
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৭৫টি ওয়ার্ডে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও ইজিবাইক চলাচলের বিষয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অনুমতি মিললেও বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) কোনো সহযোগিতা মিলছে না বলে অভিযোগ করেছে ‘বাংলাদেশ ইলেকট্রিক ব্যাটারি অ্যান্ড মোটরচালিত অটোরিকশা সার্ভিস লিমিটেড’।
আজ সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে এই অভিযোগ জানায় কোম্পানিটি।
সংবাদ সম্মেলনে কোম্পানিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম জানান, হাইকোর্ট ও মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে এই কোম্পানির আবেদনের প্রেক্ষিতে এবং উচ্চ আদালতের রায়ে ২৩ জুন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বিআরটিএ চেয়ারম্যানকে চিঠি দেওয়া হয়। কিন্তু বিআরটিএ থেকে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
আবুল কালাম বলেন, আমরা মহাসড়ক ও ভিআইপি সড়ক ব্যতীত ডিএসসিসির আওতাধীন এলাকার জন্য মোট ২ লাখ ৪০ হাজার অটোরিকশা বাবদ গাড়ি প্রতি ৮ হাজার টাকা হারে মোট ১৯২ কোটি টাকা সরকারি রাজস্ব খাতে জমা দিতে আগ্রহী। ২৪ জুন বিআরটিএতে আবেদন জমা দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান সহযোগিতা বা সরকারি নির্দেশনার বাস্তবায়ন পাওয়া যায়নি। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে (১ জুলাই থেকে ৩০ আগস্ট) ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও অনুমোদন না পেলে এই বিপুল রাজস্ব আদায় অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।
বর্তমানে অটো রিকশা থেকে নিয়মিত চাঁদাবাজি হচ্ছে দাবি করে তিনি বলেন, এই গাড়িগুলো থেকে বিভিন্নভাবে প্রত্যেক মাসে ১০০ কোটি টাকা চাঁদাবাজি হচ্ছে। যেখানে সরকারের কোনো লাভ হচ্ছে না। এদিকে বিষয়টি সমাধান হতে বিআরটিএর চেয়ারম্যান নাকি অটো রিকশা বিষয়ক কোন নীতিমালা খুঁজে পান না।

‘বড় ছাওয়াল গেছে সাত বছর হচ্ছে, আর মেজো ছাওয়াল গেছে দুই বছর। কোনোদিনও ছুটিতে আসেনি। ছাওয়ালটা বলছিল, “মা, কষ্ট করে খেয়ে দেনা শোধ করছি কেবল। বাড়ির কাজটা শুরু করছি, বাড়ি এসে বিল্ডিংয়ের কাজটা শেষ করব।” আমার বাবার আর বাড়ি আসা হলো না। কী সর্বনাশ হলো বাবা আমার।’
৪ ঘণ্টা আগে
নরসিংদীর রায়পুরায় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) সেচপাম্পের দুটি বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরি হয়েছে। ১৬ দিন ধরে এতে প্রায় ২০০ বিঘা জমিতে সেচ দেওয়া বন্ধ হয়ে গেছে। আমনের মৌসুমে জমিতে পানি দিতে না পেরে বিপাকে পড়েছেন শতাধিক কৃষক। দ্রুত ট্রান্সফরমার দুটি প্রতিস্থাপন এবং চোরদের শনাক্ত করে আইনের
৪ ঘণ্টা আগে
ভরা বর্ষায় নদ-নদী পানিতে টইটম্বুর, নেই ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞাও। তবু বরিশালে নদ-নদীগুলোতে মিলছে না কাঙ্ক্ষিত রুপালি ইলিশ। যা ধরা পড়ছে, তার বেশির ভাগই ছোট; দামও চড়া। মৎস্য বিভাগের তথ্যেও মিলছে উৎপাদন কমার চিত্র। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইলিশের উৎপাদন কমার পেছনে এবার চারটি কারণ গুরুত্বপূর্ণ—নদী থেকে সাগর পর্যন্
৪ ঘণ্টা আগে
মাদক সেবনের পর শুভ্র অস্বাভাবিক আচরণ করতেন এবং বিভিন্ন সময় পরিবারের সদস্য ও অন্যদের মারধর করতেন। মাদক না পেলে নিজের শরীরেও আঘাত করে রক্তাক্ত করতেন। তাঁর আচরণে পরিবারের সদস্যরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েন। এ কারণে প্রায় দুই মাস ধরে তাঁকে ঘরের একটি কক্ষে শিকলে বেঁধে তালাবদ্ধ করে রাখা হতো।
৬ ঘণ্টা আগে