নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দুবাইয়ে সোনার দোকান উদ্বোধন করে চাঞ্চল্য সৃষ্টিকারী আরাভ খান ওরফে রবিউল ইসলামের সাক্ষ্য গ্রহণ সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর বিশেষ ট্রাইব্যুনাল ও ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মুর্শিদ আহাম্মদ সাক্ষ্য গ্রহণ সমাপ্ত ঘোষণা করে আগামী ১৩ এপ্রিল আত্মপক্ষ সমর্থন ও যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ধার্য করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির উপপরিদর্শক শেখ হাসান মুহাম্মদ মোস্তফা সারোয়ার সাক্ষ্য দেন। রাষ্ট্রপক্ষ আদালতকে জানান, এই মামলায় ২০ জন সাক্ষীর মধ্যে ১০ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। বাকি সাক্ষীদের সাক্ষ্য নেওয়ার প্রয়োজন নেই। পরে আদালত সাক্ষ্য গ্রহণ সমাপ্ত ঘোষণা করেন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২৮ জানুয়ারি রবিউল ইসলাম তার শ্বশুর সেকেন্দার আলীকে ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করতে শ্বশুরের মগবাজারের বাসায় যান। একটি গুলি ভর্তি রিভলবারসহ শ্বশুরের বাসার সামনে থেকে গ্রেপ্তার হন তিনি। এ ঘটনায় রবিউলের বিরুদ্ধে রমনা মডেল থানায় অস্ত্র আইনে মামলা করেন ডিবি পশ্চিমের গাড়ি চুরি প্রতিরোধ ও উদ্ধার টিমের তৎকালীন উপপরিদর্শক সুজন কুমার কুণ্ডু।
আসামি রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় ২০১৫ সালের ১ মার্চ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির উপপরিদর্শক শেখ হাসান মুহাম্মদ মোস্তফা সারোয়ার। একই বছরের ১০ মে আদালত রবিউলের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন।
এ মামলায় ২০১৮ সালের ১৪ মার্চ জামিন পান রবিউল। এরপর পলাতক থাকায় ২০১৮ সালের ২৪ অক্টোবর তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।
রবিউল ইসলাম রাজধানীর বনানীতে পুলিশ পরিদর্শক মামুন হত্যা মামলারও আসামি। এ ছাড়াও গুলশান শেরেবাংলা নগরসহ বিভিন্ন থানায় তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি ফৌজদারি মামলা রয়েছে। এসব মামলায় জামিন পেয়ে তিনি পালিয়ে যান এবং নাম পরিবর্তন করে আরাভ খান নামে পরিচয় দিয়ে থাকেন।

দুবাইয়ে সোনার দোকান উদ্বোধন করে চাঞ্চল্য সৃষ্টিকারী আরাভ খান ওরফে রবিউল ইসলামের সাক্ষ্য গ্রহণ সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর বিশেষ ট্রাইব্যুনাল ও ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মুর্শিদ আহাম্মদ সাক্ষ্য গ্রহণ সমাপ্ত ঘোষণা করে আগামী ১৩ এপ্রিল আত্মপক্ষ সমর্থন ও যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ধার্য করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির উপপরিদর্শক শেখ হাসান মুহাম্মদ মোস্তফা সারোয়ার সাক্ষ্য দেন। রাষ্ট্রপক্ষ আদালতকে জানান, এই মামলায় ২০ জন সাক্ষীর মধ্যে ১০ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। বাকি সাক্ষীদের সাক্ষ্য নেওয়ার প্রয়োজন নেই। পরে আদালত সাক্ষ্য গ্রহণ সমাপ্ত ঘোষণা করেন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২৮ জানুয়ারি রবিউল ইসলাম তার শ্বশুর সেকেন্দার আলীকে ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করতে শ্বশুরের মগবাজারের বাসায় যান। একটি গুলি ভর্তি রিভলবারসহ শ্বশুরের বাসার সামনে থেকে গ্রেপ্তার হন তিনি। এ ঘটনায় রবিউলের বিরুদ্ধে রমনা মডেল থানায় অস্ত্র আইনে মামলা করেন ডিবি পশ্চিমের গাড়ি চুরি প্রতিরোধ ও উদ্ধার টিমের তৎকালীন উপপরিদর্শক সুজন কুমার কুণ্ডু।
আসামি রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় ২০১৫ সালের ১ মার্চ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির উপপরিদর্শক শেখ হাসান মুহাম্মদ মোস্তফা সারোয়ার। একই বছরের ১০ মে আদালত রবিউলের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন।
এ মামলায় ২০১৮ সালের ১৪ মার্চ জামিন পান রবিউল। এরপর পলাতক থাকায় ২০১৮ সালের ২৪ অক্টোবর তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।
রবিউল ইসলাম রাজধানীর বনানীতে পুলিশ পরিদর্শক মামুন হত্যা মামলারও আসামি। এ ছাড়াও গুলশান শেরেবাংলা নগরসহ বিভিন্ন থানায় তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি ফৌজদারি মামলা রয়েছে। এসব মামলায় জামিন পেয়ে তিনি পালিয়ে যান এবং নাম পরিবর্তন করে আরাভ খান নামে পরিচয় দিয়ে থাকেন।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৫ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৬ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৬ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৯ দিন আগে