নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জে কোটা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সহিংসতার ঘটনায় দায়ের করা একটি মামলায় মানসিক ভারসাম্যহীন এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। পরিবারের দাবি, সকালে বাসা থেকে হাঁটতে বেরিয়ে নিখোঁজ হন তিনি। এরপর তাঁর সন্ধানে জিডি, নিখোঁজ সংবাদ প্রকাশ এবং থানায় যোগাযোগ করেন তাঁরা। কিন্তু সন্ধান মেলেনি। ঘটনার আট দিন পর জেলখানায় খোঁজ নিয়ে পাওয়া গেছে সেই ব্যক্তির সন্ধান।
গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম শংকর কুমার সাহা (৫৫)। তিনি নারায়ণগঞ্জ শহরের কিল্লারপুল শীতলক্ষ্যা হাউজিংয়ে পরিবার নিয়ে বসবাস করেন। কয়েক বছর আগে কারখানায় চাকরি করলেও মানসিক সমস্যা দেখা দেওয়ায় তাঁকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। ভবঘুরে জীবন যাপন করতেন তিনি।
গ্রেপ্তার শংকরের ভাগনে শিপলু দাস বলেন, ‘আমার মামা মানসিক ভারসাম্যহীন। গত ২৪ জুলাই ভোরে প্রতিদিনের মতো সকালে হাঁটতে বের হন। এরপর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন। পরদিন সদর মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করার জন্য গেলে আমাদের বলা হয়, এখন কোটা আন্দোলনের ইস্যুতে থানায় ব্যস্ততা আছে, পরে জিডি করেন। এরপর আমরা স্থানীয় ও জাতীয় দৈনিকে নিখোঁজ বিজ্ঞপ্তি দেই। বিভিন্ন স্থানে সন্ধান চেয়ে পোস্টারিং করি। গত মঙ্গলবার আমার মামি অর্চনা রানী দাস বাদী হয়ে (শংকর কুমার দাসের স্ত্রী) থানায় জিডি করেন।’
শিপুল বলেন, ‘গত ১ আগস্ট পরিচিত এক ব্যক্তির পরামর্শে নারায়ণগঞ্জ কারাগারে গিয়ে খোঁজ নিই। সেখানে জানতে পারি সদর থানার বিস্ফোরক মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অথচ থানার পুলিশ আমাদের কিছুই জানাল না! একজন মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি কীভাবে নাশকতার মামলায় আসামি হয়?’
এ বিষয়ে মামলায় আসামিপক্ষের আইনজীবী বিদ্যুৎ কুমার রায় বলেন, ‘শংকর কুমার দাসকে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার একটি বিস্ফোরক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তিনি বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারে বন্দী রয়েছেন।’
জানতে চাইলে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহাদাৎ হোসেন বলেন ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে।’

নারায়ণগঞ্জে কোটা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সহিংসতার ঘটনায় দায়ের করা একটি মামলায় মানসিক ভারসাম্যহীন এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। পরিবারের দাবি, সকালে বাসা থেকে হাঁটতে বেরিয়ে নিখোঁজ হন তিনি। এরপর তাঁর সন্ধানে জিডি, নিখোঁজ সংবাদ প্রকাশ এবং থানায় যোগাযোগ করেন তাঁরা। কিন্তু সন্ধান মেলেনি। ঘটনার আট দিন পর জেলখানায় খোঁজ নিয়ে পাওয়া গেছে সেই ব্যক্তির সন্ধান।
গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম শংকর কুমার সাহা (৫৫)। তিনি নারায়ণগঞ্জ শহরের কিল্লারপুল শীতলক্ষ্যা হাউজিংয়ে পরিবার নিয়ে বসবাস করেন। কয়েক বছর আগে কারখানায় চাকরি করলেও মানসিক সমস্যা দেখা দেওয়ায় তাঁকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। ভবঘুরে জীবন যাপন করতেন তিনি।
গ্রেপ্তার শংকরের ভাগনে শিপলু দাস বলেন, ‘আমার মামা মানসিক ভারসাম্যহীন। গত ২৪ জুলাই ভোরে প্রতিদিনের মতো সকালে হাঁটতে বের হন। এরপর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন। পরদিন সদর মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করার জন্য গেলে আমাদের বলা হয়, এখন কোটা আন্দোলনের ইস্যুতে থানায় ব্যস্ততা আছে, পরে জিডি করেন। এরপর আমরা স্থানীয় ও জাতীয় দৈনিকে নিখোঁজ বিজ্ঞপ্তি দেই। বিভিন্ন স্থানে সন্ধান চেয়ে পোস্টারিং করি। গত মঙ্গলবার আমার মামি অর্চনা রানী দাস বাদী হয়ে (শংকর কুমার দাসের স্ত্রী) থানায় জিডি করেন।’
শিপুল বলেন, ‘গত ১ আগস্ট পরিচিত এক ব্যক্তির পরামর্শে নারায়ণগঞ্জ কারাগারে গিয়ে খোঁজ নিই। সেখানে জানতে পারি সদর থানার বিস্ফোরক মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অথচ থানার পুলিশ আমাদের কিছুই জানাল না! একজন মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি কীভাবে নাশকতার মামলায় আসামি হয়?’
এ বিষয়ে মামলায় আসামিপক্ষের আইনজীবী বিদ্যুৎ কুমার রায় বলেন, ‘শংকর কুমার দাসকে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার একটি বিস্ফোরক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তিনি বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারে বন্দী রয়েছেন।’
জানতে চাইলে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহাদাৎ হোসেন বলেন ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে।’

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৬ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৭ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৭ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২০ দিন আগে