নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের মামলায় যুক্তিতর্ক শুনানিতে চাকরিচ্যুত পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানকে নির্দোষ দাবি করেছেন তাঁর আইনজীবী। আজ বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এ মিজানের পক্ষে যুক্তিতর্ক শুনানি করেন অ্যাডভোকেট এহসানুল হক সমাজী।
সমাজী আদালতকে বলেন, সাবেক ডিআইজি মিজানুর রহমানের অর্জিত সব সম্পত্তি বৈধ উপার্জনের সম্পত্তি। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ সাক্ষীরা প্রমাণ করতে সক্ষম হননি। তাই তিনি খালাস পাওয়ার যোগ্য।
এই মামলায় আজ আসামি ডিআইজি মিজানকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। তাঁর ছোট ভাই মাহবুবুর রহমান ও ভাগনে মাহমুদুল হাসান আদালতে হাজির ছিলেন। ডিআইজি মিজানের স্ত্রী সোহেলিয়া আনার রত্না পলাতক রয়েছেন।
মিজানের যুক্তিতর্ক শেষ হওয়ার পর বিচারক মঞ্জুরুল ইমাম অপর দুজনের যুক্তিতর্ক শুনানির জন্য আগামী ৫ জুন দিন ধার্য করেন।
এর আগে ২৪ মে চারজনের শাস্তি দাবি করে রাষ্ট্রপক্ষে যুক্তিতর্ক শেষ করা হয়। আজ বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এ আসামি পক্ষে যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ করেন তাঁর আইনজীবী।
ওই দিন শুনানিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পিপি মোশারফ হোসেন কাজল আদালতকে বলেন, রাষ্ট্রপক্ষ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণে সক্ষম হয়েছে। এ কারণে তাঁদের শাস্তি প্রাপ্য।
২০২০ সালের ২০ অক্টোবর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। ওই বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে মিজানের স্ত্রী ও ভাইয়ের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। এর আগে ওই বছর ৩০ জানুয়ারি দুদক পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদ এ মামলার চার্জশিট দাখিল করেন।
২০১৯ সালের ২৪ জুন দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে (ঢাকা-১) দুদকের পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদ বাদী হয়ে ডিআইজি মিজানসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। আসামিদের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ২৮ লাখ ৬৮ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ৩ কোটি ৭ লাখ ৫ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়।
ঘুষ লেনদেনের এক মামলায় মিজানুর রহমানকে গত বছর তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের মামলায় যুক্তিতর্ক শুনানিতে চাকরিচ্যুত পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানকে নির্দোষ দাবি করেছেন তাঁর আইনজীবী। আজ বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এ মিজানের পক্ষে যুক্তিতর্ক শুনানি করেন অ্যাডভোকেট এহসানুল হক সমাজী।
সমাজী আদালতকে বলেন, সাবেক ডিআইজি মিজানুর রহমানের অর্জিত সব সম্পত্তি বৈধ উপার্জনের সম্পত্তি। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ সাক্ষীরা প্রমাণ করতে সক্ষম হননি। তাই তিনি খালাস পাওয়ার যোগ্য।
এই মামলায় আজ আসামি ডিআইজি মিজানকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। তাঁর ছোট ভাই মাহবুবুর রহমান ও ভাগনে মাহমুদুল হাসান আদালতে হাজির ছিলেন। ডিআইজি মিজানের স্ত্রী সোহেলিয়া আনার রত্না পলাতক রয়েছেন।
মিজানের যুক্তিতর্ক শেষ হওয়ার পর বিচারক মঞ্জুরুল ইমাম অপর দুজনের যুক্তিতর্ক শুনানির জন্য আগামী ৫ জুন দিন ধার্য করেন।
এর আগে ২৪ মে চারজনের শাস্তি দাবি করে রাষ্ট্রপক্ষে যুক্তিতর্ক শেষ করা হয়। আজ বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এ আসামি পক্ষে যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ করেন তাঁর আইনজীবী।
ওই দিন শুনানিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পিপি মোশারফ হোসেন কাজল আদালতকে বলেন, রাষ্ট্রপক্ষ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণে সক্ষম হয়েছে। এ কারণে তাঁদের শাস্তি প্রাপ্য।
২০২০ সালের ২০ অক্টোবর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। ওই বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে মিজানের স্ত্রী ও ভাইয়ের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। এর আগে ওই বছর ৩০ জানুয়ারি দুদক পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদ এ মামলার চার্জশিট দাখিল করেন।
২০১৯ সালের ২৪ জুন দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে (ঢাকা-১) দুদকের পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদ বাদী হয়ে ডিআইজি মিজানসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। আসামিদের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ২৮ লাখ ৬৮ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ৩ কোটি ৭ লাখ ৫ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়।
ঘুষ লেনদেনের এক মামলায় মিজানুর রহমানকে গত বছর তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৫ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৬ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৬ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৯ দিন আগে