নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ট্রেড ইউনিয়নের নামে হয়রানি, খাদ্য মূল্যস্ফীতি, ওয়ান স্টপ সার্ভিসের অভাব ও নিয়মবহির্ভূত স্ট্রিট ফুডের বিস্তারে দেশের রেস্তোরাঁ খাত আগে থেকেই সংকটে ছিল। নতুন করে যোগ হয়েছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) চরম সংকট। বাড়তি দাম দিয়েও সময়মতো মিলছে না এলপিজি। এতে অনেক রেস্তোরাঁই বন্ধের পথে রয়েছে। তাই এলপিজিসহ এই পাঁচ সমস্যার দ্রুত সমাধান চান রেস্তোরাঁর মালিকেরা।
সমস্যার দ্রুত সমাধান না হলে সব রেস্তোরাঁ বন্ধের মতো কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি। উদ্যোক্তারা বলছেন, দেশে এলপিজি গ্যাসের সংকট নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেনি অন্তর্বর্তী সরকার।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির নেতারা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সভাপতি মো. ওসমান গনি, মহাসচিব ইমরান হাসান ও সাংগঠনিক সম্পাদক তৌফিকুল ইসলামসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতা।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিগত সরকারের আমলে কৃত্রিমভাবে প্রাকৃতিক গ্যাসের সংকটের কথা বলে রেস্তোরাঁ খাতে এলপি গ্যাস সংযোগ বন্ধ করা হতো। সেই সঙ্গে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ও আমলার যোগসাজশে আমদানি করা এলপিজির ব্যবসা বেসরকারি সিন্ডিকেটের হাতে তুলে দেওয়া হয়। সেই সিন্ডিকেট বর্তমানে পুরো বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। এ ছাড়া এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রির কিছু সিন্ডিকেট তৈরি হয়েছে। তারা বাড়তি দামে সিলিন্ডার বিক্রি করছে। ফলে অতিরিক্ত দামে এলপি গ্যাস কিনে রান্না করতে গিয়ে রেস্তোরাঁগুলোর ব্যয় বেড়ে গেছে। ফলে খাবারের দাম বাড়াতে বাধ্য হচ্ছেন রেস্তোরাঁর মালিকেরা।
বক্তারা বলেন, এই খাতে কর্মরত ৩০ লাখ কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দুই কোটি মানুষ জড়িত। অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশে কমপক্ষে ৩০ শতাংশ লোক খাওয়াদাওয়ার বিষয়ে রেস্তোরাঁর ওপর নির্ভর করবে।
রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির মহাসচিব ইমরান হাসান বলেন, দেশে মূল্যস্ফীতি কমলেও বাজারে তার প্রতিফলন নেই। বিগত সরকারের আমল থেকে দেশের মূল্যস্ফীতি ঊর্ধ্বমুখী। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর কিছুটা কমলেও ডিসেম্বর মাসে মূল্যস্ফীতি আবারও কিছুটা বেড়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে রেস্তোরাঁ ব্যবসার খরচ প্রতিনিয়ত বাড়ছে। তবে কর্মজীবী ও স্বল্প-মধ্যম আয়ের মানুষ রেস্তোরাঁ-নির্ভর হওয়ায় খাবারের দাম বাড়াতে পারছেন না রেস্তোরাঁর মালিকেরা। ফলে অনেক রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ী লোকসানে পড়ছেন। আগামী নির্বাচনে যে দলই ক্ষমতায় আসুক, তাদের ইশতেহারে দ্রব্যমূল্য কমানোর সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা থাকতে হবে।
সমিতির মহাসচিব আরও বলেন, রেস্তোরাঁ ব্যবসা টিকিয়ে রাখা না গেলে সমাজে অস্থিরতা তৈরি হবে। এই খাতে নীরব চাঁদাবাজি চলছে। এর প্রভাব পড়ছে খাবারের দামের ওপর। এ ছাড়া বড় বড় করপোরেট ব্যবসায়ী রেস্তোরাঁ ব্যবসায় নামার পরিকল্পনা করছে। তারা এই খাতকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে।
অন্যদিকে দেশের ৭০ শতাংশ স্ট্রিট ফুডের দোকান অনিবন্ধিত। বেশির ভাগ ব্যবসায়ী নিয়ম-নীতি না মেনে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার বিক্রি করছেন। এসব দোকান থেকে সরকারও রাজস্ব হারাচ্ছে। তাই তাদের বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।
