নিজস্ব প্রতিবেদক, সাভার

ঢাকার সাভার থানা কমপ্লেক্সের ১০০ গজের মধ্যে একটি পরিত্যক্ত পৌর কমিউনিটি সেন্টারের ভেতর থেকে দুটি পোড়া লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ রোববার দুপুরের পর কমিউনিটি সেন্টারের দ্বিতীয় তলা থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়।
এ নিয়ে গত আগস্ট থেকে পাঁচ মাসের মধ্যে কমিউনিটি সেন্টারটি থেকে পাঁচটি লাশ উদ্ধার হয়েছে। কিন্তু পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এখন পর্যন্ত এসব লাশের পরিচয় শনাক্ত করতে পারেননি। এমনকি এসব হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেননি।
আজ বেলা আড়াইটার দিকে সাভার থানার পরিদর্শক (অপারেশনস) হেলাল উদ্দিন ঘটনাস্থলে যান। পুলিশ যখন কমিউনিটি সেন্টারটিতে যায়, তখনো পোড়া লাশ দুটি থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছিল। পুলিশের ধারণা, হত্যার পর লাশ আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। পুলিশ পরিদর্শক হেলাল উদ্দিন লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করলেও বিস্তারিত কিছু জানাতে পারেননি।
সাভার থানার তথ্য অনুযায়ী, গত বছর ২৯ আগস্ট প্রথমবার কমিউনিটি সেন্টারটির দ্বিতীয় তলা থেকে এক যুবকের হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার করা হয়। ওই বছরের ১১ অক্টোবর একই জায়গায় এক নারীর লাশ পাওয়া যায়। এর প্রায় দুই মাস পরে ১৯ ডিসেম্বর কমিউনিটি সেন্টারের দ্বিতীয় তলায় আরও এক ব্যক্তির লাশ পাওয়া যায়।
পুলিশ জানায়, আগের তিনটি লাশ উদ্ধারের ঘটনায় মামলা হলেও কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। এসব লাশের পরিচয়ও পাওয়া যায়নি।
যোগাযোগ করা হলে ঢাকার পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, পৌর কমিউনিটি সেন্টারের ভেতরে বারবার লাশ পাওয়ার বিষয়টি খুবই অ্যালার্মিং। দুষ্কৃতকারীরা অন্যত্র হত্যার পর পৌর কমিউনিটি সেন্টারকে ডাম্পিং হিসেবে ব্যবহার করছে। এ ধরনের ঘটনা যাতে আর না ঘটে, সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় আলোচনা হয়েছে। কমিউনিটি সেন্টারকে নিরাপদ রাখতে কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন থেকে স্থায়ী নিরাপত্তা প্রহরীর ব্যবস্থা করা হবে।

ঢাকার সাভার থানা কমপ্লেক্সের ১০০ গজের মধ্যে একটি পরিত্যক্ত পৌর কমিউনিটি সেন্টারের ভেতর থেকে দুটি পোড়া লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ রোববার দুপুরের পর কমিউনিটি সেন্টারের দ্বিতীয় তলা থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়।
এ নিয়ে গত আগস্ট থেকে পাঁচ মাসের মধ্যে কমিউনিটি সেন্টারটি থেকে পাঁচটি লাশ উদ্ধার হয়েছে। কিন্তু পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এখন পর্যন্ত এসব লাশের পরিচয় শনাক্ত করতে পারেননি। এমনকি এসব হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেননি।
আজ বেলা আড়াইটার দিকে সাভার থানার পরিদর্শক (অপারেশনস) হেলাল উদ্দিন ঘটনাস্থলে যান। পুলিশ যখন কমিউনিটি সেন্টারটিতে যায়, তখনো পোড়া লাশ দুটি থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছিল। পুলিশের ধারণা, হত্যার পর লাশ আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। পুলিশ পরিদর্শক হেলাল উদ্দিন লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করলেও বিস্তারিত কিছু জানাতে পারেননি।
সাভার থানার তথ্য অনুযায়ী, গত বছর ২৯ আগস্ট প্রথমবার কমিউনিটি সেন্টারটির দ্বিতীয় তলা থেকে এক যুবকের হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার করা হয়। ওই বছরের ১১ অক্টোবর একই জায়গায় এক নারীর লাশ পাওয়া যায়। এর প্রায় দুই মাস পরে ১৯ ডিসেম্বর কমিউনিটি সেন্টারের দ্বিতীয় তলায় আরও এক ব্যক্তির লাশ পাওয়া যায়।
পুলিশ জানায়, আগের তিনটি লাশ উদ্ধারের ঘটনায় মামলা হলেও কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। এসব লাশের পরিচয়ও পাওয়া যায়নি।
যোগাযোগ করা হলে ঢাকার পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, পৌর কমিউনিটি সেন্টারের ভেতরে বারবার লাশ পাওয়ার বিষয়টি খুবই অ্যালার্মিং। দুষ্কৃতকারীরা অন্যত্র হত্যার পর পৌর কমিউনিটি সেন্টারকে ডাম্পিং হিসেবে ব্যবহার করছে। এ ধরনের ঘটনা যাতে আর না ঘটে, সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় আলোচনা হয়েছে। কমিউনিটি সেন্টারকে নিরাপদ রাখতে কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন থেকে স্থায়ী নিরাপত্তা প্রহরীর ব্যবস্থা করা হবে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১১ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১২ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২২ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৪ ডিসেম্বর ২০২৫