংস বিক্রির অভিযোগে নজরুল ইসলাম (৪৮) ওরফে ইদু নামে এক কসাইকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয়রা।
আজ শুক্রবার সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরের ভেতরেই মরা ছাগল জবাই করে গেটের সামনে বিক্রির চেষ্টা করছিলেন বলে জানা গেছে। স্থানীয়রা দেখে ফেলে হাতে নাতে আটক করে উত্তম-মাধ্যম দেয়।
আটক কসাই উপজেলার বড়বাড়ি ইউনিয়নের ধনিবস্তী মহাজনহাট গ্রামের শরিফ উদ্দীনের ছেলে।
বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সাব ইন্সপেক্টর আব্দুল গফুর বলেন, ‘সকালে উপজেলা পরিষদের ভেতরে মরা ছাগল জবাই করার পর ওই ছাগলের গায়ে গরুর রক্ত মেখে মাংস বিক্রির সময় স্থানীয়রা দেখে ফেলে। পরে মরা ছাগল ও কসাইকে আটক করে আমিসহ উপস্থিত লোকজন বালিয়াডাঙ্গী থানায় খবর দিলে ঘটনাস্থল থেকে কসাইকে পুলিশ আটক করে থানায় নিয়ে যায়। ছাগলটিকে মাটিতে পুতে ফেলা হয়েছে এবং ইউএনও স্যারকে মুঠোফোনে অবগত করার পর তিনি ছুটিতে থাকার কারণে আগামী রবিবার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন।’
এ বিষয়ে বালিয়াডাঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খায়রুল আনাম ডন বলেন, কসাই নজরুল ইসলামকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। ইউএনওর সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানান তিনি।
প্রসঙ্গত, গত ১০ মে মরা মুরগির মাংস রান্না করে বিক্রির দায়ে হোটেল মালিক সেলিম উদ্দীনকে ৫ হাজার টাকা ও মাংস বিক্রেতা আব্দুলকে ১০ হাজার অর্থদণ্ড করা হয়। ওই হোটেলের সামনে থেকেই মরা ছাগলের মাংস বিক্রির অভিযোগে কসাইকে আটক করা হয়েছে।
এলাকাবাসী বলছে, ‘এসব অসাধু ব্যবসায়ীদের কঠোর শাস্তির আওতায় না আনার কারণে এসব অপরাধ করতে সাহস পাচ্ছে।’ সেই সঙ্গে জীবিত ও সতেজ গরু, ছাগল জবাই করে মাংস বিক্রির লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

মরা মুরগির মাংস বিক্রির অভিযোগের ঘটনার ১০ দিন পরই ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে এবার মরা ছাগল জবাই করে মাংস বিক্রির অভিযোগে নজরুল ইসলাম (৪৮) ওরফে ইদু নামে এক কসাইকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয়রা।
আজ শুক্রবার সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরের ভেতরেই মরা ছাগল জবাই করে গেটের সামনে বিক্রির চেষ্টা করছিলেন বলে জানা গেছে। স্থানীয়রা দেখে ফেলে হাতে নাতে আটক করে উত্তম-মাধ্যম দেয়।
আটক কসাই উপজেলার বড়বাড়ি ইউনিয়নের ধনিবস্তী মহাজনহাট গ্রামের শরিফ উদ্দীনের ছেলে।
বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সাব ইন্সপেক্টর আব্দুল গফুর বলেন, ‘সকালে উপজেলা পরিষদের ভেতরে মরা ছাগল জবাই করার পর ওই ছাগলের গায়ে গরুর রক্ত মেখে মাংস বিক্রির সময় স্থানীয়রা দেখে ফেলে। পরে মরা ছাগল ও কসাইকে আটক করে আমিসহ উপস্থিত লোকজন বালিয়াডাঙ্গী থানায় খবর দিলে ঘটনাস্থল থেকে কসাইকে পুলিশ আটক করে থানায় নিয়ে যায়। ছাগলটিকে মাটিতে পুতে ফেলা হয়েছে এবং ইউএনও স্যারকে মুঠোফোনে অবগত করার পর তিনি ছুটিতে থাকার কারণে আগামী রবিবার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন।’
এ বিষয়ে বালিয়াডাঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খায়রুল আনাম ডন বলেন, কসাই নজরুল ইসলামকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। ইউএনওর সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানান তিনি।
প্রসঙ্গত, গত ১০ মে মরা মুরগির মাংস রান্না করে বিক্রির দায়ে হোটেল মালিক সেলিম উদ্দীনকে ৫ হাজার টাকা ও মাংস বিক্রেতা আব্দুলকে ১০ হাজার অর্থদণ্ড করা হয়। ওই হোটেলের সামনে থেকেই মরা ছাগলের মাংস বিক্রির অভিযোগে কসাইকে আটক করা হয়েছে।
এলাকাবাসী বলছে, ‘এসব অসাধু ব্যবসায়ীদের কঠোর শাস্তির আওতায় না আনার কারণে এসব অপরাধ করতে সাহস পাচ্ছে।’ সেই সঙ্গে জীবিত ও সতেজ গরু, ছাগল জবাই করে মাংস বিক্রির লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৭ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৮ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৮ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২১ দিন আগে