জমির উদ্দিন, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের এনায়েত বাজার মহিলা কলেজে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম না মানার অভিযোগ উঠেছে। কলেজের জ্যেষ্ঠতার তালিকা অনুযায়ী সাত শিক্ষককে ডিঙিয়ে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সোহানা শরমিন তালুকদারকে।
গত ১ ফেব্রুয়ারি তাঁকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ দেন গভর্নিং বডির সভাপতি মাহবুবুল আলম। তিনি একজন ব্যবসায়ী নেতা ও এফবিসিসিআই সভাপতি। এদিকে ছয় মাসের মধ্যে অধ্যক্ষ নিয়োগের নিয়ম থাকলেও তা মানছে না কলেজ কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি নিয়ে কলেজের শিক্ষকদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মে বলা আছে, কোনো কলেজে অধ্যক্ষের পদ খালি হলে উপাধ্যক্ষ বা জ্যেষ্ঠ পাঁচ শিক্ষকের মধ্যে একজনকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ দিতে হবে। ছয় মাসের মধ্যে শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতার তালিকা অনুযায়ী প্রথম পাঁচজনের একজনকে নিয়মিত অধ্যক্ষ নিয়োগের নিয়মও রয়েছে।
যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব দেওয়ার এক বছরের মধ্যে নিয়মিত অধ্যক্ষ নিয়োগ সম্পন্ন না হলে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের স্বাক্ষরিত কাগজপত্র ও কার্যবিবরণী গ্রহণ করা হয় না।
গত ১ আগস্ট অধ্যক্ষ নিয়োগের বিষয়ে জানতে চেয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গভর্নিং বডির সভাপতি বরাবর একটি চিঠি ইস্যু করা হয়। চিঠিতে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে অধ্যক্ষ নিয়োগ কাকে দেওয়া হয়েছে, এসংক্রান্ত রেজল্যুশন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে অবহিত করতে বলা হয়। তবে নির্ধারিত সময় পার হলেও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে কোনো জবাব দেওয়া হয়নি। অভিযোগ উঠেছে, ওই চিঠি এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাঠানো ই-মেইল ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সরিয়ে ফেলেছেন।
কলেজের জ্যেষ্ঠতম পাঁচ শিক্ষককের তালিকায় রয়েছেন যথাক্রমে রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মুনিরা চৌধুরী, মনোবিজ্ঞানের ফাতেমা জেবুননেসা, হিসাব বিজ্ঞানের ফরিদা ইয়াসমিন, গণিত বিভাগের মার্জিয়া বেগম চৌধুরী ও উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের কামরুন নাহার হাসিনা বানু।
সহকারী অধ্যাপক মুনিরা চৌধুরী আজকের পত্রিকাকে বলেন, নিয়মের বাইরে গিয়ে কাউকে নিয়োগ দিলে কিছু বলার নেই। বোর্ডের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে হয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের একজন বলেন, শুধু বোর্ডের সভাপতির পছন্দ হওয়ায় তাঁকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি দায়িত্ব পেয়ে স্বেচ্ছাচারিতা করছেন, অনিয়ম করছেন। এমনকি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের চিঠিও গায়েব করে ফেলছেন। যদিও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সোহানা শারমিন তালুকদার চিঠি গায়েবের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শক ফাহিমা সোলতানা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘জ্যেষ্ঠ শিক্ষককে ডিঙিয়ে নিচু স্তরের একজনকে নিয়োগ দেওয়া হলো। চিঠি গায়েব করার অভিযোগ এল, তাহলে গভর্নিং বডির সভাপতি কী করছেন? ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগ দেওয়া প্রসঙ্গে গত ১ আগস্ট কলেজ সভাপতির বরাবর একটি চিঠি ইস্যু করেছিলাম। ১০ দিনের মধ্যে উত্তর পাইনি।’
গভর্নিং বডির সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, ‘ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বা অনিয়মের বিষয়টি আমরা দেখছি। সামনে মিটিং ডেকেছি, সেখানে একটি সমাধান হবে।’

