রাবি প্রতিনিধি

‘প্রক্সি চুক্তির’ টাকা আদায় করতে শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুশফিক তাহমিদ তন্ময়সহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। একই অপরাধে গত বছর সংগঠন থেকে বহিষ্কার হয়েছিলেন তন্ময়। তবে এবার তিনি বলছেন, তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সত্য নয়। প্রতিপক্ষ ষড়যন্ত্র করে তাঁর নাম জড়িয়েছে।
শুক্রবার (১৮ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ মখদুম হলের সামনে সংবাদ সম্মেলন করেন তন্ময়। তিনি বলেন, ‘এক নারী ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের করা পৃথক দুটি মামলা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এই অভিযোগ কেউ প্রমাণ করতে পারলে প্রশাসনিক ভবনের সামনে ফাঁসির মঞ্চ সাজিয়ে নিজের ফাঁসি নিজেই কার্যকর করব।’
তাকে ফাঁসানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করে ছাত্রলীগের এই নেতা বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। আমাকে রাজনীতির মাঠে আটকানোর জন্য ষড়যন্ত্র করে প্রক্সিতে তকমা লাগাচ্ছে তারা। আমি যদি রাজনীতি ছেড়ে দেই, তাহলে আর কোনো মামলা হবে না।’
কারা এবং কেন তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে, সাংবাদিকেরা জানতে চাইলে তন্ময় বলেন, ‘বর্তমান ছাত্রলীগের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া ও সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ আমাকে সম্মেলনের মাঠ থেকে বিচ্যুত করতে চাচ্ছে। তারা প্রকাশ্য বলে বেড়ায় যে কোনো মূল্যে তন্ময়ের উইকেট ফেলতে হবে। সামনে ছাত্রলীগের নতুন কমিটি হতে যাচ্ছে। সেখানে যদি আমি নেতা হই তাহলে তারা অনেকটা সমস্যায় পড়ে যাবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগে তারা’ মাই ম্যান’ নিয়োগ দিতে পারবে না। কিছু শিক্ষকরাও এটাই চাচ্ছে। আমাকে চাচ্ছে না কারণ আমি তাদের মেন্টালিটির না। তাদের সঙ্গে সমঝোতা করতে পারব না।’
সামনের কমিটিতে পদপ্রত্যাশী এই নেতা আরও বলেন, ‘এ ঘটনার সঙ্গে যে আমি কোনো ভাবেই জড়িত নই সেটা বিভিন্ন জায়গার সিসিটিভির ফুটেজের ভিডিও দেখলেই বোঝা যাবে ৷ এ ছাড়া যে নম্বর থেকে কল দিয়ে টাকা চাওয়া হয়েছিল তার পরিচয় পেলেই জানা যাবে। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মদদে আমাকে রাজনীতির মাঠ থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য এই অভিযোগ করা হয়েছে। যার কোনো ভিত্তি নেই।’
সংবাদ সম্মেলনে মুশফিক তাহমিদ তন্ময়ের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন শাহ মখদুম হল ছাত্রলীগের সভাপতি রামিম আহমেদ রূপম, সোহরাওয়ার্দী হল শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি শামিম হোসেন, হবিবুর রহমান হল ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রেজওয়ান গাজীসহ তার অনুসারীরা।
উল্লেখ্য, প্রক্সি দিয়ে করিয়ে দেওয়ার টাকা আদায় করতে এক শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে তন্ময়সহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন রাবির রেজিস্ট্রার অধ্যাপক আব্দুস সালাম। একই সঙ্গে সন্তানকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে তন্ময়কে প্রধান আসামি করে আরও তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (১৭ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সায়েন্স অ্যান্ড হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট বিভাগে ভর্তি হতে মায়ের সঙ্গে স্যার জগদীশ চন্দ্র অ্যাকাডেমিক ভবনে আসেন আহসান হাবীব। ভর্তি শেষে ভবন থেকে বের হয়ে এলে অজ্ঞাতনামা ৩-৪ জন ব্যক্তি আহসান হাবীবকে অপহরণ করে শের-ই-বাংলা হলের তৃতীয় তলায় আটকে রাখে। এরপর অপহরণকারীরা সেলফোনে তাঁর বাবার কাছে ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।
অভিযোগ পেয়ে বিশ্ববিদ্যায়ের প্রক্টরিয়াল বডি সেই শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে প্রক্টরের দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জিজ্ঞাসাবাদে সেই শিক্ষার্থী স্বীকার করেন, আসামিদের সহযোগিতায় প্রক্সির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পান। এ জন্য ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা চুক্তি হয়। ভর্তির আগে তিনি ৪ লাখ ২০ হাজার টাকা পরিশোধ করেন এবং বাকি টাকা ভর্তির পর দেবেন বলে অঙ্গীকার করেন। কিন্তু ভর্তির পর তিনি সেই টাকা না দেওয়ায় আসামিরা তাঁকে অপহরণ করে ভয় দেখান।
এর আগে ২০২২ সালের জুলাইয়ে ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সি জালিয়াতিতে ‘মূল হোতা’ হিসেবে ছাত্রলীগ নেতা তন্ময়ের নাম বেরিয়ে আসার পর এ নিয়ে একাধিক জাতীয় দৈনিক সংবাদ প্রকাশিত হয়। অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে তন্ময়ের একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৪২ লাখের বেশি টাকা লেনদেনের তথ্য। মূলত এরপরই তন্ময়কে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়।

