কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে আবদুল কাদেরকে (৪৮) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে দুই মাস সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
আজ মঙ্গলবার কুমিল্লার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন এ রায় দেন। এ সময় বেকসুর খালাস পান মামলায় অভিযুক্ত অপর তিন আসামি।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি ও রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী প্রদীপ কুমার দত্ত জানান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
মামলা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের কোমার ডোগা গ্রামের আবদুল কাদের স্ত্রী ঝর্ণা আক্তারকে যৌতুকের টাকার জন্য নির্যাতন করতেন। বিয়ের সময় যৌতুকের জন্য ৫০ হাজার টাকা দাবি করলে ঝর্ণার পরিবার ২০ হাজার টাকা দেন। বাকি ৩০ হাজার টাকা পরিশোধ করতে না পারেনি। এতে ঝর্ণার ওপর শুরু হয় নির্যাতন। ২০০৯ সালের ২৪ জুন রাতে ঝর্ণাকে হত্যা করে তাঁর মরদেহ পাশের পুকুরে ফেলেন কাদির। পরে ভোরে স্থানীয়রা পুকুর থেকে ঝর্ণার মরদেহ উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় ঝর্ণার বোন খালেদা বেগম বাদী হয়ে স্বামী আবদুল কাদেরসহ আরও সাতজনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। পুলিশের অপরাধ বিভাগ (সিআইডি) তদন্ত শেষে ২০১৫ স্বামী আবদুল কাদের, মনোয়ারা বেগম, নাজমা আক্তার ও আবদুছ ছাত্তার নামে চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন। মামলার সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে মঙ্গলবার ঝর্ণার স্বামীকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন।
মামলার আইনজীবী প্রদীপ কুমার দত্ত বলেন, ‘মামলার আসামি তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে সত্যতা প্রমাণিত হওয়াই আদালত আব্দুল কাদেরকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। এ রায়ে আমরা সন্তুষ্ট।’

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে আবদুল কাদেরকে (৪৮) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে দুই মাস সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
আজ মঙ্গলবার কুমিল্লার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন এ রায় দেন। এ সময় বেকসুর খালাস পান মামলায় অভিযুক্ত অপর তিন আসামি।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি ও রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী প্রদীপ কুমার দত্ত জানান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
মামলা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের কোমার ডোগা গ্রামের আবদুল কাদের স্ত্রী ঝর্ণা আক্তারকে যৌতুকের টাকার জন্য নির্যাতন করতেন। বিয়ের সময় যৌতুকের জন্য ৫০ হাজার টাকা দাবি করলে ঝর্ণার পরিবার ২০ হাজার টাকা দেন। বাকি ৩০ হাজার টাকা পরিশোধ করতে না পারেনি। এতে ঝর্ণার ওপর শুরু হয় নির্যাতন। ২০০৯ সালের ২৪ জুন রাতে ঝর্ণাকে হত্যা করে তাঁর মরদেহ পাশের পুকুরে ফেলেন কাদির। পরে ভোরে স্থানীয়রা পুকুর থেকে ঝর্ণার মরদেহ উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় ঝর্ণার বোন খালেদা বেগম বাদী হয়ে স্বামী আবদুল কাদেরসহ আরও সাতজনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। পুলিশের অপরাধ বিভাগ (সিআইডি) তদন্ত শেষে ২০১৫ স্বামী আবদুল কাদের, মনোয়ারা বেগম, নাজমা আক্তার ও আবদুছ ছাত্তার নামে চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন। মামলার সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে মঙ্গলবার ঝর্ণার স্বামীকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন।
মামলার আইনজীবী প্রদীপ কুমার দত্ত বলেন, ‘মামলার আসামি তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে সত্যতা প্রমাণিত হওয়াই আদালত আব্দুল কাদেরকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। এ রায়ে আমরা সন্তুষ্ট।’

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১২ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১৩ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২৩ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৪ ডিসেম্বর ২০২৫