আজকের পত্রিকা ডেস্ক

২০২৫ সালের হিসাব-নিকাশ নিয়ে মুখোমুখি রাশিয়া ও ইউক্রেন। বিপুল ক্ষয়ক্ষতি আড়ালে রাখতে রাশিয়া ‘তথ্যযুদ্ধমূলক প্রচারণা’ চালাচ্ছে বলে দাবি করছে ইউক্রেন। তারা বলছে, সামান্য ভূখণ্ডের বিপরীতে বিপুলসংখ্যক সেনা হারিয়েছে রাশিয়া। শান্তি আলোচনা এড়িয়ে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার একটি কৌশল হিসেবে এই কাজ করছে বলে মনে করছে তারা।
আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, রাশিয়ার সামরিক বাহিনী ২০২৫ সালে বড় ধরনের সাফল্যের দাবি করলেও পরিসংখ্যান বলছে ভিন্ন কথা।
রুশ সেনাপ্রধান ভ্যালেরি গেরাসিমভ দাবি করেন, ২০২৫ সালে রুশ বাহিনী ইউক্রেনের ৬ হাজার ৬৪০ বর্গকিলোমিটার ভূখণ্ড দখল করেছে এবং ৩৩৪টি ইউক্রেনীয় বসতি দখলে নিয়েছে। তবে ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব ওয়ার (আইএসডব্লিউ) জানায়, তারা ৪ হাজার ৯৫২ বর্গকিলোমিটার এলাকা এবং ২৪৫টি বসতিতে রুশ উপস্থিতির প্রমাণ পেয়েছে।
অন্যদিকে ইউক্রেনের সেনাপ্রধান ওলেক্সান্ডার সিরস্কির দাবি, ইউক্রেনের মোট ৬ লাখ ৩ হাজার ৫৫০ বর্গকিলোমিটার ভূখণ্ডের মাত্র শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ রাশিয়ার দখলে গেছে; কিন্তু এর বিনিময়ে প্রায় ৪ লাখ ২০ হাজার রুশ সেনা নিহত ও আহত হয়েছে।
ইউক্রেনের জেনারেল স্টাফের হিসাব অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরু থেকে রাশিয়ার মোট হতাহতের সংখ্যা ১২ লাখের বেশি। এ ছাড়া প্রায় ১১ হাজার ৫০০টি ট্যাংক, ২৪ হাজার সাঁজোয়া যুদ্ধযান, ৩৭ হাজারের বেশি আর্টিলারি সিস্টেম, ৭৮১টি বিমান এবং ৪ হাজারের বেশি মিসাইল ধ্বংস হয়েছে।
এদিকে গত ২৯ ডিসেম্বর রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ ইউক্রেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেন যে তারা প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বাসভবনে হামলা চালিয়ে তাঁকে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে।
এক বিবৃতিতে ল্যাভরভ বলেন, কিয়েভ ৯১টি দূরপাল্লার ড্রোন ব্যবহার করে নভগোরড অঞ্চলে রুশ প্রেসিডেন্টের রাষ্ট্রীয় বাসভবনে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে। পুতিনের বাড়ি মস্কো থেকে ৮৭ মাইল উত্তর-পূর্বে লেক ভালদাইয়ে অবস্থিত। তবে হামলার সময় পুতিন সেখানে ছিলেন কি না, সে বিষয়ে তিনি কিছু জানাননি।
রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সব কটি ড্রোন ধ্বংস করেছে বলে দাবি করেন ল্যাভরভ।
ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিকা দ্রুত এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি বলেন, ‘রাশিয়া তাদের দাবির সপক্ষে কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ দিতে পারেনি; দেবেও না। কারণ, এমন কোনো হামলার ঘটনা ঘটেনি।’
রাশিয়া বরফের ওপর পড়ে থাকা ড্রোনের ধ্বংসাবশেষের কিছু ছবি প্রকাশ করলেও সেগুলো কখন বা কোথায় ভূপাতিত করা হয়েছে, তার কোনো প্রমাণ মেলেনি। রাশিয়ার বিরোধী সংবাদমাধ্যম সোতার প্রতিবেদনে বলা হয়, ভালদাইয়ের স্থানীয় বাসিন্দারা ওই রাতে কোনো বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থার শব্দ শোনেননি। তারা আরও বলে, অত্যন্ত সুরক্ষিত আকাশসীমা পার হয়ে ৯১টি ড্রোনের পক্ষে পুতিনের বাসভবনে পৌঁছানো প্রায় অসম্ভব।
মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এবং ন্যাটোতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ম্যাথিউ হুইটেকারও এই হামলার বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার এই দাবি বিশ্বাস করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি এটা পছন্দ করছি না। পুতিনের বাড়িতে হামলা করার এটি সঠিক সময় নয়। আমি আজ প্রেসিডেন্ট পুতিনের কাছ থেকেই এটি জেনেছি এবং আমি এতে খুব ক্ষুব্ধ।’

