আজকের পত্রিকা ডেস্ক

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ওপর ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বাটলার র্যালিতে হওয়া হামলার ফুটেজ ও তাঁর রক্তাক্ত ছবি প্রচার করে এক ভয়াবহ হুমকি দিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম। সম্প্রচারের সময় স্ক্রিনে ভেসে ওঠে একটি বাক্য—এবার আর টার্গেট মিস হবে না (This time, the bullet won’t miss)। গতকাল বুধবার এই ভিডিও ক্লিপটি প্রচার করা হয় বলে জানা গেছে। তবে ঠিক কখন প্রচার করা হয়েছে তা জানা যায়নি।
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে দুই দেশের সম্পর্ক যখন যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে, ঠিক তখনই এই উসকানিমূলক বার্তা দিল খামেনি প্রশাসন।
এদিকে ইরানে চলমান বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর দমন-পীড়ন নিয়ে আন্তর্জাতিক উদ্বেগও বাড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে গত মঙ্গলবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ইরানি বিক্ষোভকারীদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে লেখেন, ‘সাহায্য আসছে। মেক ইরান গ্রেপ এগেইন।’
হোয়াইট হাউস আরও জানিয়েছে, ইরানে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হলে যুক্তরাষ্ট্র ‘কঠোর পদক্ষেপ’ নিতে পারে। বিশেষ করে ইরানি যুবক এরফান সোলতানির মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘিরে ট্রাম্প প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া ছিল তীব্র। অবশ্য ট্রাম্পের এই প্রতিক্রিয়ার পর ইরানের বিচার বিভাগ এরফানের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করেন।
হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা ডেইলি মেইলকে বলেন, ‘ইরান পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সামনে সব ধরনের বিকল্প খোলা আছে।’
বিভিন্ন মানবাধিকার সূত্রের দাবি অনুযায়ী, ইরানে চলমান বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত ৩ হাজার ৪২৮ জনের বেশি বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় প্রতিদিন বহু আহতকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
একজন চিকিৎসক পরিস্থিতিকে গণহতাহতের পরিস্থিতি হিসেবে বর্ণনা করেছেন। বিদেশি গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে হাসপাতালের মর্গে সারিবদ্ধ মরদেহ এবং স্বজনদের আহাজারির দৃশ্য দেখা গেছে।
ডেইলি মেইলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইরানের একাধিক নাগরিক অভিযোগ করেছেন—ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) নিরস্ত্র বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলির নির্দেশ পেয়েছে, বাড়িতে বাড়িতে অভিযান চালানো হচ্ছে, মরদেহ ফেরত পেতে পরিবারগুলোর কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগও উঠেছে।
তথ্যসূত্র: এএফপি ও ডেইলি মেইল

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ওপর ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বাটলার র্যালিতে হওয়া হামলার ফুটেজ ও তাঁর রক্তাক্ত ছবি প্রচার করে এক ভয়াবহ হুমকি দিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম। সম্প্রচারের সময় স্ক্রিনে ভেসে ওঠে একটি বাক্য—এবার আর টার্গেট মিস হবে না (This time, the bullet won’t miss)। গতকাল বুধবার এই ভিডিও ক্লিপটি প্রচার করা হয় বলে জানা গেছে। তবে ঠিক কখন প্রচার করা হয়েছে তা জানা যায়নি।
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে দুই দেশের সম্পর্ক যখন যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে, ঠিক তখনই এই উসকানিমূলক বার্তা দিল খামেনি প্রশাসন।
এদিকে ইরানে চলমান বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর দমন-পীড়ন নিয়ে আন্তর্জাতিক উদ্বেগও বাড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে গত মঙ্গলবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ইরানি বিক্ষোভকারীদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে লেখেন, ‘সাহায্য আসছে। মেক ইরান গ্রেপ এগেইন।’
হোয়াইট হাউস আরও জানিয়েছে, ইরানে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হলে যুক্তরাষ্ট্র ‘কঠোর পদক্ষেপ’ নিতে পারে। বিশেষ করে ইরানি যুবক এরফান সোলতানির মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘিরে ট্রাম্প প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া ছিল তীব্র। অবশ্য ট্রাম্পের এই প্রতিক্রিয়ার পর ইরানের বিচার বিভাগ এরফানের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করেন।
হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা ডেইলি মেইলকে বলেন, ‘ইরান পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সামনে সব ধরনের বিকল্প খোলা আছে।’
বিভিন্ন মানবাধিকার সূত্রের দাবি অনুযায়ী, ইরানে চলমান বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত ৩ হাজার ৪২৮ জনের বেশি বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় প্রতিদিন বহু আহতকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
একজন চিকিৎসক পরিস্থিতিকে গণহতাহতের পরিস্থিতি হিসেবে বর্ণনা করেছেন। বিদেশি গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে হাসপাতালের মর্গে সারিবদ্ধ মরদেহ এবং স্বজনদের আহাজারির দৃশ্য দেখা গেছে।
ডেইলি মেইলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইরানের একাধিক নাগরিক অভিযোগ করেছেন—ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) নিরস্ত্র বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলির নির্দেশ পেয়েছে, বাড়িতে বাড়িতে অভিযান চালানো হচ্ছে, মরদেহ ফেরত পেতে পরিবারগুলোর কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগও উঠেছে।
তথ্যসূত্র: এএফপি ও ডেইলি মেইল

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৯ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১০ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২০ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৩ দিন আগে