নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ তদন্তের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর সিতাংশু কুমার সুর চৌধুরীর (এস কে সুর) সব ধরনের ব্যাংক হিসাব তলব করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর স্ত্রী সুপর্ণা রায় চৌধুরী ও মেয়ে নন্দীতা সুর চৌধুরীর হিসাবের তথ্যও চাওয়া হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার তাদের ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়ে ব্যাংকগুলোতে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক)। সেই চিঠিতে আগামী ৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব ধরনের তথ্য জমা দিতে বলা হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, এস কে সুর ও তাঁর স্ত্রী সুপর্ণা চৌধুরীর বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে, এস কে সুর চৌধুরী ও তাঁর স্ত্রী সুপর্ণা রায় চৌধুরী এবং মেয়ে নন্দীতা সুর চৌধুরীর নামে কোন শাখায় কোনো ধরনের ব্যাংক হিসাব, ঋণ হিসাব, এফডিআর বা সঞ্চয়পত্র থাকলে তার বিবরণী দাখিল করতে বলা হয়েছে।
একই সঙ্গে হিসাব খোলার ফরম, দাখিলের রেকর্ডপত্র, কেওয়াইসি, নমিনী, টিপি, সিগনেচার কার্ড এবং হিসাব বিবরণীসহ সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পাঠাতে বলা হয়েছে।
এ ছাড়া চিঠিতে সুর চৌধুরী জাতীয় পরিচয়পত্র ও কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) উল্লেখ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, এস কে সুর চৌধুরী ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে ডেপুটি গভর্নরের পদ থেকে অবসরে যাওয়ার পর বাংলাদেশ ব্যাংকের উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি অবসরে। ডেপুটি গভর্নর থাকাকালে আলোচিত পি কে হালদারের ঋণ কেলেঙ্কারির ঘটনায় সুর চৌধুরী সহযোগিতা ও সুবিধা নেওয়া; অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া এবং সরকারের রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগে আলাদা অনুসন্ধান ও তদন্ত করছেন দুদকের উপ–পরিচালক নাজমুল হুসাইনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি দল।

অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ তদন্তের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর সিতাংশু কুমার সুর চৌধুরীর (এস কে সুর) সব ধরনের ব্যাংক হিসাব তলব করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর স্ত্রী সুপর্ণা রায় চৌধুরী ও মেয়ে নন্দীতা সুর চৌধুরীর হিসাবের তথ্যও চাওয়া হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার তাদের ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়ে ব্যাংকগুলোতে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক)। সেই চিঠিতে আগামী ৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব ধরনের তথ্য জমা দিতে বলা হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, এস কে সুর ও তাঁর স্ত্রী সুপর্ণা চৌধুরীর বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে, এস কে সুর চৌধুরী ও তাঁর স্ত্রী সুপর্ণা রায় চৌধুরী এবং মেয়ে নন্দীতা সুর চৌধুরীর নামে কোন শাখায় কোনো ধরনের ব্যাংক হিসাব, ঋণ হিসাব, এফডিআর বা সঞ্চয়পত্র থাকলে তার বিবরণী দাখিল করতে বলা হয়েছে।
একই সঙ্গে হিসাব খোলার ফরম, দাখিলের রেকর্ডপত্র, কেওয়াইসি, নমিনী, টিপি, সিগনেচার কার্ড এবং হিসাব বিবরণীসহ সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পাঠাতে বলা হয়েছে।
এ ছাড়া চিঠিতে সুর চৌধুরী জাতীয় পরিচয়পত্র ও কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) উল্লেখ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, এস কে সুর চৌধুরী ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে ডেপুটি গভর্নরের পদ থেকে অবসরে যাওয়ার পর বাংলাদেশ ব্যাংকের উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি অবসরে। ডেপুটি গভর্নর থাকাকালে আলোচিত পি কে হালদারের ঋণ কেলেঙ্কারির ঘটনায় সুর চৌধুরী সহযোগিতা ও সুবিধা নেওয়া; অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া এবং সরকারের রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগে আলাদা অনুসন্ধান ও তদন্ত করছেন দুদকের উপ–পরিচালক নাজমুল হুসাইনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি দল।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১২ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১৩ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২৩ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৪ ডিসেম্বর ২০২৫