নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আদালত থেকে ছিনিয়ে নেওয়া জঙ্গিরা এখনো দেশেই আছেন। তবে সিফাত ও সোহেল আলাদা জায়গায় অবস্থান করছেন। সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাঁরা পৃথক স্থানে অবস্থান করছেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের প্রধান মো. আসাদুজ্জামান।
আসাদুজ্জামান বলেন, ‘পলাতক দুই জঙ্গি দেশেই রয়েছে, তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’
জঙ্গি ছিনতাইয়ের মূল সমন্বয়কারী ও ছিনিয়ে নেওয়া এক জঙ্গির স্ত্রী ফাতিহা তাসনীম শিখা এবং ছিনিয়ে নেওয়া জঙ্গিদের আশ্রয়দাতা হুসনা আক্তারকে গতকাল শুক্রবার রাতে নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে সিটিটিসি। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে আজ দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশের বিশেষায়িত এই ইউনিটের প্রধান।
ছয় মাসের নিখুঁত পরিকল্পনায় আদালত প্রাঙ্গণ থেকে পুলিশের ওপর হামলা করে ছিনিয়ে নেওয়া হয় জঙ্গি মইনুল হাসান শামিম ওরফে সিফাত এবং মো. আবু সিদ্দিক সোহেলকে। এই ছিনতাই মিশনের মূল সমন্বয়কারীর কাজ করেছেন ফাতিহা তাসনিম শিখা। এমন দাবি পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মো. আসাদুজ্জামানের।
আসাদুজ্জামান আরও বলেন, ‘নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন “আনসার আল ইসলামের” শীর্ষ নেতৃবৃন্দের পরিকল্পনা ও নির্দেশনা মোতাবেক গত বছর নভেম্বরে আদালতের কার্যক্রম শেষে পুলিশের ওপর আক্রমণ করে জঙ্গি ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করা হয়। শিখা (৩১) এই কার্যক্রমে প্রত্যক্ষভাবে অংশ নেন। পরিচয় গোপন করে সংগঠনের সদস্যরা জঙ্গি ছিনতাইয়ের পুরো পরিকল্পনা, প্রস্তুতি ও সমন্বয় করার উদ্দেশ্যে ঢাকা এবং এর পার্শ্ববর্তী জেলায় একাধিক আনসার হাউস ভাড়া নেন। সেখানে আনসার আল ইসলামের শীর্ষ এবং সামরিক শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা আয়মান, শিখাসহ অনেকেই অন্য সদস্যদের নিয়ে নিয়মিত বৈঠক করতেন।’
গ্রেপ্তার দুজনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে সিটিটিসির প্রধান বলেন, ‘ঘটনার প্রায় ছয় মাস আগে থেকে জঙ্গি ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করা হয়। কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সিজেএম) আদালতে হাজিরা দেওয়ার সময় এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত হয়। পরিকল্পনার সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয় শিখাকে। ঘটনার দিন তিনি সিজেএম কোর্ট এলাকায় এসে কৌশলে তাঁর বাবার কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ছিনতাইয়ের ঘটনায় নেতৃত্ব দেওয়া মশিউর রহমান আরমানসহ আনসার আল ইসলামের অন্য সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুরো পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন।’
ছিনিয়ে নেওয়া দুই জঙ্গিকে দ্রুতই গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সিটিটিসির প্রধান মো. আসাদুজ্জামান।

আদালত থেকে ছিনিয়ে নেওয়া জঙ্গিরা এখনো দেশেই আছেন। তবে সিফাত ও সোহেল আলাদা জায়গায় অবস্থান করছেন। সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাঁরা পৃথক স্থানে অবস্থান করছেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের প্রধান মো. আসাদুজ্জামান।
আসাদুজ্জামান বলেন, ‘পলাতক দুই জঙ্গি দেশেই রয়েছে, তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’
জঙ্গি ছিনতাইয়ের মূল সমন্বয়কারী ও ছিনিয়ে নেওয়া এক জঙ্গির স্ত্রী ফাতিহা তাসনীম শিখা এবং ছিনিয়ে নেওয়া জঙ্গিদের আশ্রয়দাতা হুসনা আক্তারকে গতকাল শুক্রবার রাতে নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে সিটিটিসি। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে আজ দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশের বিশেষায়িত এই ইউনিটের প্রধান।
ছয় মাসের নিখুঁত পরিকল্পনায় আদালত প্রাঙ্গণ থেকে পুলিশের ওপর হামলা করে ছিনিয়ে নেওয়া হয় জঙ্গি মইনুল হাসান শামিম ওরফে সিফাত এবং মো. আবু সিদ্দিক সোহেলকে। এই ছিনতাই মিশনের মূল সমন্বয়কারীর কাজ করেছেন ফাতিহা তাসনিম শিখা। এমন দাবি পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মো. আসাদুজ্জামানের।
আসাদুজ্জামান আরও বলেন, ‘নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন “আনসার আল ইসলামের” শীর্ষ নেতৃবৃন্দের পরিকল্পনা ও নির্দেশনা মোতাবেক গত বছর নভেম্বরে আদালতের কার্যক্রম শেষে পুলিশের ওপর আক্রমণ করে জঙ্গি ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করা হয়। শিখা (৩১) এই কার্যক্রমে প্রত্যক্ষভাবে অংশ নেন। পরিচয় গোপন করে সংগঠনের সদস্যরা জঙ্গি ছিনতাইয়ের পুরো পরিকল্পনা, প্রস্তুতি ও সমন্বয় করার উদ্দেশ্যে ঢাকা এবং এর পার্শ্ববর্তী জেলায় একাধিক আনসার হাউস ভাড়া নেন। সেখানে আনসার আল ইসলামের শীর্ষ এবং সামরিক শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা আয়মান, শিখাসহ অনেকেই অন্য সদস্যদের নিয়ে নিয়মিত বৈঠক করতেন।’
গ্রেপ্তার দুজনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে সিটিটিসির প্রধান বলেন, ‘ঘটনার প্রায় ছয় মাস আগে থেকে জঙ্গি ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করা হয়। কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সিজেএম) আদালতে হাজিরা দেওয়ার সময় এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত হয়। পরিকল্পনার সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয় শিখাকে। ঘটনার দিন তিনি সিজেএম কোর্ট এলাকায় এসে কৌশলে তাঁর বাবার কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ছিনতাইয়ের ঘটনায় নেতৃত্ব দেওয়া মশিউর রহমান আরমানসহ আনসার আল ইসলামের অন্য সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুরো পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন।’
ছিনিয়ে নেওয়া দুই জঙ্গিকে দ্রুতই গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সিটিটিসির প্রধান মো. আসাদুজ্জামান।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৫ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৫ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৬ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৯ দিন আগে