সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি

সাভারে শিক্ষক উৎপল হত্যাকাণ্ডের পর অভিযুক্তদের বিচারে দাবিতে ৬ দফা দাবি জানিয়ে পৃথক দুইটি মানববন্ধন করা হয়েছে। আশুলিয়ায় আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে মানববন্ধন করে হাজী ইউনুস আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। অন্যদিকে বেলা ১২টার দিকে সাভার উপজেলা শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে মানববন্ধন করে স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ (স্বাশিপ)।
চিত্রশাইল এলাকায় হাজী ইউনুস আলী কলেজের শিক্ষার্থীদের মানববন্ধনে ৬ দফা দাবি তোলা হয়। তাদের দাবিগুলো হলো—২৪-৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
হত্যাকারীর সঙ্গে থাকা অজ্ঞাতনামা আসামিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা, হত্যাকারীর বাবা ও তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের আইনের আওতায় আনা, নিহতের পরিবারকে সর্বোচ্চ আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়া, কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থী ও স্থানীয় শিক্ষার্থীদের ভেদাভেদ নির্মূলে সাধারণ সর্বজনীন আইন প্রণয়ন। এ ছাড়া পুরো এলাকা থেকে কিশোর গ্যাং মুছে দেওয়ার জন্য রাজনৈতিক ব্যক্তিদের বিক্ষোভ মিছিলকে বেগবান করা।
মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলে, ‘আমরা সারা দিন এই কর্মসূচি পালন করব। স্থানীয় অন্যান্য স্কুল এবং কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের কাছে গিয়ে তাদের আমাদের সঙ্গে শামিল করব। যতক্ষণ পর্যন্ত ন্যায়বিচার এবং দাবি পূরণ না হবে, ততক্ষণ আমরা আমাদের কর্মসূচি চালিয়ে যাব।’
অন্যদিকে স্বাশিপের মানববন্ধনে উৎপল কুমারের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার না করা হলে দেশব্যাপী কঠোর কর্মসূচির গ্রহণের ঘোষণা দেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. শাহজাহান আলম সাজু।
প্রতিবাদ সমাবেশে শাহজাহান আলম সাজু বলেন, সাভারে কলেজশিক্ষক উৎপল কুমার সরকার হত্যা, নড়াইলে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে কলেজ অধ্যক্ষ স্বপন সাহাকে নাজেহাল করার ঘটনা বর্বরতার নিকৃষ্ট উদাহরণ। এই বর্বরতা মেনে নেওয়া যায় না। মেনে নেওয়া উচিতও নয়।
সাজু বলেন, এসব নিন্দনীয় ঘটনা বর্তমান সরকারের সকল ভালো অর্জনগুলোকে ধূলিসাৎ করে দিচ্ছে। তিনি দেশের সকল শিক্ষক সমাজকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, শিক্ষকদের অধিকার ও মর্যাদার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার কোনো বিকল্প নেই।
সাভার উপজেলা কিন্ডারগার্টেন ফেডারেশনের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘আমরা চাই সরকার এ হত্যাকাণ্ডের কঠোর ব্যবস্থা নেবে, না হলে আমরা দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলব।’
স্বাশিপ নেতা ও অধর চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রতন পিটার গোমেজ বলেন, ‘বখাটে ওই ছাত্রকে আমরা কুলাঙ্গার হিসেবে আখ্যায়িত করি। তার স্ট্যাম্পের আঘাতে শিক্ষক উৎপলের মৃত্যু হয়েছে। একটা ছেলে বা মেয়ে কোনো দিনও একজন শিক্ষকের গায়ে হাত তুলতে পারে না।’ এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান আলম সাজু প্রমুখ।
নিহত শিক্ষক উৎপল কুমার সরকার সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলার এলংজানি দত্তপাড়া গ্রামের অজিত সরকারের ছেলে। তিনি ২০১৩ সালে আশুলিয়ার চিত্রশাইল এলাকার হাজী ইউনুস আলী কলেজে কলেজ শাখার রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন তিনি।
অভিযুক্ত শিক্ষার্থী ওই বিদ্যালয়টির দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগে অধ্যয়নরত। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির মালিক হাজী হজরত আলীর ভাগনের ছেলে ওই ছাত্র। ঘটনার পর ছাড়া পেয়ে সে পালিয়ে যায়। তার বাসায় গিয়ে বাবা-মাসহ কাউকে পাওয়া যায়নি।
এর আগে গত শনিবার দুপুরে আশুলিয়ার চিত্রশাইল এলাকায় হাজী ইউনুস আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের মাঠে ওই শিক্ষকের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে ক্রিকেটের স্টাম্প দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে একই প্রতিষ্ঠানের দশম শ্রেণির এক ছাত্র। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল সোমবার ভোরে শিক্ষক উৎপল কুমার সরকার মারা যান। রোববার আশুলিয়া থানায় নিহত শিক্ষকের ভাই বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনার পর থেকে এখনো অভিযুক্ত শিক্ষার্থী পলাতক।

