নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় আইনজীবী নাঈম কিবরিয়াকে দুই দফা মারধর করে হত্যা করা হয়। প্রথমে তাঁকে ধাওয়া দিয়ে আটকের পর মারধর করা হয়, পরে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে আরেক দফা মারধর করে রাস্তায় ফেলে দেওয়া হয়। আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) আসামি মো. জোবায়ের হোসেন পাপ্পু (২৯) স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এ তথ্য জানিয়েছেন বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালত তাঁর জবানবন্দি রেকর্ড করেন।
আজ ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুজ্জামানের খাসকামরায় জবানবন্দি দেন আসামি। ভাটারা থানা-পুলিশ আসামি জোবায়েরকে আদালতে হাজির করে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভাটারা থানার পুলিশ পরিদর্শক মেহেদী হাসান তাঁর জবানবন্দি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় লিপিবদ্ধ করার আবেদন করেন। পরে জোবায়ের ম্যাজিস্ট্রেটের খাসকামরায় জবানবন্দি দেন। জবানবন্দি শেষে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে, গতকাল রোববার জোবায়েরকে ঢাকার বারিধারায় অভিযান চালিয়ে আটক করে র্যাব। পরে তাঁকে ভাটারা থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
গত ৩১ ডিসেম্বর রাত ৯টার দিকে আইনজীবী নাঈম কিবরিয়া (৩৫) তাঁর এক আত্মীয়ের ব্যবসায়িক অংশীদার মো. মোতালেব মিয়ার প্রাইভেট কার নিয়ে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ঘুরতে যান। রাত ১০টার দিকে একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে ওই গাড়ির ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে বিতণ্ডা হয়। এ সময় অন্য একটি মোটরসাইকেলে থাকা কয়েকজন বসুন্ধরার আই-ব্লকের ৭ নম্বর সড়কের মাথায় নাঈমকে গাড়ি থেকে জোর করে নামিয়ে মারধর করে রাস্তায় ফেলে রেখে চলে যান। রাত পৌনে ১১টার দিকে নাঈমের আত্মীয় রাকিবুল ইসলাম আই-ব্লকের ১৫ নম্বর সড়কের মাথা থেকে তাঁকে উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নাঈম কিবরিয়ার বাবা ভাটারা থানায় অজ্ঞাতনামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের পূর্ব হাটাবো (নাগদা) এলাকায় রাকিবুলের বাড়িতে গত ১৭ ডিসেম্বর বেড়াতে এসেছিলেন নাঈম।
জবানবন্দি অনুযায়ী, গত ৩১ ডিসেম্বর রাত ১০টার পর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার আই-ব্লকের ১৫ নম্বর রোডে আইনজীবী নাঈম কিবরিয়ার গাড়ির সঙ্গে একটি মোটরসাইকেলের ধাক্কা লাগে। এ সময় জোবায়েরসহ কয়েকজনের সঙ্গে তর্কাতর্কি হয়। একপর্যায়ে নাঈম কিবরিয়া আই-ব্লকের ৭ নম্বর রোডের দিকে যান। এ সময় জোবায়ের ও তাঁর সঙ্গীরা ৭ নম্বর রোডের প্রবেশমুখে তাঁকে ধাওয়া করে আটক করেন। তাঁকে ছয়–সাতজন এলোপাতাড়ি মারধর করেন। সেখান থেকে একটি মোটরসাইকেলে তাঁকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় ১৫ নম্বর রোডের পাশে। সেখানে আরও সাত–আটজন মিলে নাঈমকে আবারও এলোপাতাড়ি মারধর করেন। একপর্যায়ে তাঁকে রাস্তায় ফেলে রেখে মোটরসাইকেল আরোহীরা চলে যান।

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় আইনজীবী নাঈম কিবরিয়াকে দুই দফা মারধর করে হত্যা করা হয়। প্রথমে তাঁকে ধাওয়া দিয়ে আটকের পর মারধর করা হয়, পরে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে আরেক দফা মারধর করে রাস্তায় ফেলে দেওয়া হয়। আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) আসামি মো. জোবায়ের হোসেন পাপ্পু (২৯) স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এ তথ্য জানিয়েছেন বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালত তাঁর জবানবন্দি রেকর্ড করেন।
আজ ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুজ্জামানের খাসকামরায় জবানবন্দি দেন আসামি। ভাটারা থানা-পুলিশ আসামি জোবায়েরকে আদালতে হাজির করে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভাটারা থানার পুলিশ পরিদর্শক মেহেদী হাসান তাঁর জবানবন্দি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় লিপিবদ্ধ করার আবেদন করেন। পরে জোবায়ের ম্যাজিস্ট্রেটের খাসকামরায় জবানবন্দি দেন। জবানবন্দি শেষে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে, গতকাল রোববার জোবায়েরকে ঢাকার বারিধারায় অভিযান চালিয়ে আটক করে র্যাব। পরে তাঁকে ভাটারা থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
গত ৩১ ডিসেম্বর রাত ৯টার দিকে আইনজীবী নাঈম কিবরিয়া (৩৫) তাঁর এক আত্মীয়ের ব্যবসায়িক অংশীদার মো. মোতালেব মিয়ার প্রাইভেট কার নিয়ে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ঘুরতে যান। রাত ১০টার দিকে একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে ওই গাড়ির ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে বিতণ্ডা হয়। এ সময় অন্য একটি মোটরসাইকেলে থাকা কয়েকজন বসুন্ধরার আই-ব্লকের ৭ নম্বর সড়কের মাথায় নাঈমকে গাড়ি থেকে জোর করে নামিয়ে মারধর করে রাস্তায় ফেলে রেখে চলে যান। রাত পৌনে ১১টার দিকে নাঈমের আত্মীয় রাকিবুল ইসলাম আই-ব্লকের ১৫ নম্বর সড়কের মাথা থেকে তাঁকে উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নাঈম কিবরিয়ার বাবা ভাটারা থানায় অজ্ঞাতনামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের পূর্ব হাটাবো (নাগদা) এলাকায় রাকিবুলের বাড়িতে গত ১৭ ডিসেম্বর বেড়াতে এসেছিলেন নাঈম।
জবানবন্দি অনুযায়ী, গত ৩১ ডিসেম্বর রাত ১০টার পর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার আই-ব্লকের ১৫ নম্বর রোডে আইনজীবী নাঈম কিবরিয়ার গাড়ির সঙ্গে একটি মোটরসাইকেলের ধাক্কা লাগে। এ সময় জোবায়েরসহ কয়েকজনের সঙ্গে তর্কাতর্কি হয়। একপর্যায়ে নাঈম কিবরিয়া আই-ব্লকের ৭ নম্বর রোডের দিকে যান। এ সময় জোবায়ের ও তাঁর সঙ্গীরা ৭ নম্বর রোডের প্রবেশমুখে তাঁকে ধাওয়া করে আটক করেন। তাঁকে ছয়–সাতজন এলোপাতাড়ি মারধর করেন। সেখান থেকে একটি মোটরসাইকেলে তাঁকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় ১৫ নম্বর রোডের পাশে। সেখানে আরও সাত–আটজন মিলে নাঈমকে আবারও এলোপাতাড়ি মারধর করেন। একপর্যায়ে তাঁকে রাস্তায় ফেলে রেখে মোটরসাইকেল আরোহীরা চলে যান।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১৪ ঘণ্টা আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১১ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৪ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে গত রোববার বিকেল থেকে সোমবার বিকেল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৬৯৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
১৬ দিন আগে