২০২৫ সালের হিসাব-নিকাশ নিয়ে মুখোমুখি রাশিয়া ও ইউক্রেন। বিপুল ক্ষয়ক্ষতি আড়ালে রাখতে রাশিয়া ‘তথ্যযুদ্ধমূলক প্রচারণা’ চালাচ্ছে বলে দাবি করছে ইউক্রেন। তারা বলছে, সামান্য ভূখণ্ডের বিপরীতে বিপুলসংখ্যক সেনা হারিয়েছে রাশিয়া। শান্তি আলোচনা এড়িয়ে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার একটি কৌশল হিসেবে এই কাজ করছে বলে মনে করছে তারা।
আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, রাশিয়ার সামরিক বাহিনী ২০২৫ সালে বড় ধরনের সাফল্যের দাবি করলেও পরিসংখ্যান বলছে ভিন্ন কথা।
রুশ সেনাপ্রধান ভ্যালেরি গেরাসিমভ দাবি করেন, ২০২৫ সালে রুশ বাহিনী ইউক্রেনের ৬ হাজার ৬৪০ বর্গকিলোমিটার ভূখণ্ড দখল করেছে এবং ৩৩৪টি ইউক্রেনীয় বসতি দখলে নিয়েছে। তবে ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব ওয়ার (আইএসডব্লিউ) জানায়, তারা ৪ হাজার ৯৫২ বর্গকিলোমিটার এলাকা এবং ২৪৫টি বসতিতে রুশ উপস্থিতির প্রমাণ পেয়েছে।
অন্যদিকে ইউক্রেনের সেনাপ্রধান ওলেক্সান্ডার সিরস্কির দাবি, ইউক্রেনের মোট ৬ লাখ ৩ হাজার ৫৫০ বর্গকিলোমিটার ভূখণ্ডের মাত্র শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ রাশিয়ার দখলে গেছে; কিন্তু এর বিনিময়ে প্রায় ৪ লাখ ২০ হাজার রুশ সেনা নিহত ও আহত হয়েছে।
ইউক্রেনের জেনারেল স্টাফের হিসাব অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরু থেকে রাশিয়ার মোট হতাহতের সংখ্যা ১২ লাখের বেশি। এ ছাড়া প্রায় ১১ হাজার ৫০০টি ট্যাংক, ২৪ হাজার সাঁজোয়া যুদ্ধযান, ৩৭ হাজারের বেশি আর্টিলারি সিস্টেম, ৭৮১টি বিমান এবং ৪ হাজারের বেশি মিসাইল ধ্বংস হয়েছে।
এদিকে গত ২৯ ডিসেম্বর রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ ইউক্রেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেন যে তারা প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বাসভবনে হামলা চালিয়ে তাঁকে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে।
এক বিবৃতিতে ল্যাভরভ বলেন, কিয়েভ ৯১টি দূরপাল্লার ড্রোন ব্যবহার করে নভগোরড অঞ্চলে রুশ প্রেসিডেন্টের রাষ্ট্রীয় বাসভবনে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে। পুতিনের বাড়ি মস্কো থেকে ৮৭ মাইল উত্তর-পূর্বে লেক ভালদাইয়ে অবস্থিত। তবে হামলার সময় পুতিন সেখানে ছিলেন কি না, সে বিষয়ে তিনি কিছু জানাননি।
রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সব কটি ড্রোন ধ্বংস করেছে বলে দাবি করেন ল্যাভরভ।
ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিকা দ্রুত এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি বলেন, ‘রাশিয়া তাদের দাবির সপক্ষে কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ দিতে পারেনি; দেবেও না। কারণ, এমন কোনো হামলার ঘটনা ঘটেনি।’
রাশিয়া বরফের ওপর পড়ে থাকা ড্রোনের ধ্বংসাবশেষের কিছু ছবি প্রকাশ করলেও সেগুলো কখন বা কোথায় ভূপাতিত করা হয়েছে, তার কোনো প্রমাণ মেলেনি। রাশিয়ার বিরোধী সংবাদমাধ্যম সোতার প্রতিবেদনে বলা হয়, ভালদাইয়ের স্থানীয় বাসিন্দারা ওই রাতে কোনো বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থার শব্দ শোনেননি। তারা আরও বলে, অত্যন্ত সুরক্ষিত আকাশসীমা পার হয়ে ৯১টি ড্রোনের পক্ষে পুতিনের বাসভবনে পৌঁছানো প্রায় অসম্ভব।
মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এবং ন্যাটোতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ম্যাথিউ হুইটেকারও এই হামলার বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার এই দাবি বিশ্বাস করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি এটা পছন্দ করছি না। পুতিনের বাড়িতে হামলা করার এটি সঠিক সময় নয়। আমি আজ প্রেসিডেন্ট পুতিনের কাছ থেকেই এটি জেনেছি এবং আমি এতে খুব ক্ষুব্ধ।’

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
২ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১২ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৫ দিন আগে