যশোর প্রতিনিধি

যশোরে তৃতীয় লিঙ্গের লাভলী হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গতকাল শনিবার রাত থেকে আজ রোববার দুপুর পর্যন্ত যশোরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, ৫ রাউন্ড গুলি, একটি চাকু ও করাত জব্দ করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-সদর উপজেলার দোগাছিয়া গ্রামের জিয়াউর রহমানের ছেলে শাকিল পারভেজ (২১), ঝাউদিয়া গ্রামের শাহাজুল বিশ্বাসের ছেলে মেহেদী হাসান (১৯), খোলাডাঙ্গা গ্রামের শেখ মুজিবরের সন্তান তৃতীয় লিঙ্গের নাজমা (৩৫) ও মৃত লাল মিয়ার সন্তান সেলিম ওরফে সেলিনা।
জানা যায়, গতকাল সকালে শহরের ধর্মতলা এলাকা থেকে ইজিবাইকে করে কায়েমখোলা যাচ্ছিলেন নিহত লাভলী। তিনি হালসা ব্রিজ থেকে একটু দূরে পৌঁছালে শাকিল পারভেজ ও মেহেদী হাসান তাঁদের ব্যবহৃত পিস্তল দিয়ে লাভলীকে গুলি করেন। পরে শাকিল কাছে থাকা বর্মিজ চাকু দিয়ে লাভলীর মুখমণ্ডলের বিভিন্ন স্থানে ও গলায় পোচ দিয়ে হত্যা করেন এবং পালিয়ে যান।
এ ঘটনায় ডিবির এসআই বাদী হয়ে যশোর কোতয়ালি থানায় ৫ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ২ / ৩ জনকে অজ্ঞাতনামা করে একটি মামলা দায়ের করেন।
আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে যশোর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অফিসে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। এ সময় ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুপন কুমার সরকার বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন।
তাঁরা জানিয়েছেন, হিজড়া সম্প্রদায়কে পরিচালনা করে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার আকাঙ্ক্ষা ও পূর্ব বিরোধের জের ধরে এ হত্যাকাণ্ডটি ঘটানো হয়েছে।

যশোরে তৃতীয় লিঙ্গের লাভলী হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গতকাল শনিবার রাত থেকে আজ রোববার দুপুর পর্যন্ত যশোরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, ৫ রাউন্ড গুলি, একটি চাকু ও করাত জব্দ করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-সদর উপজেলার দোগাছিয়া গ্রামের জিয়াউর রহমানের ছেলে শাকিল পারভেজ (২১), ঝাউদিয়া গ্রামের শাহাজুল বিশ্বাসের ছেলে মেহেদী হাসান (১৯), খোলাডাঙ্গা গ্রামের শেখ মুজিবরের সন্তান তৃতীয় লিঙ্গের নাজমা (৩৫) ও মৃত লাল মিয়ার সন্তান সেলিম ওরফে সেলিনা।
জানা যায়, গতকাল সকালে শহরের ধর্মতলা এলাকা থেকে ইজিবাইকে করে কায়েমখোলা যাচ্ছিলেন নিহত লাভলী। তিনি হালসা ব্রিজ থেকে একটু দূরে পৌঁছালে শাকিল পারভেজ ও মেহেদী হাসান তাঁদের ব্যবহৃত পিস্তল দিয়ে লাভলীকে গুলি করেন। পরে শাকিল কাছে থাকা বর্মিজ চাকু দিয়ে লাভলীর মুখমণ্ডলের বিভিন্ন স্থানে ও গলায় পোচ দিয়ে হত্যা করেন এবং পালিয়ে যান।
এ ঘটনায় ডিবির এসআই বাদী হয়ে যশোর কোতয়ালি থানায় ৫ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ২ / ৩ জনকে অজ্ঞাতনামা করে একটি মামলা দায়ের করেন।
আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে যশোর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অফিসে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। এ সময় ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুপন কুমার সরকার বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন।
তাঁরা জানিয়েছেন, হিজড়া সম্প্রদায়কে পরিচালনা করে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার আকাঙ্ক্ষা ও পূর্ব বিরোধের জের ধরে এ হত্যাকাণ্ডটি ঘটানো হয়েছে।

রাজধানী ঢাকায় কোনো ‘হাইপ্রোফাইল’ (উঁচু স্তরের) কেউ খুন হলে বা অন্য কোনো আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে প্রায়ই পুলিশের ভাষ্যে উঠে আসে বিদেশে অবস্থানরত সন্ত্রাসী কিংবা ‘গডফাদারের’ নাম। দেশের বাইরে থাকা ব্যক্তিদের ওপর দায় চাপানোর কারণে অনেক ক্ষেত্রে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত
৫ ঘণ্টা আগে
বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১২ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১৩ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২৩ দিন আগে