‘প্রক্সি চুক্তির’ টাকা আদায় করতে শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুশফিক তাহমিদ তন্ময়সহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। একই অপরাধে গত বছর সংগঠন থেকে বহিষ্কার হয়েছিলেন তন্ময়। তবে এবার তিনি বলছেন, তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সত্য নয়। প্রতিপক্ষ ষড়যন্ত্র করে তাঁর নাম জড়িয়েছে।
শুক্রবার (১৮ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ মখদুম হলের সামনে সংবাদ সম্মেলন করেন তন্ময়। তিনি বলেন, ‘এক নারী ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের করা পৃথক দুটি মামলা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এই অভিযোগ কেউ প্রমাণ করতে পারলে প্রশাসনিক ভবনের সামনে ফাঁসির মঞ্চ সাজিয়ে নিজের ফাঁসি নিজেই কার্যকর করব।’
তাকে ফাঁসানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করে ছাত্রলীগের এই নেতা বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। আমাকে রাজনীতির মাঠে আটকানোর জন্য ষড়যন্ত্র করে প্রক্সিতে তকমা লাগাচ্ছে তারা। আমি যদি রাজনীতি ছেড়ে দেই, তাহলে আর কোনো মামলা হবে না।’
কারা এবং কেন তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে, সাংবাদিকেরা জানতে চাইলে তন্ময় বলেন, ‘বর্তমান ছাত্রলীগের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া ও সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ আমাকে সম্মেলনের মাঠ থেকে বিচ্যুত করতে চাচ্ছে। তারা প্রকাশ্য বলে বেড়ায় যে কোনো মূল্যে তন্ময়ের উইকেট ফেলতে হবে। সামনে ছাত্রলীগের নতুন কমিটি হতে যাচ্ছে। সেখানে যদি আমি নেতা হই তাহলে তারা অনেকটা সমস্যায় পড়ে যাবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগে তারা’ মাই ম্যান’ নিয়োগ দিতে পারবে না। কিছু শিক্ষকরাও এটাই চাচ্ছে। আমাকে চাচ্ছে না কারণ আমি তাদের মেন্টালিটির না। তাদের সঙ্গে সমঝোতা করতে পারব না।’
সামনের কমিটিতে পদপ্রত্যাশী এই নেতা আরও বলেন, ‘এ ঘটনার সঙ্গে যে আমি কোনো ভাবেই জড়িত নই সেটা বিভিন্ন জায়গার সিসিটিভির ফুটেজের ভিডিও দেখলেই বোঝা যাবে ৷ এ ছাড়া যে নম্বর থেকে কল দিয়ে টাকা চাওয়া হয়েছিল তার পরিচয় পেলেই জানা যাবে। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মদদে আমাকে রাজনীতির মাঠ থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য এই অভিযোগ করা হয়েছে। যার কোনো ভিত্তি নেই।’
সংবাদ সম্মেলনে মুশফিক তাহমিদ তন্ময়ের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন শাহ মখদুম হল ছাত্রলীগের সভাপতি রামিম আহমেদ রূপম, সোহরাওয়ার্দী হল শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি শামিম হোসেন, হবিবুর রহমান হল ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রেজওয়ান গাজীসহ তার অনুসারীরা।
উল্লেখ্য, প্রক্সি দিয়ে করিয়ে দেওয়ার টাকা আদায় করতে এক শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে তন্ময়সহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন রাবির রেজিস্ট্রার অধ্যাপক আব্দুস সালাম। একই সঙ্গে সন্তানকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে তন্ময়কে প্রধান আসামি করে আরও তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (১৭ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সায়েন্স অ্যান্ড হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট বিভাগে ভর্তি হতে মায়ের সঙ্গে স্যার জগদীশ চন্দ্র অ্যাকাডেমিক ভবনে আসেন আহসান হাবীব। ভর্তি শেষে ভবন থেকে বের হয়ে এলে অজ্ঞাতনামা ৩-৪ জন ব্যক্তি আহসান হাবীবকে অপহরণ করে শের-ই-বাংলা হলের তৃতীয় তলায় আটকে রাখে। এরপর অপহরণকারীরা সেলফোনে তাঁর বাবার কাছে ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।
অভিযোগ পেয়ে বিশ্ববিদ্যায়ের প্রক্টরিয়াল বডি সেই শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে প্রক্টরের দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জিজ্ঞাসাবাদে সেই শিক্ষার্থী স্বীকার করেন, আসামিদের সহযোগিতায় প্রক্সির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পান। এ জন্য ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা চুক্তি হয়। ভর্তির আগে তিনি ৪ লাখ ২০ হাজার টাকা পরিশোধ করেন এবং বাকি টাকা ভর্তির পর দেবেন বলে অঙ্গীকার করেন। কিন্তু ভর্তির পর তিনি সেই টাকা না দেওয়ায় আসামিরা তাঁকে অপহরণ করে ভয় দেখান।
এর আগে ২০২২ সালের জুলাইয়ে ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সি জালিয়াতিতে ‘মূল হোতা’ হিসেবে ছাত্রলীগ নেতা তন্ময়ের নাম বেরিয়ে আসার পর এ নিয়ে একাধিক জাতীয় দৈনিক সংবাদ প্রকাশিত হয়। অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে তন্ময়ের একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৪২ লাখের বেশি টাকা লেনদেনের তথ্য। মূলত এরপরই তন্ময়কে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়।

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
৮ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১২ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে গত রোববার বিকেল থেকে সোমবার বিকেল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৬৯৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
১৩ দিন আগে
জুলাই–আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আলোচিত মুখ ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদিকে গুলি করার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগে মাধ্যমে বহুল আলোচিত নাম ফয়সাল করিম মাসুদ কিংবা দাউদ খান। গতকাল শুক্রবার হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকেই এই দুই নামে এক ব্যক্তির ছবি ফেসবুকে ভেসে বেড়াচ্ছে।
২২ দিন আগে