নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জাপানি শিশু জেসমিন মালিকা ও লাইলা লিনাকে তাদের মা নাকানো এরিকোর জিম্মায় দেওয়ার বিরুদ্ধে বাবা ইমরান শরীফের আপিল খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ এ এইচ এম হাবিবুর রহমান ভূঁইয়া আপিলের রায় ঘোষণা করেন।
এরিকোর আইনজীবী শিশির মনির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, আপিল খারিজের কারণে পারিবারিক আদালতের রায় বহাল থাকল। অর্থাৎ জাপানি দুই শিশু তাদের মায়ের জিম্মায় থাকবে।
গত ১১ জুলাই আপিলের শুনানির দিন ধার্য ছিল। ওই দিন শিশুদের বাবা ইমরান শরীফের আইনজীবী নুরুল ইসলাম মিলন শুনানির জন্য সময়ের আবেদন করেন। তিনি আদালতকে বলেন, মামলাটি অন্য কোনো আদালতে স্থানান্তরের জন্য হাইকোর্টে করা আবেদন শুনানি জন্য অপেক্ষায় রয়েছে। এমতাবস্থায় আপিলের শুনানি স্থগিত রাখা হোক। আদালত সময়ের আবেদন নামঞ্জুর করেন। তখন আরেকটি আবেদন দাখিল করেন ইমরান শরীফের আইনজীবী। ওই আবেদনে বলা হয়, এই আদেশের বিরুদ্ধেও তারা হাইকোর্টে আবেদন করবেন। পরে আদালত রায়ের জন্য দিন ধার্য করেন।
এর আগে আপিল শুনানির সময় গত ২ মার্চ আদালত উভয় পক্ষকে সমঝোতার তাগিদ দেন। এরপর ইমরান শরীফ এই আদালত থেকে অন্য আদালতে মামলা বদলির জন্য হাইকোর্টে আবেদন করেন।
এর আগে গত ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পারিবারিক আদালত-১২–এর রায়ের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা হয়।
গত ২৯ জানুয়ারি পারিবারিক আদালতের বিচারক দুরদানা রহমান মায়ের জিম্মায় দুই শিশু থাকবে বলে রায় দেন। পরদিন শিশুদের মায়ের জিম্মায় দেওয়ার জন্য ডিক্রি দেন।
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে দুই মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে এরিকো নাকানোর স্বামী ইমরান জাপান থেকে বাংলাদেশে আসেন। এরপর মেয়েদের অভিভাবক দাবি করে ঢাকার পারিবারিক আদালতে মামলা করেন। একই বছরের ১৮ জুলাই বাংলাদেশে আসেন এরিকো। মেয়েদের ফিরে পেতে ১৯ আগস্ট হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন তিনি। পরে আদালতের নির্দেশে শিশু দুটিকে তেজগাঁওয়ে পুলিশের ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে রাখা হয় কিছুদিন। সব পক্ষের শুনানি নিয়ে ৩১ আগস্ট হাইকোর্ট গুলশানের ফ্ল্যাটে মায়ের হেফাজতে শিশুদের রাখার আদেশ দেন। কিন্তু এই দেশেই সন্তানদের নিয়ে থাকতে হবে বলে হাইকোর্ট বলেন।
ইমরান শরীফ আদালতকে জানান স্ত্রীর সঙ্গে ডিভোর্স হয়ে যাওয়ায় তিনি মেয়েদের নিয়ে বাংলাদেশে আসেন। তিনি বাংলাদেশের নাগরিক। তিনি বাংলাদেশেই বসবাস করবেন। তাঁর শিশুসন্তানদের অভিভাবক হিসেবে তিনি এই মামলা দায়ের করেছেন। যেহেতু মা ভিনদেশি তাই তিনি একমাত্র অভিভাবক।
এই আদালতে মামলা চলাকালীন তাঁর সাবেক স্ত্রী বাংলাদেশে এসে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। হাইকোর্টও মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত মেয়েদের বাংলাদেশে রাখার নির্দেশ দেন।
এ দিকে দুই সন্তান নিয়ে জাপানে পালানোর চেষ্টার অভিযোগে জাপানি নারী নাকানো এরিকোর বিরুদ্ধে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা হয় গত ২৯ ডিসেম্বর।
ইমরান শরীফের আইনজীবী নুরুল ইসলাম মিলন আজকের পত্রিকাকে বলেন, এই আপিলের রায়ের বিরুদ্ধে তারা উচ্চ আদালতে যাবেন।