ইমরান হাসান আরও বলেন, দেশে এখন লুটেরা, সাম্রাজ্যবাদীরা এলপিজি গ্যাসের ব্যবসা করছে। তারা কৃত্রিম সংকট তৈরি করে গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে। বেশির ভাগ রেস্তোরাঁ গ্যাস পাচ্ছে না। যারা কিনছে, তারা ১ হাজার ৩০০ টাকার সিলিন্ডারে তিন হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ করছেন। এ অবস্থায় পেট্রোবাংলা ঠুঁটো জগন্নাথ হয়ে বসে রয়েছে। এ ছাড়া সরকারের কোনো উপদেষ্টা এ নিয়ে কথা বলছেন না। কোনো কার্যক্রম নেই। শুধু ভোক্তা-অধিকার অধিদপ্তর লোক দেখানো কিছু জরিমানা করছে। তাতে আরও হিতে বিপরীত হয়েছে।
ইমরান হাসান বলেন, জুলাই বিপ্লবে দেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে দেশের মানুষ ও ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা ছিল অনেক। বিগত দিনের অন্যায়, অত্যাচার, জুলুম থেকে মুক্তি মিলবে বলে প্রত্যাশা ছিল সবার। কিন্তু বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের এক বছরের বেশি সময় অতিবাহিত হওয়ার পরও বিগত দিনের প্রতিবন্ধকতা দিন দিন বাড়ছে। এ ছাড়া বর্তমান বাজারে নিয়ন্ত্রণহীনভাবে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সাধারণ ভোক্তার ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। এর সরাসরি ও মারাত্মক প্রভাব পড়ছে রেস্তোরাঁ খাতে। এসব কারণে খাতটি আজ এক গভীর সংকটময় সময় অতিক্রম করছে।
ইমরান হাসান অভিযোগ করে বলেন, কিছু কর্মচারী ও বহিরাগত ব্যক্তি শ্রমিক সংগঠনের পরিচয় দিয়ে হুমকি-ধমকি ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে অনৈতিক সুবিধা আদায় করছেন। এসব দাবিতে অপারগতা প্রকাশ করলে অনেক ক্ষেত্রে মালিকদের ওপর শারীরিক হামলা ও মারধরের ঘটনাও ঘটছে।

ট্রেড ইউনিয়নের নামে হয়রানি, খাদ্য মূল্যস্ফীতি, ওয়ান স্টপ সার্ভিসের অভাব ও নিয়মবহির্ভূত স্ট্রিট ফুডের বিস্তারে দেশের রেস্তোরাঁ খাত আগে থেকেই সংকটে ছিল। নতুন করে যোগ হয়েছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) চরম সংকট। বাড়তি দাম দিয়েও সময়মতো মিলছে না এলপিজি। এতে অনেক রেস্তোরাঁই বন্ধের পথে রয়েছে। তাই এলপিজিসহ এই পাঁচ সমস্যার দ্রুত সমাধান চান রেস্তোরাঁর মালিকেরা।
সমস্যার দ্রুত সমাধান না হলে সব রেস্তোরাঁ বন্ধের মতো কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি। উদ্যোক্তারা বলছেন, দেশে এলপিজি গ্যাসের সংকট নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেনি অন্তর্বর্তী সরকার।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির নেতারা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সভাপতি মো. ওসমান গনি, মহাসচিব ইমরান হাসান ও সাংগঠনিক সম্পাদক তৌফিকুল ইসলামসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতা।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিগত সরকারের আমলে কৃত্রিমভাবে প্রাকৃতিক গ্যাসের সংকটের কথা বলে রেস্তোরাঁ খাতে এলপি গ্যাস সংযোগ বন্ধ করা হতো। সেই সঙ্গে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ও আমলার যোগসাজশে আমদানি করা এলপিজির ব্যবসা বেসরকারি সিন্ডিকেটের হাতে তুলে দেওয়া হয়। সেই সিন্ডিকেট বর্তমানে পুরো বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। এ ছাড়া এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রির কিছু সিন্ডিকেট তৈরি হয়েছে। তারা বাড়তি দামে সিলিন্ডার বিক্রি করছে। ফলে অতিরিক্ত দামে এলপি গ্যাস কিনে রান্না করতে গিয়ে রেস্তোরাঁগুলোর ব্যয় বেড়ে গেছে। ফলে খাবারের দাম বাড়াতে বাধ্য হচ্ছেন রেস্তোরাঁর মালিকেরা।
