নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার এক হত্যা মামলায় বেসরকারি ব্যাংকের উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকের (বিএবি) সাবেক সভাপতি, এক্সিম ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এবং নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদারকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ বুধবার ঢাকার মহানগর হাকিম মো. আক্তারুজ্জামান কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
দুপুরে সাত দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করা হয় নজরুল ইসলামকে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ইমন হোসেন গাজী নামের এক যুবককে গুলি করে হত্যার অভিযোগে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলায় তাঁকে ২ অক্টোবর সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের এসআই মো. মাহাবুল ইসলাম তাঁকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। অন্যদিকে জামিনের আবেদন করেন নজরুল ইসলামের আইনজীবী। শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ঢাকার প্রধান মহানগর হাকিম আদালতের যাত্রাবাড়ী থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা এসআই আসাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
১ অক্টোবর দিবাগত রাতে রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে নজরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল। পরে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হয়।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ৫ আগস্ট রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকার চিটাগাং রোডে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে ইমন হোসেন গাজী নামের এক যুবক নিহত হন। এই ঘটনায় তাঁর ভাই আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে ২৮ আগস্ট যাত্রাবাড়ী থানায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৮৫ জনের নাম উল্লেখ করে মামলাটি দায়ের করেন।
তদন্ত কর্মকর্তা রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করেন, নজরুল ইসলাম এ ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমানোর জন্য তিনি অর্থের জোগানদাতা। এ ঘটনার মূল রহস্য উদ্ঘাটন এবং ঘটনার ইন্ধনদাতাদের চিহ্নিত করে পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য তাঁকে রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার এক হত্যা মামলায় বেসরকারি ব্যাংকের উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকের (বিএবি) সাবেক সভাপতি, এক্সিম ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এবং নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদারকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ বুধবার ঢাকার মহানগর হাকিম মো. আক্তারুজ্জামান কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
দুপুরে সাত দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করা হয় নজরুল ইসলামকে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ইমন হোসেন গাজী নামের এক যুবককে গুলি করে হত্যার অভিযোগে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলায় তাঁকে ২ অক্টোবর সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের এসআই মো. মাহাবুল ইসলাম তাঁকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। অন্যদিকে জামিনের আবেদন করেন নজরুল ইসলামের আইনজীবী। শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ঢাকার প্রধান মহানগর হাকিম আদালতের যাত্রাবাড়ী থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা এসআই আসাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
১ অক্টোবর দিবাগত রাতে রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে নজরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল। পরে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হয়।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ৫ আগস্ট রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকার চিটাগাং রোডে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে ইমন হোসেন গাজী নামের এক যুবক নিহত হন। এই ঘটনায় তাঁর ভাই আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে ২৮ আগস্ট যাত্রাবাড়ী থানায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৮৫ জনের নাম উল্লেখ করে মামলাটি দায়ের করেন।
তদন্ত কর্মকর্তা রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করেন, নজরুল ইসলাম এ ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমানোর জন্য তিনি অর্থের জোগানদাতা। এ ঘটনার মূল রহস্য উদ্ঘাটন এবং ঘটনার ইন্ধনদাতাদের চিহ্নিত করে পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য তাঁকে রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন।

রাজধানী ঢাকায় কোনো ‘হাইপ্রোফাইল’ (উঁচু স্তরের) কেউ খুন হলে বা অন্য কোনো আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে প্রায়ই পুলিশের ভাষ্যে উঠে আসে বিদেশে অবস্থানরত সন্ত্রাসী কিংবা ‘গডফাদারের’ নাম। দেশের বাইরে থাকা ব্যক্তিদের ওপর দায় চাপানোর কারণে অনেক ক্ষেত্রে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত
৩ ঘণ্টা আগে
বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১২ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১৩ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২৩ দিন আগে