কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের হত্যা মামলায় লিয়াকত আলী ও আশারত আলী নামে দুজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার বেলা ১২টার দিকে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-০১ এর বিচারক মো. তাজুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে তাঁদের ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
একই মামলায় এনামুল ও মিন্টু নামে দুই আসামিকে ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড এবং লিটন, রুবেল ও লালচাঁদ নামে তিন আসামিকে ৩ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় এই মামলায় ৮ জনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা সবাই আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাঁদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত লিয়াকত উপজেলার সংগ্রামপুর গ্রামের ইসলাম মণ্ডলের ছেলে ও আশারত তাঁর ছেলে।
কারাদণ্ডপ্রাপ্ত এনামুল একই এলাকার আরজেদ আলীর ছেলে, মিন্টু আমির হামজার ছেলে, লিটন একই এলাকার লালচাঁদের ছেলে, রুবেল হায়দার আলীর ছেলে ও লালচাঁদ মৃত নজরুল ইসলামের ছেলে।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ এবং এজাহার সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে পূর্ববিরোধে জেরে ২০১৪ সালের ১১ জুন বিকেলে উপজেলার সংগ্রামপুর গ্রামের মুক্তার হোসেনের ছেলে সাইফুল ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় সাইফুলের বড় ভাই শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে ১৫ জনকে আসামি করে দৌলতপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০১৪ সালের ১৮ নভেম্বর আদালতে মামলার চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কুষ্টিয়া সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক আকিদুল ইসলাম। দীর্ঘ শুনানি শেষে ৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আজ মামলার রায় ঘোষণা করেন আদালত।
কুষ্টিয়া জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট অনুপ কমার নন্দী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের হত্যা মামলায় লিয়াকত আলী ও আশারত আলী নামে দুজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার বেলা ১২টার দিকে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-০১ এর বিচারক মো. তাজুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে তাঁদের ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
একই মামলায় এনামুল ও মিন্টু নামে দুই আসামিকে ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড এবং লিটন, রুবেল ও লালচাঁদ নামে তিন আসামিকে ৩ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় এই মামলায় ৮ জনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা সবাই আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাঁদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত লিয়াকত উপজেলার সংগ্রামপুর গ্রামের ইসলাম মণ্ডলের ছেলে ও আশারত তাঁর ছেলে।
কারাদণ্ডপ্রাপ্ত এনামুল একই এলাকার আরজেদ আলীর ছেলে, মিন্টু আমির হামজার ছেলে, লিটন একই এলাকার লালচাঁদের ছেলে, রুবেল হায়দার আলীর ছেলে ও লালচাঁদ মৃত নজরুল ইসলামের ছেলে।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ এবং এজাহার সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে পূর্ববিরোধে জেরে ২০১৪ সালের ১১ জুন বিকেলে উপজেলার সংগ্রামপুর গ্রামের মুক্তার হোসেনের ছেলে সাইফুল ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় সাইফুলের বড় ভাই শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে ১৫ জনকে আসামি করে দৌলতপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০১৪ সালের ১৮ নভেম্বর আদালতে মামলার চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কুষ্টিয়া সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক আকিদুল ইসলাম। দীর্ঘ শুনানি শেষে ৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আজ মামলার রায় ঘোষণা করেন আদালত।
কুষ্টিয়া জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট অনুপ কমার নন্দী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৫ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৫ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৫ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৯ দিন আগে