বক্তারা বলেন, এই খাতে কর্মরত ৩০ লাখ কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দুই কোটি মানুষ জড়িত। অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশে কমপক্ষে ৩০ শতাংশ লোক খাওয়াদাওয়ার বিষয়ে রেস্তোরাঁর ওপর নির্ভর করবে।
রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির মহাসচিব ইমরান হাসান বলেন, দেশে মূল্যস্ফীতি কমলেও বাজারে তার প্রতিফলন নেই। বিগত সরকারের আমল থেকে দেশের মূল্যস্ফীতি ঊর্ধ্বমুখী। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর কিছুটা কমলেও ডিসেম্বর মাসে মূল্যস্ফীতি আবারও কিছুটা বেড়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে রেস্তোরাঁ ব্যবসার খরচ প্রতিনিয়ত বাড়ছে। তবে কর্মজীবী ও স্বল্প-মধ্যম আয়ের মানুষ রেস্তোরাঁ-নির্ভর হওয়ায় খাবারের দাম বাড়াতে পারছেন না রেস্তোরাঁর মালিকেরা। ফলে অনেক রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ী লোকসানে পড়ছেন। আগামী নির্বাচনে যে দলই ক্ষমতায় আসুক, তাদের ইশতেহারে দ্রব্যমূল্য কমানোর সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা থাকতে হবে।
সমিতির মহাসচিব আরও বলেন, রেস্তোরাঁ ব্যবসা টিকিয়ে রাখা না গেলে সমাজে অস্থিরতা তৈরি হবে। এই খাতে নীরব চাঁদাবাজি চলছে। এর প্রভাব পড়ছে খাবারের দামের ওপর। এ ছাড়া বড় বড় করপোরেট ব্যবসায়ী রেস্তোরাঁ ব্যবসায় নামার পরিকল্পনা করছে। তারা এই খাতকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে।
অন্যদিকে দেশের ৭০ শতাংশ স্ট্রিট ফুডের দোকান অনিবন্ধিত। বেশির ভাগ ব্যবসায়ী নিয়ম-নীতি না মেনে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার বিক্রি করছেন। এসব দোকান থেকে সরকারও রাজস্ব হারাচ্ছে। তাই তাদের বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।
ইমরান হাসান আরও বলেন, দেশে এখন লুটেরা, সাম্রাজ্যবাদীরা এলপিজি গ্যাসের ব্যবসা করছে। তারা কৃত্রিম সংকট তৈরি করে গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে। বেশির ভাগ রেস্তোরাঁ গ্যাস পাচ্ছে না। যারা কিনছে, তারা ১ হাজার ৩০০ টাকার সিলিন্ডারে তিন হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ করছেন। এ অবস্থায় পেট্রোবাংলা ঠুঁটো জগন্নাথ হয়ে বসে রয়েছে। এ ছাড়া সরকারের কোনো উপদেষ্টা এ নিয়ে কথা বলছেন না। কোনো কার্যক্রম নেই। শুধু ভোক্তা-অধিকার অধিদপ্তর লোক দেখানো কিছু জরিমানা করছে। তাতে আরও হিতে বিপরীত হয়েছে।
ইমরান হাসান বলেন, জুলাই বিপ্লবে দেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে দেশের মানুষ ও ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা ছিল অনেক। বিগত দিনের অন্যায়, অত্যাচার, জুলুম থেকে মুক্তি মিলবে বলে প্রত্যাশা ছিল সবার। কিন্তু বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের এক বছরের বেশি সময় অতিবাহিত হওয়ার পরও বিগত দিনের প্রতিবন্ধকতা দিন দিন বাড়ছে। এ ছাড়া বর্তমান বাজারে নিয়ন্ত্রণহীনভাবে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সাধারণ ভোক্তার ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। এর সরাসরি ও মারাত্মক প্রভাব পড়ছে রেস্তোরাঁ খাতে। এসব কারণে খাতটি আজ এক গভীর সংকটময় সময় অতিক্রম করছে।
ইমরান হাসান অভিযোগ করে বলেন, কিছু কর্মচারী ও বহিরাগত ব্যক্তি শ্রমিক সংগঠনের পরিচয় দিয়ে হুমকি-ধমকি ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে অনৈতিক সুবিধা আদায় করছেন। এসব দাবিতে অপারগতা প্রকাশ করলে অনেক ক্ষেত্রে মালিকদের ওপর শারীরিক হামলা ও মারধরের ঘটনাও ঘটছে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৬ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৭ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৭ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২০ দিন আগে