কক্সবাজার প্রতিনিধি

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কমান্ডিং পর্যায়ে পতাকা বৈঠক শুরু হয়েছে। আজ রোববার সকাল ১০টায় কক্সবাজারের টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপে বিজিবির সোদান রেস্ট হাউসে এ বৈঠক শুরু হয়েছে।
এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় মিয়ানমার বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) সাত সদস্যের একটি দল স্পিড বোটে করে উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের নাফ নদীর শাহপরীর দ্বীপ জেটিঘাটে পৌঁছায়।
বিজিবির টেকনাফ-২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শেখ খালিদ মোহাম্মদ ইফতেখার এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, বৈঠক শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, টেকনাফ-২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল শেখ খালিদ মোহাম্মদ ইফতেখারের নেতৃত্বে ৯ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল ও মিয়ানমার মংডুর ১ নম্বর বর্ডার গার্ড পুলিশ ব্রাঞ্চের কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল কাও না ইয়ান শোর নেতৃত্বে সাত সদস্যের প্রতিনিধিদলের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
বিজিবি জানিয়েছে, প্রায় তিন মাস ধরে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে চলমান গোলাগুলিকে কেন্দ্র করে সীমান্তে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এতে বাংলাদেশ সীমান্তের বাসিন্দারা আতঙ্কে রয়েছেন। সীমান্তের এই পরিস্থিতি নিয়ে শুরু থেকে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে নানা পর্যায়ে যোগাযোগ চলছিল। এ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিজিবির পক্ষ থেকে বিজিপির কাছে একাধিকবার চিঠি পাঠানোও হয়েছিল। বাংলাদেশের সীমান্তে মর্টার শেল ও গুলি এসে পড়ায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে একাধিকবার তলব করে প্রতিবাদ জানানো হয়।
এর পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার বিকেলে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপি বৈঠকে বসতে রাজি হয়ে বিজিবির কাছে একটি চিঠি পাঠায়। এর আলোকেই আজ রোববার দুই দেশের ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কমান্ডিং পর্যায়ে পতাকা বৈঠক শুরু হয়েছে। আজ রোববার সকাল ১০টায় কক্সবাজারের টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপে বিজিবির সোদান রেস্ট হাউসে এ বৈঠক শুরু হয়েছে।
এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় মিয়ানমার বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) সাত সদস্যের একটি দল স্পিড বোটে করে উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের নাফ নদীর শাহপরীর দ্বীপ জেটিঘাটে পৌঁছায়।
বিজিবির টেকনাফ-২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শেখ খালিদ মোহাম্মদ ইফতেখার এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, বৈঠক শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, টেকনাফ-২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল শেখ খালিদ মোহাম্মদ ইফতেখারের নেতৃত্বে ৯ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল ও মিয়ানমার মংডুর ১ নম্বর বর্ডার গার্ড পুলিশ ব্রাঞ্চের কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল কাও না ইয়ান শোর নেতৃত্বে সাত সদস্যের প্রতিনিধিদলের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
বিজিবি জানিয়েছে, প্রায় তিন মাস ধরে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে চলমান গোলাগুলিকে কেন্দ্র করে সীমান্তে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এতে বাংলাদেশ সীমান্তের বাসিন্দারা আতঙ্কে রয়েছেন। সীমান্তের এই পরিস্থিতি নিয়ে শুরু থেকে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে নানা পর্যায়ে যোগাযোগ চলছিল। এ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিজিবির পক্ষ থেকে বিজিপির কাছে একাধিকবার চিঠি পাঠানোও হয়েছিল। বাংলাদেশের সীমান্তে মর্টার শেল ও গুলি এসে পড়ায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে একাধিকবার তলব করে প্রতিবাদ জানানো হয়।
এর পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার বিকেলে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপি বৈঠকে বসতে রাজি হয়ে বিজিবির কাছে একটি চিঠি পাঠায়। এর আলোকেই আজ রোববার দুই দেশের ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১১ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১২ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২২ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৪ ডিসেম্বর ২০২৫