কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

ছোট ভাই আঙ্গুর মিয়ার ছুরিকাঘাতে বড় ভাই চাঁন মিয়ার নিহতের ঘটনার মামলায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে কিশোরগঞ্জ মডেল থানা-পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার রশিদাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের পেছন থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, সুজন (২২) ও মো. এনামুল মিয়া (২০)। তাঁরা নিহত চাঁন মিয়ার ভাতিজা ও অভিযুক্ত নিহতের ভাই আঙ্গুর মিয়ার ছেলে।
নিহতের ছেলে রমজান আলী বলেন, ‘বাড়ির সীমানা নিয়ে আমার চাচা আঙ্গুর মিয়ার সঙ্গে দীর্ঘদিন যাবৎ বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে বেশ কয়েকবার সালিসও হয়। কিন্তু স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা মীমাংসার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন। আমার চাচা ও চাচাতো ভাইয়েরা কাউকেই মানেন না। তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে আমার বাবাকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিল। এ জন্য গত দুই মাস আগে আমার বাবা থানায় জিডিও করেছেন।’
নিহতের ছেলে আরও বলেন, ‘ঘটনার সময় আমরা কেউ বাড়িতে ছিলাম না। এই সুযোগে তাঁরা আমার বাবাকে হত্যা করেছেন। আমি আমার বাবার হত্যার সঙ্গে জড়িতদের বিচার চাই।’
কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ দাউদ আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে গতকাল বুধবার সন্ধ্যার দিকে বড় ভাই চাঁন মিয়ার সঙ্গে ছোট ভাই আঙ্গুর মিয়ার কথা-কাটাকাটির হয়। একপর্যায়ে আঙ্গুর মিয়া চাঁন মিয়ার বুকে ছুরিকাঘাত করে। এ সময় চাঁন মিয়া মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা মুমূর্ষু অবস্থায় চাঁন মিয়াকে উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই ঘাতক আঙ্গুর মিয়া গা ঢাকা দেন।
ওসি আরও বলেন, ঘটনার দিন রাতেই নিহতের মেজ ছেলে রমজান বাদী হয়ে ১০ জনের নামে হত্যার অভিযোগ দায়ের করেন। উক্ত অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা একটি হত্যা মামলা রুজু করে আসামিদের ধরতে মাঠে নামি। আজ ভোরে দু’জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করেছি। পরে আদালত তাঁদের জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন। অপরদিকে, মূল অভিযুক্ত নিহতের ভাইসহ বাকি আসামিদের ধরতে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ছোট ভাই আঙ্গুর মিয়ার ছুরিকাঘাতে বড় ভাই চাঁন মিয়ার নিহতের ঘটনার মামলায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে কিশোরগঞ্জ মডেল থানা-পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার রশিদাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের পেছন থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, সুজন (২২) ও মো. এনামুল মিয়া (২০)। তাঁরা নিহত চাঁন মিয়ার ভাতিজা ও অভিযুক্ত নিহতের ভাই আঙ্গুর মিয়ার ছেলে।
নিহতের ছেলে রমজান আলী বলেন, ‘বাড়ির সীমানা নিয়ে আমার চাচা আঙ্গুর মিয়ার সঙ্গে দীর্ঘদিন যাবৎ বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে বেশ কয়েকবার সালিসও হয়। কিন্তু স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা মীমাংসার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন। আমার চাচা ও চাচাতো ভাইয়েরা কাউকেই মানেন না। তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে আমার বাবাকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিল। এ জন্য গত দুই মাস আগে আমার বাবা থানায় জিডিও করেছেন।’
নিহতের ছেলে আরও বলেন, ‘ঘটনার সময় আমরা কেউ বাড়িতে ছিলাম না। এই সুযোগে তাঁরা আমার বাবাকে হত্যা করেছেন। আমি আমার বাবার হত্যার সঙ্গে জড়িতদের বিচার চাই।’
কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ দাউদ আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে গতকাল বুধবার সন্ধ্যার দিকে বড় ভাই চাঁন মিয়ার সঙ্গে ছোট ভাই আঙ্গুর মিয়ার কথা-কাটাকাটির হয়। একপর্যায়ে আঙ্গুর মিয়া চাঁন মিয়ার বুকে ছুরিকাঘাত করে। এ সময় চাঁন মিয়া মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা মুমূর্ষু অবস্থায় চাঁন মিয়াকে উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই ঘাতক আঙ্গুর মিয়া গা ঢাকা দেন।
ওসি আরও বলেন, ঘটনার দিন রাতেই নিহতের মেজ ছেলে রমজান বাদী হয়ে ১০ জনের নামে হত্যার অভিযোগ দায়ের করেন। উক্ত অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা একটি হত্যা মামলা রুজু করে আসামিদের ধরতে মাঠে নামি। আজ ভোরে দু’জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করেছি। পরে আদালত তাঁদের জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন। অপরদিকে, মূল অভিযুক্ত নিহতের ভাইসহ বাকি আসামিদের ধরতে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

রাজধানী ঢাকায় কোনো ‘হাইপ্রোফাইল’ (উঁচু স্তরের) কেউ খুন হলে বা অন্য কোনো আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে প্রায়ই পুলিশের ভাষ্যে উঠে আসে বিদেশে অবস্থানরত সন্ত্রাসী কিংবা ‘গডফাদারের’ নাম। দেশের বাইরে থাকা ব্যক্তিদের ওপর দায় চাপানোর কারণে অনেক ক্ষেত্রে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত
১ ঘণ্টা আগে
বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১২ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১৩ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২৩ দিন আগে