রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর দয়াগঞ্জে মাদকদ্রব্য হেরোইন দখলে রাখার দায়ে দুজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ মঈন উদ্দীন চৌধুরী এ মামলার রায় দেন।
দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত দুজন হলেন মো. ইমরান ও মো. রবিন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার অপর আসামি এক নারীকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামিকে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে। জরিমানা দিতে ব্যর্থ হলে তাঁদের আরও তিন মাস কারাভোগ করতে হবে বলে রায়ে বলা হয়েছে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি জহিরুল ইসলাম (কাইয়ুম) জানান, রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১৯ সালের ২৩ জানুয়ারি রাত ১০টার দিকে পুলিশ দয়াগঞ্জে হেরোইন বিক্রির তথ্য পেয়ে অভিযান চালিয়ে ইমরান ও রবিনকে আটক করে। অপর দুই নারী মাদক কারবারি পালিয়ে যান। ইমরান ও রবিনের দেহ তল্লাশি করে ১১৮ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় ওই দিনই যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক বিল্লাল হোসেন জনি ওই দুজন ও পালিয়ে যাওয়া দুই নারীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন। তদন্ত শেষে একই বছরের ২৩ এপ্রিল ইমরান, রবিন ও পালিয়ে যাওয়া এক নারীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। অপর নারীর বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় তাঁকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দপ্তরের জাল সিল তৈরির চেষ্টার অভিযোগে মো. আবু তৈয়ব (৪৩) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার শাহবাগ থানা-পুলিশ তাঁকে আটক করে।
৬ দিন আগে
নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন ‘নব্য জেএমবি’র সঙ্গে জড়িত সন্দেহে এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, তার বিরুদ্ধে ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের মাধ্যমে শিয়া মসজিদ, পুলিশের চেকপোস্ট ও ইসকন মন্দিরে হামলার পরিকল্পনা ও উসকানি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তবে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়ায় তাকে ‘শিশু’ হিসেবে আদালতে পাঠানো...
১০ দিন আগে
রাজধানীর মতিঝিল এলাকা থেকে মানব পাচারকারী চক্রের সঙ্গে জড়িত চার রোহিঙ্গা সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মো. ফেরদৌস, নুরু বিবি (১৯), উম্মে কুলসুম (২০) এবং এক শিশু।
১০ দিন আগে
অটিজম ও এডিএইচডি আক্রান্ত ছেলে ক্রিস্টান রবার্টসকে একটি সুন্দর জীবন দিতে তিনি নিজের ক্যারিয়ার বিসর্জন দিয়ে কম বেতনের চাকরি নিয়েছিলেন মা অ্যাঞ্জেলা শেলিস, যাতে ছেলেকে বেশি সময় দিতে পারেন।
১৮ দিন আগে