বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি

মিথ্যা ঘোষণায় ভারত থেকে আমদানি করা সামুদ্রিক মাছের ট্রাকে মিলেছে বিপুল পরিমাণ চিংড়ি। সেই চালান জব্দ করেছেন কাস্টমস কর্মকর্তারা। আজ সোমবার বিকেলে বেনাপোল বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে ওই সামুদ্রিক মাছের ট্রাকে ৪৭০ কেজি চিংড়ি পাওয়া যায়। এতে ১৫ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।
চিংড়ির চালানটির আমদানিকারক খুলনার বুলবুল ট্রেডার্স। চালানটি খালাসের দায়িত্বে ছিল বেনাপোলের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট শহিদ ট্রেডিং করপোরেশন।
কাস্টমস সূত্রে জানা যায়, চালানটিতে ঘোষণা দেওয়া হয় ৮৭ কার্টন মাছ। যার ঘোষিত নিট ওজন ৫ হাজার ১৭ কেজি। কিন্তু কাস্টমস কর্তৃপক্ষ ট্রাকটিতে ১১ প্যাকেজ মাছ বেশি পায়। আমদানিকৃত চিংড়ির চালানে ১৫ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হয়েছে।
বেনাপোল কাস্টমস কমিশনার মো. আব্দুল হাকিম জানান, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ভারত থেকে আমদানি করা একটি সামুদ্রিক মাছের চালানের ট্রাকে তল্লাশি করা হয়। তল্লাশিতে অতিরিক্ত ১১ প্যাকেজে ৪৭০ কেজি বড় আকারের চিংড়ি পাওয়া যায়। কাস্টমস কমিশনার বলেন, ‘আমদানিকারকের বিন লক করা হবে এবং সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের লাইসেন্স বাতিল করা হবে।’
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বেনাপোল বন্দর দিয়ে যাতে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে পণ্য আমদানি বা অবৈধ পণ্য প্রবেশ না করে এ জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বন্দরে আমদানি পণ্য প্রবেশ দ্বারে একটি মোবাইল স্ক্যানিং মেশিন স্থাপন করেছে। তবে মেশিনটি সাত মাস ধরে নষ্ট। এ সুযোগে বন্দর দিয়ে অনিয়ম বেড়েছে। এর আগেও এ ধরনের চালান জব্দ করেছে কাস্টমস। তবে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট, আমদানিকারক বা সহযোগী কাস্টমস কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
এ ব্যাপারে বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিষয়ক সম্পাদক সুলতান মাহামুদ বিপুল জানান, স্ক্যানিং মেশিন নষ্ট থাকায় নিরাপদ বাণিজ্য ঝুঁকিতে পড়ছে।
স্ক্যানিং মেশিন মেরামত না করার ব্যাপারে জানতে চাইলে বেনাপোল স্থলবন্দর পরিচালক রেজাউল করিম বলেন, স্ক্যানিং মেশিনগুলো চালু করতে কাস্টমস কর্মকর্তাকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

মিথ্যা ঘোষণায় ভারত থেকে আমদানি করা সামুদ্রিক মাছের ট্রাকে মিলেছে বিপুল পরিমাণ চিংড়ি। সেই চালান জব্দ করেছেন কাস্টমস কর্মকর্তারা। আজ সোমবার বিকেলে বেনাপোল বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে ওই সামুদ্রিক মাছের ট্রাকে ৪৭০ কেজি চিংড়ি পাওয়া যায়। এতে ১৫ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।
চিংড়ির চালানটির আমদানিকারক খুলনার বুলবুল ট্রেডার্স। চালানটি খালাসের দায়িত্বে ছিল বেনাপোলের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট শহিদ ট্রেডিং করপোরেশন।
কাস্টমস সূত্রে জানা যায়, চালানটিতে ঘোষণা দেওয়া হয় ৮৭ কার্টন মাছ। যার ঘোষিত নিট ওজন ৫ হাজার ১৭ কেজি। কিন্তু কাস্টমস কর্তৃপক্ষ ট্রাকটিতে ১১ প্যাকেজ মাছ বেশি পায়। আমদানিকৃত চিংড়ির চালানে ১৫ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হয়েছে।
বেনাপোল কাস্টমস কমিশনার মো. আব্দুল হাকিম জানান, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ভারত থেকে আমদানি করা একটি সামুদ্রিক মাছের চালানের ট্রাকে তল্লাশি করা হয়। তল্লাশিতে অতিরিক্ত ১১ প্যাকেজে ৪৭০ কেজি বড় আকারের চিংড়ি পাওয়া যায়। কাস্টমস কমিশনার বলেন, ‘আমদানিকারকের বিন লক করা হবে এবং সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের লাইসেন্স বাতিল করা হবে।’
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বেনাপোল বন্দর দিয়ে যাতে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে পণ্য আমদানি বা অবৈধ পণ্য প্রবেশ না করে এ জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বন্দরে আমদানি পণ্য প্রবেশ দ্বারে একটি মোবাইল স্ক্যানিং মেশিন স্থাপন করেছে। তবে মেশিনটি সাত মাস ধরে নষ্ট। এ সুযোগে বন্দর দিয়ে অনিয়ম বেড়েছে। এর আগেও এ ধরনের চালান জব্দ করেছে কাস্টমস। তবে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট, আমদানিকারক বা সহযোগী কাস্টমস কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
এ ব্যাপারে বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিষয়ক সম্পাদক সুলতান মাহামুদ বিপুল জানান, স্ক্যানিং মেশিন নষ্ট থাকায় নিরাপদ বাণিজ্য ঝুঁকিতে পড়ছে।
স্ক্যানিং মেশিন মেরামত না করার ব্যাপারে জানতে চাইলে বেনাপোল স্থলবন্দর পরিচালক রেজাউল করিম বলেন, স্ক্যানিং মেশিনগুলো চালু করতে কাস্টমস কর্মকর্তাকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১ ঘণ্টা আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১০ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৩ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে গত রোববার বিকেল থেকে সোমবার বিকেল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৬৯৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
১৫ দিন আগে