নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

রাজশাহীতে এক দম্পতির বিরুদ্ধে আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনে দুদক মামলা করেছে। আজ সোমবার স্ত্রীর বিরুদ্ধে ৭৯ লাখ ৫৭ হাজার টাকা এবং গত রোববার (২৮ আগস্ট) স্বামীর বিরুদ্ধে ১ কোটি ৮৪ লাখ ৫৩ হাজার টাকা আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনে পৃথক দুটি মামলা করা হয়। দুদকের সমন্বিত রাজশাহী জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আমির হোসাইন বাদী হয়ে মামলা দুটি করেন।
নগরীর গোরহাঙ্গা এলাকার দম্পতি মারুফা খানম এবং স্বামী আবুল হাসনাত মো. কামরুজ্জামান মুকুল। দুদক জানায়, মারুফা খানম তাঁর দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে উল্লেখ করেছেন, তাঁর নামে ১ কোটি ৬৪ লাখ ৬২৫ টাকা মূল্যের স্থাবর ও ৭ লাখ ৫৪ হাজার টাকা মূল্যের অস্থাবর সম্পদ রয়েছে। অর্থাৎ তাঁর ১ কোটি ৮ লাখ ১৮ হাজার ৬২৫ টাকা মূল্যের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ এবং ১৯ লাখ ৫ হাজার ৫৬৪ টাকা ঋণ রয়েছে।
কিন্তু অনুসন্ধানকালে দুদক জানতে পারে মারুফার নামে স্থাবর ১ কোটি ৬৪ হাজার ৬২৫ টাকার ও ৪ লাখ ৩০ হাজার ৫৩৮ টাকার অস্থাবর সম্পদ রয়েছে। মোট সম্পদ ১ কোটি ৪ লাখ ৯৫ হাজার ১৬৩ টাকার। তাঁর ঋণ পাওয়া যায় ১৭ লাখ ৪৯ হাজার ৮৪১ টাকা। কিন্তু তিনি সম্পদ বিবরণীতে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৭২৩ টাকা বেশি ঋণ দেখিয়েছেন।
ঋণ বাদে মারুফা খানমের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের মূল্য দাঁড়ায় ৮৭ লাখ ৪৫ হাজার ৩২২ টাকার। অথচ তাঁর বৈধ আয় পাওয়া যায় মোট ৯ লাখ ৪৫ হাজার ৭৫৪ টাকার। তাঁর পারিবারিক ব্যয় ১ লাখ ৫৭ হাজার ৬২৫ টাকা। তার পারিবারিক ব্যয়সহ অর্জিত সম্পদ ৮৯ লাখ ২ হাজার ৯৪৭ টাকা। ফলে তিনি অসাধু উপায়ে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ৭৯ লাখ ৫৭ হাজার ১৯৩ টাকা মূল্যের সম্পদের মালিকানা অর্জন করেছেন। এটি দুর্নীতি দমন কমিশন আইন-২০০৪ এর ২৭(১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ কারণে দুদক বাদী হয়ে মারুফা খানমের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে।
দুদক আরও জানায়, মারুফার স্বামী আবুল হাসনাত মো. কামরুজ্জামান মুকুল ১ কোটি ৫১ লাখ ৬৩ হাজার টাকা মূল্যের সম্পদের তথ্য গোপন এবং আয়বহির্ভূত ১ কোটি ৮৪ লাখ ৫৩ হাজার টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কামরুজ্জামান মুকুল রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার জোতকার্তিক বিএন উচ্চবিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী শিক্ষক। জোতকার্তিক তাঁর গ্রামের বাড়ি। রাজশাহী নিউমার্কেট এলাকার সিটি পলিটেকনিক অ্যান্ড টেক্সটাইল ইনস্টিটিউটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তিনি। সিটি টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষও তিনি। তাঁর স্ত্রী মারুফা নগরীর রাজপাড়া থানা এলাকার আদর্শ মহিলা টেকনিক্যাল ও বিজনেস ম্যানেজমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ।
এসব বেসরকারি কারিগরি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন মারুফা ও তাঁর স্বামী মুকুল। এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এ দম্পতি সনদ-বাণিজ্য করে বলে অভিযোগ রয়েছে। মুকুলের বিরুদ্ধে করা দুদকের মামলায় সেটিও বলা হয়েছে। সম্প্রতি জোতকার্তিক গ্রামের একটি খুনের ঘটনায় আসামি হয়েছেন কামরুজ্জামান মুকুল। এরপর থেকে তিনি পলাতক।