সাভারে শিক্ষক উৎপল হত্যাকাণ্ডের পর অভিযুক্তদের বিচারে দাবিতে ৬ দফা দাবি জানিয়ে পৃথক দুইটি মানববন্ধন করা হয়েছে। আশুলিয়ায় আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে মানববন্ধন করে হাজী ইউনুস আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। অন্যদিকে বেলা ১২টার দিকে সাভার উপজেলা শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে মানববন্ধন করে স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ (স্বাশিপ)।
চিত্রশাইল এলাকায় হাজী ইউনুস আলী কলেজের শিক্ষার্থীদের মানববন্ধনে ৬ দফা দাবি তোলা হয়। তাদের দাবিগুলো হলো—২৪-৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
হত্যাকারীর সঙ্গে থাকা অজ্ঞাতনামা আসামিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা, হত্যাকারীর বাবা ও তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের আইনের আওতায় আনা, নিহতের পরিবারকে সর্বোচ্চ আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়া, কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থী ও স্থানীয় শিক্ষার্থীদের ভেদাভেদ নির্মূলে সাধারণ সর্বজনীন আইন প্রণয়ন। এ ছাড়া পুরো এলাকা থেকে কিশোর গ্যাং মুছে দেওয়ার জন্য রাজনৈতিক ব্যক্তিদের বিক্ষোভ মিছিলকে বেগবান করা।
মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলে, ‘আমরা সারা দিন এই কর্মসূচি পালন করব। স্থানীয় অন্যান্য স্কুল এবং কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের কাছে গিয়ে তাদের আমাদের সঙ্গে শামিল করব। যতক্ষণ পর্যন্ত ন্যায়বিচার এবং দাবি পূরণ না হবে, ততক্ষণ আমরা আমাদের কর্মসূচি চালিয়ে যাব।’
অন্যদিকে স্বাশিপের মানববন্ধনে উৎপল কুমারের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার না করা হলে দেশব্যাপী কঠোর কর্মসূচির গ্রহণের ঘোষণা দেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. শাহজাহান আলম সাজু।
প্রতিবাদ সমাবেশে শাহজাহান আলম সাজু বলেন, সাভারে কলেজশিক্ষক উৎপল কুমার সরকার হত্যা, নড়াইলে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে কলেজ অধ্যক্ষ স্বপন সাহাকে নাজেহাল করার ঘটনা বর্বরতার নিকৃষ্ট উদাহরণ। এই বর্বরতা মেনে নেওয়া যায় না। মেনে নেওয়া উচিতও নয়।
সাজু বলেন, এসব নিন্দনীয় ঘটনা বর্তমান সরকারের সকল ভালো অর্জনগুলোকে ধূলিসাৎ করে দিচ্ছে। তিনি দেশের সকল শিক্ষক সমাজকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, শিক্ষকদের অধিকার ও মর্যাদার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার কোনো বিকল্প নেই।
সাভার উপজেলা কিন্ডারগার্টেন ফেডারেশনের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘আমরা চাই সরকার এ হত্যাকাণ্ডের কঠোর ব্যবস্থা নেবে, না হলে আমরা দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলব।’
স্বাশিপ নেতা ও অধর চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রতন পিটার গোমেজ বলেন, ‘বখাটে ওই ছাত্রকে আমরা কুলাঙ্গার হিসেবে আখ্যায়িত করি। তার স্ট্যাম্পের আঘাতে শিক্ষক উৎপলের মৃত্যু হয়েছে। একটা ছেলে বা মেয়ে কোনো দিনও একজন শিক্ষকের গায়ে হাত তুলতে পারে না।’ এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান আলম সাজু প্রমুখ।
নিহত শিক্ষক উৎপল কুমার সরকার সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলার এলংজানি দত্তপাড়া গ্রামের অজিত সরকারের ছেলে। তিনি ২০১৩ সালে আশুলিয়ার চিত্রশাইল এলাকার হাজী ইউনুস আলী কলেজে কলেজ শাখার রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন তিনি।
অভিযুক্ত শিক্ষার্থী ওই বিদ্যালয়টির দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগে অধ্যয়নরত। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির মালিক হাজী হজরত আলীর ভাগনের ছেলে ওই ছাত্র। ঘটনার পর ছাড়া পেয়ে সে পালিয়ে যায়। তার বাসায় গিয়ে বাবা-মাসহ কাউকে পাওয়া যায়নি।
এর আগে গত শনিবার দুপুরে আশুলিয়ার চিত্রশাইল এলাকায় হাজী ইউনুস আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের মাঠে ওই শিক্ষকের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে ক্রিকেটের স্টাম্প দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে একই প্রতিষ্ঠানের দশম শ্রেণির এক ছাত্র। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল সোমবার ভোরে শিক্ষক উৎপল কুমার সরকার মারা যান। রোববার আশুলিয়া থানায় নিহত শিক্ষকের ভাই বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনার পর থেকে এখনো অভিযুক্ত শিক্ষার্থী পলাতক।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৮ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৮ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৯ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২২ দিন আগে