চট্টগ্রামের এনায়েত বাজার মহিলা কলেজে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম না মানার অভিযোগ উঠেছে। কলেজের জ্যেষ্ঠতার তালিকা অনুযায়ী সাত শিক্ষককে ডিঙিয়ে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সোহানা শরমিন তালুকদারকে।
গত ১ ফেব্রুয়ারি তাঁকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ দেন গভর্নিং বডির সভাপতি মাহবুবুল আলম। তিনি একজন ব্যবসায়ী নেতা ও এফবিসিসিআই সভাপতি। এদিকে ছয় মাসের মধ্যে অধ্যক্ষ নিয়োগের নিয়ম থাকলেও তা মানছে না কলেজ কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি নিয়ে কলেজের শিক্ষকদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মে বলা আছে, কোনো কলেজে অধ্যক্ষের পদ খালি হলে উপাধ্যক্ষ বা জ্যেষ্ঠ পাঁচ শিক্ষকের মধ্যে একজনকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ দিতে হবে। ছয় মাসের মধ্যে শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতার তালিকা অনুযায়ী প্রথম পাঁচজনের একজনকে নিয়মিত অধ্যক্ষ নিয়োগের নিয়মও রয়েছে।
যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব দেওয়ার এক বছরের মধ্যে নিয়মিত অধ্যক্ষ নিয়োগ সম্পন্ন না হলে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের স্বাক্ষরিত কাগজপত্র ও কার্যবিবরণী গ্রহণ করা হয় না।
গত ১ আগস্ট অধ্যক্ষ নিয়োগের বিষয়ে জানতে চেয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গভর্নিং বডির সভাপতি বরাবর একটি চিঠি ইস্যু করা হয়। চিঠিতে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে অধ্যক্ষ নিয়োগ কাকে দেওয়া হয়েছে, এসংক্রান্ত রেজল্যুশন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে অবহিত করতে বলা হয়। তবে নির্ধারিত সময় পার হলেও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে কোনো জবাব দেওয়া হয়নি। অভিযোগ উঠেছে, ওই চিঠি এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাঠানো ই-মেইল ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সরিয়ে ফেলেছেন।
কলেজের জ্যেষ্ঠতম পাঁচ শিক্ষককের তালিকায় রয়েছেন যথাক্রমে রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মুনিরা চৌধুরী, মনোবিজ্ঞানের ফাতেমা জেবুননেসা, হিসাব বিজ্ঞানের ফরিদা ইয়াসমিন, গণিত বিভাগের মার্জিয়া বেগম চৌধুরী ও উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের কামরুন নাহার হাসিনা বানু।
সহকারী অধ্যাপক মুনিরা চৌধুরী আজকের পত্রিকাকে বলেন, নিয়মের বাইরে গিয়ে কাউকে নিয়োগ দিলে কিছু বলার নেই। বোর্ডের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে হয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের একজন বলেন, শুধু বোর্ডের সভাপতির পছন্দ হওয়ায় তাঁকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি দায়িত্ব পেয়ে স্বেচ্ছাচারিতা করছেন, অনিয়ম করছেন। এমনকি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের চিঠিও গায়েব করে ফেলছেন। যদিও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সোহানা শারমিন তালুকদার চিঠি গায়েবের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শক ফাহিমা সোলতানা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘জ্যেষ্ঠ শিক্ষককে ডিঙিয়ে নিচু স্তরের একজনকে নিয়োগ দেওয়া হলো। চিঠি গায়েব করার অভিযোগ এল, তাহলে গভর্নিং বডির সভাপতি কী করছেন? ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগ দেওয়া প্রসঙ্গে গত ১ আগস্ট কলেজ সভাপতির বরাবর একটি চিঠি ইস্যু করেছিলাম। ১০ দিনের মধ্যে উত্তর পাইনি।’
গভর্নিং বডির সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, ‘ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বা অনিয়মের বিষয়টি আমরা দেখছি। সামনে মিটিং ডেকেছি, সেখানে একটি সমাধান হবে।’

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৫ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৬ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৬ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৯ দিন আগে