রাজশাহীতে এক দম্পতির বিরুদ্ধে আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনে দুদক মামলা করেছে। আজ সোমবার স্ত্রীর বিরুদ্ধে ৭৯ লাখ ৫৭ হাজার টাকা এবং গত রোববার (২৮ আগস্ট) স্বামীর বিরুদ্ধে ১ কোটি ৮৪ লাখ ৫৩ হাজার টাকা আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনে পৃথক দুটি মামলা করা হয়। দুদকের সমন্বিত রাজশাহী জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আমির হোসাইন বাদী হয়ে মামলা দুটি করেন।
নগরীর গোরহাঙ্গা এলাকার দম্পতি মারুফা খানম এবং স্বামী আবুল হাসনাত মো. কামরুজ্জামান মুকুল। দুদক জানায়, মারুফা খানম তাঁর দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে উল্লেখ করেছেন, তাঁর নামে ১ কোটি ৬৪ লাখ ৬২৫ টাকা মূল্যের স্থাবর ও ৭ লাখ ৫৪ হাজার টাকা মূল্যের অস্থাবর সম্পদ রয়েছে। অর্থাৎ তাঁর ১ কোটি ৮ লাখ ১৮ হাজার ৬২৫ টাকা মূল্যের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ এবং ১৯ লাখ ৫ হাজার ৫৬৪ টাকা ঋণ রয়েছে।
কিন্তু অনুসন্ধানকালে দুদক জানতে পারে মারুফার নামে স্থাবর ১ কোটি ৬৪ হাজার ৬২৫ টাকার ও ৪ লাখ ৩০ হাজার ৫৩৮ টাকার অস্থাবর সম্পদ রয়েছে। মোট সম্পদ ১ কোটি ৪ লাখ ৯৫ হাজার ১৬৩ টাকার। তাঁর ঋণ পাওয়া যায় ১৭ লাখ ৪৯ হাজার ৮৪১ টাকা। কিন্তু তিনি সম্পদ বিবরণীতে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৭২৩ টাকা বেশি ঋণ দেখিয়েছেন।
ঋণ বাদে মারুফা খানমের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের মূল্য দাঁড়ায় ৮৭ লাখ ৪৫ হাজার ৩২২ টাকার। অথচ তাঁর বৈধ আয় পাওয়া যায় মোট ৯ লাখ ৪৫ হাজার ৭৫৪ টাকার। তাঁর পারিবারিক ব্যয় ১ লাখ ৫৭ হাজার ৬২৫ টাকা। তার পারিবারিক ব্যয়সহ অর্জিত সম্পদ ৮৯ লাখ ২ হাজার ৯৪৭ টাকা। ফলে তিনি অসাধু উপায়ে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ৭৯ লাখ ৫৭ হাজার ১৯৩ টাকা মূল্যের সম্পদের মালিকানা অর্জন করেছেন। এটি দুর্নীতি দমন কমিশন আইন-২০০৪ এর ২৭(১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ কারণে দুদক বাদী হয়ে মারুফা খানমের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে।
দুদক আরও জানায়, মারুফার স্বামী আবুল হাসনাত মো. কামরুজ্জামান মুকুল ১ কোটি ৫১ লাখ ৬৩ হাজার টাকা মূল্যের সম্পদের তথ্য গোপন এবং আয়বহির্ভূত ১ কোটি ৮৪ লাখ ৫৩ হাজার টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কামরুজ্জামান মুকুল রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার জোতকার্তিক বিএন উচ্চবিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী শিক্ষক। জোতকার্তিক তাঁর গ্রামের বাড়ি। রাজশাহী নিউমার্কেট এলাকার সিটি পলিটেকনিক অ্যান্ড টেক্সটাইল ইনস্টিটিউটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তিনি। সিটি টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষও তিনি। তাঁর স্ত্রী মারুফা নগরীর রাজপাড়া থানা এলাকার আদর্শ মহিলা টেকনিক্যাল ও বিজনেস ম্যানেজমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ।
এসব বেসরকারি কারিগরি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন মারুফা ও তাঁর স্বামী মুকুল। এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এ দম্পতি সনদ-বাণিজ্য করে বলে অভিযোগ রয়েছে। মুকুলের বিরুদ্ধে করা দুদকের মামলায় সেটিও বলা হয়েছে। সম্প্রতি জোতকার্তিক গ্রামের একটি খুনের ঘটনায় আসামি হয়েছেন কামরুজ্জামান মুকুল। এরপর থেকে তিনি পলাতক।

রাজধানী ঢাকায় কোনো ‘হাইপ্রোফাইল’ (উঁচু স্তরের) কেউ খুন হলে বা অন্য কোনো আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে প্রায়ই পুলিশের ভাষ্যে উঠে আসে বিদেশে অবস্থানরত সন্ত্রাসী কিংবা ‘গডফাদারের’ নাম। দেশের বাইরে থাকা ব্যক্তিদের ওপর দায় চাপানোর কারণে অনেক ক্ষেত্রে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত
৩ ঘণ্টা আগে
বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১২ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১৩ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২৩ দিন আগে