নির্বাচনী হলফনামা
নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরীর সম্পদের পরিমাণ প্রায় দেড় কোটি টাকা। ‘ব্যাংকে কোনো অ্যাকাউন্ট নেই’ দাবি করা এই নেতার ইসলামী ব্যাংকে দুটি অ্যাকাউন্ট ও এফডিআরে প্রায় ১০ লাখ টাকা রয়েছে। তাঁর নির্বাচনী হলফনামা বিশ্লেষণ করে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
বিভিন্ন সময় বিতর্কিত বক্তব্য দিয়ে আলোচনায় থাকেন জামায়াতের প্রার্থী ও চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের সাবেক আমির শাহজাহান চৌধুরী। সম্প্রতি সাতকানিয়ার চরতী এলাকায় তিনি বলেছেন, তাঁর নামে কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নেই। তিনি ব্যাংকে কোনো টাকা রাখেননি। তিনি নিজেকে নিঃস্ব, অসহায় বলেও ঘোষণা দেন ওই বক্তব্যে। এ-সংক্রান্ত ভিডিও রেকর্ড প্রতিবেদকের হাতে রয়েছে। তবে তাঁর নির্বাচনী হলফনামায় মিলছে ভিন্ন চিত্র। হলফনামা অনুযায়ী, শাহজাহান চৌধুরীর হাতে নগদ আছে ১ কোটি ৩৪ লাখ ৩৭ হাজার ২৫২ টাকা। তাঁর নামে ইসলামী ব্যাংকে দুটি অ্যাকাউন্ট রয়েছে, যেখানে ৩ লাখ ৯৭ হাজার ৭১২ টাকা জমা আছে। এ ছাড়া তাঁর নামে ৬ লাখ ৬৭৬ টাকার একটি এফডিআর রয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আয়কর দাখিলে শাহজাহান চৌধুরীর সম্পদ দেখানো হয় ১ কোটি ৪৮ লাখ ৭৮ হাজার ৮১০ টাকার। তাঁর স্ত্রীর সম্পদ ২৮ লাখ ৭৫ হাজার টাকার।
পেশা ব্যবসা দেখানো শাহজাহান চৌধুরী কৃষি খাত থেকে বছরে আয় করেন ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৫০০ টাকা। ব্যবসা থেকে ৯৬ হাজার ৫৯০ টাকা; শেয়ার, বন্ড, সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক আমানত থেকে ৬১ হাজার ৪৭১ এবং চাকরি থেকে ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা বছরে আয় দেখান তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে ৯টি মামলায় রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর স্ত্রী গৃহিণী।
এ বিষয়ে শাহজাহান চৌধুরীর বক্তব্য জানার চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।
শাহজাহান চৌধুরী ১৯৯১ ও ২০০১ সালে সাতকানিয়া-লোহাগাড়া আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। আসনটি বরাবরই জামায়াতের বলে পরিচিত। আসছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতকানিয়া-লোহাগাড়া আসনে জামায়াতের হয়ে লড়বেন তিনি। একই আসনে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী আরও দুই প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তাঁরা হলেন বিএনপির নাজমুল মোস্তফা আমিন ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদশের শরীফুল আলম চৌধুরী।
ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিষয়ে একই আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদশের প্রার্থী শরীফুল আলম চৌধুরীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি জানান, কথায় ও কাজে রাজনীতিবিদদের পরিচ্ছন্ন থাকা উচিত।

চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরীর সম্পদের পরিমাণ প্রায় দেড় কোটি টাকা। ‘ব্যাংকে কোনো অ্যাকাউন্ট নেই’ দাবি করা এই নেতার ইসলামী ব্যাংকে দুটি অ্যাকাউন্ট ও এফডিআরে প্রায় ১০ লাখ টাকা রয়েছে। তাঁর নির্বাচনী হলফনামা বিশ্লেষণ করে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
বিভিন্ন সময় বিতর্কিত বক্তব্য দিয়ে আলোচনায় থাকেন জামায়াতের প্রার্থী ও চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের সাবেক আমির শাহজাহান চৌধুরী। সম্প্রতি সাতকানিয়ার চরতী এলাকায় তিনি বলেছেন, তাঁর নামে কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নেই। তিনি ব্যাংকে কোনো টাকা রাখেননি। তিনি নিজেকে নিঃস্ব, অসহায় বলেও ঘোষণা দেন ওই বক্তব্যে। এ-সংক্রান্ত ভিডিও রেকর্ড প্রতিবেদকের হাতে রয়েছে। তবে তাঁর নির্বাচনী হলফনামায় মিলছে ভিন্ন চিত্র। হলফনামা অনুযায়ী, শাহজাহান চৌধুরীর হাতে নগদ আছে ১ কোটি ৩৪ লাখ ৩৭ হাজার ২৫২ টাকা। তাঁর নামে ইসলামী ব্যাংকে দুটি অ্যাকাউন্ট রয়েছে, যেখানে ৩ লাখ ৯৭ হাজার ৭১২ টাকা জমা আছে। এ ছাড়া তাঁর নামে ৬ লাখ ৬৭৬ টাকার একটি এফডিআর রয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আয়কর দাখিলে শাহজাহান চৌধুরীর সম্পদ দেখানো হয় ১ কোটি ৪৮ লাখ ৭৮ হাজার ৮১০ টাকার। তাঁর স্ত্রীর সম্পদ ২৮ লাখ ৭৫ হাজার টাকার।
পেশা ব্যবসা দেখানো শাহজাহান চৌধুরী কৃষি খাত থেকে বছরে আয় করেন ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৫০০ টাকা। ব্যবসা থেকে ৯৬ হাজার ৫৯০ টাকা; শেয়ার, বন্ড, সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক আমানত থেকে ৬১ হাজার ৪৭১ এবং চাকরি থেকে ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা বছরে আয় দেখান তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে ৯টি মামলায় রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর স্ত্রী গৃহিণী।
এ বিষয়ে শাহজাহান চৌধুরীর বক্তব্য জানার চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।
শাহজাহান চৌধুরী ১৯৯১ ও ২০০১ সালে সাতকানিয়া-লোহাগাড়া আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। আসনটি বরাবরই জামায়াতের বলে পরিচিত। আসছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতকানিয়া-লোহাগাড়া আসনে জামায়াতের হয়ে লড়বেন তিনি। একই আসনে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী আরও দুই প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তাঁরা হলেন বিএনপির নাজমুল মোস্তফা আমিন ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদশের শরীফুল আলম চৌধুরী।
ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিষয়ে একই আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদশের প্রার্থী শরীফুল আলম চৌধুরীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি জানান, কথায় ও কাজে রাজনীতিবিদদের পরিচ্ছন্ন থাকা উচিত।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১০ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১১ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২১ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৪ দিন আগে