কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জে ১৯ বছর বয়সী মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবাকে আটক করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার সকালে জেলা শহরের গাইটাল পেট্রোলপাম্প এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়। আটক বাবা ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলার বাসিন্দা। তিনি পরিবারসহ কিশোরগঞ্জে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকেন। তাঁর স্ত্রী ওই এলাকায় বিভিন্ন বাসাবাড়িতে কাজ করেন।
থানায় লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, আটক ব্যক্তির চার মেয়ে। ভুক্তভোগী মেয়েটির ৯ মাস আগে অষ্টগ্রাম উপজেলায় খালাতো ভাইয়ের সঙ্গে বিয়ে হয়। বিয়ের পর প্রায়ই মেয়ের শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে ঝগড়া করে কিশোরগঞ্জের ভাড়া বাসায় নিয়ে আসতেন বাবা। কোনোভাবেই মেয়েকে শ্বশুর বাড়িতে থাকতে দিচ্ছিলেন না তিনি এবং প্রায়ই মেয়েকে মারধর করতেন।
অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ২৭ জুন অভিযুক্ত ব্যক্তি তাঁর স্ত্রীকে সন্তান প্রসবের জন্য কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। ওই দিন রাতে বাসায় কেউ না থাকার সুযোগে মেয়েকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন তিনি। গত বুধবার আবারও মেয়েটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় তিনি মেয়েকে মারধর করেন। পরে মেয়ের মা জানতে পারেন, তিনি বাসায় না থাকার সুযোগে কয়েক মাস যাবৎ ভয় দেখিয়ে মেয়েকে ধর্ষণ করেছেন বাবা।
ভুক্তভোগী মেয়ে বলেন, ‘গত বুধবার আমার মাকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে বাবা আমাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এর আগে একাধিকবার আমাকে ধর্ষণ করেন বাবা। আমি এর বিচার চাই।’
মেয়েটির মা বলেন, ‘আমার যেদিন বাচ্চা হয়, সেদিন রাতে মেয়েকে ধর্ষণ করেন আমার স্বামী। গত বুধবার আমাকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে মেয়েকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন এবং মেয়েকে মারধর করেন। পরে মেয়ে বিষয়টি আমাকে জানায়। এরপর আমি পুলিশকে জানালে পুলিশ এসে আমার স্বামীকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।’
কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ দাউদ বলেন, গাইটালে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকেন তাঁরা। আটক ব্যক্তি কাঁচামালের ব্যবসায়ী। তিনি তাঁর মেয়ের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক করেছেন বলে তাঁর স্ত্রী অভিযোগ দাখিল করেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তাঁকে আটক করেছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কিশোরগঞ্জে ১৯ বছর বয়সী মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবাকে আটক করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার সকালে জেলা শহরের গাইটাল পেট্রোলপাম্প এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়। আটক বাবা ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলার বাসিন্দা। তিনি পরিবারসহ কিশোরগঞ্জে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকেন। তাঁর স্ত্রী ওই এলাকায় বিভিন্ন বাসাবাড়িতে কাজ করেন।
থানায় লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, আটক ব্যক্তির চার মেয়ে। ভুক্তভোগী মেয়েটির ৯ মাস আগে অষ্টগ্রাম উপজেলায় খালাতো ভাইয়ের সঙ্গে বিয়ে হয়। বিয়ের পর প্রায়ই মেয়ের শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে ঝগড়া করে কিশোরগঞ্জের ভাড়া বাসায় নিয়ে আসতেন বাবা। কোনোভাবেই মেয়েকে শ্বশুর বাড়িতে থাকতে দিচ্ছিলেন না তিনি এবং প্রায়ই মেয়েকে মারধর করতেন।
অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ২৭ জুন অভিযুক্ত ব্যক্তি তাঁর স্ত্রীকে সন্তান প্রসবের জন্য কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। ওই দিন রাতে বাসায় কেউ না থাকার সুযোগে মেয়েকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন তিনি। গত বুধবার আবারও মেয়েটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় তিনি মেয়েকে মারধর করেন। পরে মেয়ের মা জানতে পারেন, তিনি বাসায় না থাকার সুযোগে কয়েক মাস যাবৎ ভয় দেখিয়ে মেয়েকে ধর্ষণ করেছেন বাবা।
ভুক্তভোগী মেয়ে বলেন, ‘গত বুধবার আমার মাকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে বাবা আমাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এর আগে একাধিকবার আমাকে ধর্ষণ করেন বাবা। আমি এর বিচার চাই।’
মেয়েটির মা বলেন, ‘আমার যেদিন বাচ্চা হয়, সেদিন রাতে মেয়েকে ধর্ষণ করেন আমার স্বামী। গত বুধবার আমাকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে মেয়েকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন এবং মেয়েকে মারধর করেন। পরে মেয়ে বিষয়টি আমাকে জানায়। এরপর আমি পুলিশকে জানালে পুলিশ এসে আমার স্বামীকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।’
কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ দাউদ বলেন, গাইটালে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকেন তাঁরা। আটক ব্যক্তি কাঁচামালের ব্যবসায়ী। তিনি তাঁর মেয়ের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক করেছেন বলে তাঁর স্ত্রী অভিযোগ দাখিল করেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তাঁকে আটক করেছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১৪ ঘণ্টা আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১১ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৪ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে গত রোববার বিকেল থেকে সোমবার বিকেল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৬৯৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
১৬ দিন আগে