
মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ীতে দুই বছরের শিশুকে অপহরণের পর মুক্তিপণ না পেয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন এলাকাবাসী।
আজ বুধবার সকাল ১০টায় উপজেলার টঙ্গিবাড়ী প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেন তাঁরা। পরে তাঁরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে উপজেলা পরিষদ মাঠে উপস্থিত হন।
এ সময় তাঁদের শান্ত করতে তাৎক্ষণিক সেখানে ছুটে আসেন উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হাজি মো. নাহিদ খান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ রাসেদুজ্জামান ও থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাজিব খান। বিক্ষোভকারীদের ন্যায়বিচার ও সুষ্ঠু তদন্তের আশ্বাস দিলে শান্ত হয়ে বাড়ি ফিরে যান বিক্ষোভকারীরা।
নিহত শিশুর বাবা নূর আলম বলেন, ‘আমার কাছ থেকে অপহরণকারীরা দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ চাইছিল। টাকা দিতে না পারায় তারা আমার মেয়েটাকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে।’
টঙ্গিবাড়ী থানা ওসি মো. রাজিব খান বলেন, ‘আমরা সঠিকভাবে তদন্ত করতেছি। দুজন আসামিকে এরই মধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আবার রিমান্ড আবেদন করেছি।’
উল্লেখ্য, গত ২৮ জানুয়ারি সকালে শিশু ফাতেমা আক্তার নিখোঁজ হয়। পরবর্তী সময় অপহরণের কথা বলে শিশুটির পরিবারের কাছ থেকে দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে দুর্বৃত্তরা। ঘটনাটি থানায় জানানো হলে পুলিশ আলী নূর ও মোক্তার হোসেন নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করে। ১১ ফেব্রুয়ারি সকালে নিখোঁজের ১৫ দিন পর ফাতেমার হাতের কবজি ও পায়ের পাতাবিহীন মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দপ্তরের জাল সিল তৈরির চেষ্টার অভিযোগে মো. আবু তৈয়ব (৪৩) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার শাহবাগ থানা-পুলিশ তাঁকে আটক করে।
১২ দিন আগে
নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন ‘নব্য জেএমবি’র সঙ্গে জড়িত সন্দেহে এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, তার বিরুদ্ধে ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের মাধ্যমে শিয়া মসজিদ, পুলিশের চেকপোস্ট ও ইসকন মন্দিরে হামলার পরিকল্পনা ও উসকানি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তবে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়ায় তাকে ‘শিশু’ হিসেবে আদালতে পাঠানো...
১৬ দিন আগে
রাজধানীর মতিঝিল এলাকা থেকে মানব পাচারকারী চক্রের সঙ্গে জড়িত চার রোহিঙ্গা সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মো. ফেরদৌস, নুরু বিবি (১৯), উম্মে কুলসুম (২০) এবং এক শিশু।
১৬ দিন আগে
অটিজম ও এডিএইচডি আক্রান্ত ছেলে ক্রিস্টান রবার্টসকে একটি সুন্দর জীবন দিতে তিনি নিজের ক্যারিয়ার বিসর্জন দিয়ে কম বেতনের চাকরি নিয়েছিলেন মা অ্যাঞ্জেলা শেলিস, যাতে ছেলেকে বেশি সময় দিতে পারেন।
২৪ দিন আগে