জাপানি শিশু জেসমিন মালিকা ও লাইলা লিনাকে তাদের মা নাকানো এরিকোর জিম্মায় দেওয়ার বিরুদ্ধে বাবা ইমরান শরীফের আপিল খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ এ এইচ এম হাবিবুর রহমান ভূঁইয়া আপিলের রায় ঘোষণা করেন।
এরিকোর আইনজীবী শিশির মনির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, আপিল খারিজের কারণে পারিবারিক আদালতের রায় বহাল থাকল। অর্থাৎ জাপানি দুই শিশু তাদের মায়ের জিম্মায় থাকবে।
গত ১১ জুলাই আপিলের শুনানির দিন ধার্য ছিল। ওই দিন শিশুদের বাবা ইমরান শরীফের আইনজীবী নুরুল ইসলাম মিলন শুনানির জন্য সময়ের আবেদন করেন। তিনি আদালতকে বলেন, মামলাটি অন্য কোনো আদালতে স্থানান্তরের জন্য হাইকোর্টে করা আবেদন শুনানি জন্য অপেক্ষায় রয়েছে। এমতাবস্থায় আপিলের শুনানি স্থগিত রাখা হোক। আদালত সময়ের আবেদন নামঞ্জুর করেন। তখন আরেকটি আবেদন দাখিল করেন ইমরান শরীফের আইনজীবী। ওই আবেদনে বলা হয়, এই আদেশের বিরুদ্ধেও তারা হাইকোর্টে আবেদন করবেন। পরে আদালত রায়ের জন্য দিন ধার্য করেন।
এর আগে আপিল শুনানির সময় গত ২ মার্চ আদালত উভয় পক্ষকে সমঝোতার তাগিদ দেন। এরপর ইমরান শরীফ এই আদালত থেকে অন্য আদালতে মামলা বদলির জন্য হাইকোর্টে আবেদন করেন।
এর আগে গত ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পারিবারিক আদালত-১২–এর রায়ের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা হয়।
গত ২৯ জানুয়ারি পারিবারিক আদালতের বিচারক দুরদানা রহমান মায়ের জিম্মায় দুই শিশু থাকবে বলে রায় দেন। পরদিন শিশুদের মায়ের জিম্মায় দেওয়ার জন্য ডিক্রি দেন।
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে দুই মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে এরিকো নাকানোর স্বামী ইমরান জাপান থেকে বাংলাদেশে আসেন। এরপর মেয়েদের অভিভাবক দাবি করে ঢাকার পারিবারিক আদালতে মামলা করেন। একই বছরের ১৮ জুলাই বাংলাদেশে আসেন এরিকো। মেয়েদের ফিরে পেতে ১৯ আগস্ট হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন তিনি। পরে আদালতের নির্দেশে শিশু দুটিকে তেজগাঁওয়ে পুলিশের ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে রাখা হয় কিছুদিন। সব পক্ষের শুনানি নিয়ে ৩১ আগস্ট হাইকোর্ট গুলশানের ফ্ল্যাটে মায়ের হেফাজতে শিশুদের রাখার আদেশ দেন। কিন্তু এই দেশেই সন্তানদের নিয়ে থাকতে হবে বলে হাইকোর্ট বলেন।
ইমরান শরীফ আদালতকে জানান স্ত্রীর সঙ্গে ডিভোর্স হয়ে যাওয়ায় তিনি মেয়েদের নিয়ে বাংলাদেশে আসেন। তিনি বাংলাদেশের নাগরিক। তিনি বাংলাদেশেই বসবাস করবেন। তাঁর শিশুসন্তানদের অভিভাবক হিসেবে তিনি এই মামলা দায়ের করেছেন। যেহেতু মা ভিনদেশি তাই তিনি একমাত্র অভিভাবক।
এই আদালতে মামলা চলাকালীন তাঁর সাবেক স্ত্রী বাংলাদেশে এসে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। হাইকোর্টও মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত মেয়েদের বাংলাদেশে রাখার নির্দেশ দেন।
এ দিকে দুই সন্তান নিয়ে জাপানে পালানোর চেষ্টার অভিযোগে জাপানি নারী নাকানো এরিকোর বিরুদ্ধে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা হয় গত ২৯ ডিসেম্বর।
ইমরান শরীফের আইনজীবী নুরুল ইসলাম মিলন আজকের পত্রিকাকে বলেন, এই আপিলের রায়ের বিরুদ্ধে তারা উচ্চ আদালতে যাবেন।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
২ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৩ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৩ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৬ দিন আগে