পাংশা (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায় আব্দুল নামে ৬ মাস বয়সী এক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে পারিবারিক কলহের কারণে শিশুটিকে গলা টিপে হত্যা করেছে তার মা। তবে পুলিশ বলছে এটি হত্যা না স্বাভাবিক মৃত্যু তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
গতকাল সোমবার বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের ডাঙ্গীপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত মিম ওই গ্রামের আল আমিনের স্ত্রী।
জানা গেছে, গত দুই বছর আগে আল আমিনের সঙ্গে মিমের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তাঁদের মধ্যে ঝগড়া লেগেই ছিল। কিছুদিন আগে বাবার বাড়ি গিয়ে আল আমিনের বিরুদ্ধে কুষ্টিয়া আদালতে একটি যৌতুক মামলা করেন মিম। পরে আদালতের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা হলে স্বামীর বাড়িতে ফিরে আসেন তিনি। ফিরে আসার পরেও তিনবার স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া করে বাবার বাড়ি চলে যায়। পরবর্তীতে আবারও ফিরে এসে সংসার করতে থাকে।
নিহত শিশুর দাদা হাবিবুর প্রামাণিক বলেন, সকালে বাড়ির সবাই বাহাদুরপুর চরে আখ ক্ষেতে কাজ করতে যাই। বিকেল তিনটার দিকে খবর পাই আমার নাতি আব্দুল মারা গেছে। সকালে আমার নাতিকে সুস্থদেখে গেছি। আমার ছেলের বৌয়েই নাতিকে হত্যা করেছে।
আব্দুলের বাবা আল আমিন বলেন, আমার স্ত্রী বিভিন্ন সময় আমাকে এবং আমার ছেলেকে দেখে নেবে বলে হুমকি দিতো। সেই বোধহয় আমার ছেলেকে হত্যা করেছে। অভিযুক্ত মিম ঘটনার পর থেকে অসুস্থ থাকায় তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ ঘটনায় সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (পাংশা সার্কেল) সুমন কুমার সাহা ও পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (পাংশা সার্কেল) সুমন কুমার সাহা আজকের পত্রিকাকে বলেন, `এটি হত্যা না স্বাভাবিক মৃত্যু তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। নিহতের বাবা-মা ও দাদা-দাদীকে জিজ্ঞাস্বাবাদ করা হবে। তাদের বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থ গ্রহণ করা হবে।'

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায় আব্দুল নামে ৬ মাস বয়সী এক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে পারিবারিক কলহের কারণে শিশুটিকে গলা টিপে হত্যা করেছে তার মা। তবে পুলিশ বলছে এটি হত্যা না স্বাভাবিক মৃত্যু তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
গতকাল সোমবার বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের ডাঙ্গীপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত মিম ওই গ্রামের আল আমিনের স্ত্রী।
জানা গেছে, গত দুই বছর আগে আল আমিনের সঙ্গে মিমের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তাঁদের মধ্যে ঝগড়া লেগেই ছিল। কিছুদিন আগে বাবার বাড়ি গিয়ে আল আমিনের বিরুদ্ধে কুষ্টিয়া আদালতে একটি যৌতুক মামলা করেন মিম। পরে আদালতের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা হলে স্বামীর বাড়িতে ফিরে আসেন তিনি। ফিরে আসার পরেও তিনবার স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া করে বাবার বাড়ি চলে যায়। পরবর্তীতে আবারও ফিরে এসে সংসার করতে থাকে।
নিহত শিশুর দাদা হাবিবুর প্রামাণিক বলেন, সকালে বাড়ির সবাই বাহাদুরপুর চরে আখ ক্ষেতে কাজ করতে যাই। বিকেল তিনটার দিকে খবর পাই আমার নাতি আব্দুল মারা গেছে। সকালে আমার নাতিকে সুস্থদেখে গেছি। আমার ছেলের বৌয়েই নাতিকে হত্যা করেছে।
আব্দুলের বাবা আল আমিন বলেন, আমার স্ত্রী বিভিন্ন সময় আমাকে এবং আমার ছেলেকে দেখে নেবে বলে হুমকি দিতো। সেই বোধহয় আমার ছেলেকে হত্যা করেছে। অভিযুক্ত মিম ঘটনার পর থেকে অসুস্থ থাকায় তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ ঘটনায় সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (পাংশা সার্কেল) সুমন কুমার সাহা ও পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (পাংশা সার্কেল) সুমন কুমার সাহা আজকের পত্রিকাকে বলেন, `এটি হত্যা না স্বাভাবিক মৃত্যু তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। নিহতের বাবা-মা ও দাদা-দাদীকে জিজ্ঞাস্বাবাদ করা হবে। তাদের বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থ গ্রহণ করা হবে।'

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৯ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৯ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২০ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৩ দিন আগে