সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি

সাভারে শিক্ষক উৎপল কুমারকে হামলার পঞ্চম দিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার (এসপি)। এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়েন তিনি।
আজ বুধবার দুপুরে সাভারের আশুলিয়ার চিত্রশাইলে হাজী ইউনুছ আলী কলেজে ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলাপ করেন এসপি মারুফ হোসেন সরদার। আলাপ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়েন তিনি।
পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন সরদার বলেন, এটা ৫ দিনের ঘটনা না। শিক্ষক মারা যাওয়ার ঘটনা ৩ দিনের। ঘটনার সঙ্গে সঙ্গেই তো পুলিশকে জানানো হয়নি। ঘটনা ঘটেছে দুপুরে পুলিশকে জানানো হয়েছে ওই দিন রাতে। এর আগে আমাদের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও আশুলিয়া থানার ওসি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
এসপি আরও বলেন, এখানে এসেছি শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলতে। স্কুলের স্বাভাবিক কার্যক্রম যাতে কোনোভাবেই বন্ধ না হয়। এ বিষয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়। এই ঘটনার কী কারণ ছিল, কী বিষয় ছিল, সরেজমিনে তদন্ত করে দেখার জন্য আসা হয়েছে।
মামলার আলামত ৩ দিন পরে জব্দ করা ও মামলা আসামি জিতুর বয়স কেন কম দেখানো হলো, এমন প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার বলেন, ‘বয়সের ক্ষেত্রে প্রয়োজনে ডাক্তারি পরীক্ষা করা হবে। মামলায় কোনো ধীর গতি নেই। পুলিশের কার্যক্রম শুরু থেকেই চলছে। আমাদের একাধিক টিম মানিকগঞ্জ ও কুষ্টিয়াসহ অভিযান পরিচালনা করছে। এরই মধ্যে মূল আসামি জিতুর বাবাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত শনিবার (২৫ জুন) দুপুরে আশুলিয়ার চিত্রশাইল এলাকায় হাজী ইউনুস আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের মাঠে শিক্ষক উৎপল কুমার সরকারের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে ক্রিকেটের স্টাম্প দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে একই প্রতিষ্ঠানের দশম শ্রেণির ছাত্র আশরাফুল ইসলাম জিতু। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল সোমবার ভোরে শিক্ষক উৎপল কুমার মারা যান। ঘটনার পর থেকে জিতু পলাতক রয়েছেন।

সাভারে শিক্ষক উৎপল কুমারকে হামলার পঞ্চম দিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার (এসপি)। এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়েন তিনি।
আজ বুধবার দুপুরে সাভারের আশুলিয়ার চিত্রশাইলে হাজী ইউনুছ আলী কলেজে ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলাপ করেন এসপি মারুফ হোসেন সরদার। আলাপ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়েন তিনি।
পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন সরদার বলেন, এটা ৫ দিনের ঘটনা না। শিক্ষক মারা যাওয়ার ঘটনা ৩ দিনের। ঘটনার সঙ্গে সঙ্গেই তো পুলিশকে জানানো হয়নি। ঘটনা ঘটেছে দুপুরে পুলিশকে জানানো হয়েছে ওই দিন রাতে। এর আগে আমাদের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও আশুলিয়া থানার ওসি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
এসপি আরও বলেন, এখানে এসেছি শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলতে। স্কুলের স্বাভাবিক কার্যক্রম যাতে কোনোভাবেই বন্ধ না হয়। এ বিষয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়। এই ঘটনার কী কারণ ছিল, কী বিষয় ছিল, সরেজমিনে তদন্ত করে দেখার জন্য আসা হয়েছে।
মামলার আলামত ৩ দিন পরে জব্দ করা ও মামলা আসামি জিতুর বয়স কেন কম দেখানো হলো, এমন প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার বলেন, ‘বয়সের ক্ষেত্রে প্রয়োজনে ডাক্তারি পরীক্ষা করা হবে। মামলায় কোনো ধীর গতি নেই। পুলিশের কার্যক্রম শুরু থেকেই চলছে। আমাদের একাধিক টিম মানিকগঞ্জ ও কুষ্টিয়াসহ অভিযান পরিচালনা করছে। এরই মধ্যে মূল আসামি জিতুর বাবাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত শনিবার (২৫ জুন) দুপুরে আশুলিয়ার চিত্রশাইল এলাকায় হাজী ইউনুস আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের মাঠে শিক্ষক উৎপল কুমার সরকারের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে ক্রিকেটের স্টাম্প দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে একই প্রতিষ্ঠানের দশম শ্রেণির ছাত্র আশরাফুল ইসলাম জিতু। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল সোমবার ভোরে শিক্ষক উৎপল কুমার মারা যান। ঘটনার পর থেকে জিতু পলাতক রয়েছেন।

রাজধানী ঢাকায় কোনো ‘হাইপ্রোফাইল’ (উঁচু স্তরের) কেউ খুন হলে বা অন্য কোনো আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে প্রায়ই পুলিশের ভাষ্যে উঠে আসে বিদেশে অবস্থানরত সন্ত্রাসী কিংবা ‘গডফাদারের’ নাম। দেশের বাইরে থাকা ব্যক্তিদের ওপর দায় চাপানোর কারণে অনেক ক্ষেত্রে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত
৬ ঘণ্টা আগে
বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১২ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১৩ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২৩ দিন আগে