আজকের পত্রিকা ডেস্ক

পাকিস্তানের করাচি শহরের অন্যতম ব্যস্ত বাণিজ্যিক এলাকা এম এ জিন্নাহ রোডের গুল প্লাজা শপিং মলে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। শনিবার গভীর রাতে শুরু হওয়া এই আগুন আজ রোববার দুপুরে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঘন ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে অধিকাংশ নিহতের ঘটনা ঘটেছে। দগ্ধ অন্তত ২০ জনকে করাচির সিভিল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
বার্তা সংস্থা এএফপি স্থানীয় পুলিশ ও উদ্ধারকারীদের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে শপিং মলের নিচতলার একটি দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই তা পুরো কমপ্লেক্সে ছড়িয়ে পড়ে।
শপিং মলটিতে প্রায় ১ হাজার ২০০টি দোকান রয়েছে। নিচতলার প্রায় সব দোকান ও গুদাম ভস্মীভূত হয়েছে। আগুনের তীব্রতায় বহুতল ভবনটির একটি বড় অংশ ধসে পড়েছে। ফলে ভেতরে আরও মানুষ আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
করাচির মেয়র মুর্তজা ওহাব জানান, আগুন নেভাতে গিয়ে ফোরকান নামে একজন উদ্ধারকর্মী নিহত হয়েছেন।
গার্ডেন সাবডিভিশনাল পুলিশ অফিসার মহসিন রাজা জানান, প্রাথমিক তদন্তে শর্টসার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ভবনের ভেতরে পর্যাপ্ত ভেন্টিলেশন বা অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা না থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ভবনটি অনেক পুরোনো হওয়ায় বর্তমানে এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে এবং যেকোনো সময় পুরো কাঠামো ধসে পড়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এ মর্মান্তিক ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি এবং প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। প্রধানমন্ত্রী এক বিবৃতিতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সহায়তা এবং আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে সিন্ধু সরকারকে নির্দেশ দিয়েছেন। সিন্ধু প্রদেশের গভর্নর এবং মুখ্যমন্ত্রী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

পাকিস্তানের করাচি শহরের অন্যতম ব্যস্ত বাণিজ্যিক এলাকা এম এ জিন্নাহ রোডের গুল প্লাজা শপিং মলে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। শনিবার গভীর রাতে শুরু হওয়া এই আগুন আজ রোববার দুপুরে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঘন ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে অধিকাংশ নিহতের ঘটনা ঘটেছে। দগ্ধ অন্তত ২০ জনকে করাচির সিভিল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
বার্তা সংস্থা এএফপি স্থানীয় পুলিশ ও উদ্ধারকারীদের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে শপিং মলের নিচতলার একটি দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই তা পুরো কমপ্লেক্সে ছড়িয়ে পড়ে।
শপিং মলটিতে প্রায় ১ হাজার ২০০টি দোকান রয়েছে। নিচতলার প্রায় সব দোকান ও গুদাম ভস্মীভূত হয়েছে। আগুনের তীব্রতায় বহুতল ভবনটির একটি বড় অংশ ধসে পড়েছে। ফলে ভেতরে আরও মানুষ আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
করাচির মেয়র মুর্তজা ওহাব জানান, আগুন নেভাতে গিয়ে ফোরকান নামে একজন উদ্ধারকর্মী নিহত হয়েছেন।
গার্ডেন সাবডিভিশনাল পুলিশ অফিসার মহসিন রাজা জানান, প্রাথমিক তদন্তে শর্টসার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ভবনের ভেতরে পর্যাপ্ত ভেন্টিলেশন বা অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা না থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ভবনটি অনেক পুরোনো হওয়ায় বর্তমানে এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে এবং যেকোনো সময় পুরো কাঠামো ধসে পড়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এ মর্মান্তিক ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি এবং প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। প্রধানমন্ত্রী এক বিবৃতিতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সহায়তা এবং আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে সিন্ধু সরকারকে নির্দেশ দিয়েছেন। সিন্ধু প্রদেশের গভর্নর এবং মুখ্যমন্ত্রী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

রাজধানী ঢাকায় কোনো ‘হাইপ্রোফাইল’ (উঁচু স্তরের) কেউ খুন হলে বা অন্য কোনো আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে প্রায়ই পুলিশের ভাষ্যে উঠে আসে বিদেশে অবস্থানরত সন্ত্রাসী কিংবা ‘গডফাদারের’ নাম। দেশের বাইরে থাকা ব্যক্তিদের ওপর দায় চাপানোর কারণে অনেক ক্ষেত্রে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত
৩ ঘণ্টা আগে
বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১২ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১৩ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২৩ দিন আগে