নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে সরকারি খাসজমির দখল নিয়ে দুই পক্ষের কয়েক দফা সংঘর্ষে একজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের নারী-পুরুষসহ অর্ধশতাধিক আহত হয়েছে।
নিহত ব্যক্তির নাম মো. জামাল মিয়া। তিনি উপজেলার ভোলাকোট ইউনিয়নের খাগালিয়া গ্রামের খোরশেদ মিয়ার ছেলে।
আজ শনিবার ৭টার দিকে উপজেলার ভোলাকোট ইউনিয়নের খাগালিয়া গ্রামের নতুন বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বর্তমান ইউপি সদস্য রব মিয়া ও সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল হামিদের পক্ষের লোকদের মধ্যে খাগালিয়া নতুন বাজার এলাকায় সরকারি খাস জায়গা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এই জমি নিয়ে আদালতে উভয় পক্ষের মামলাও চলমান। ঈদের সময় উভয় পক্ষের লোকজন বাড়িতে আসায় সংঘবদ্ধভাবে এই খাসজমির দখল নিতে যায়। দুই পক্ষ খাসজমি নিজেদের বলে দাবি করায় বাঁধে সংঘর্ষ। দেশীয় অস্ত্র নিয়ে উভয় পক্ষ তিন দফা সংঘর্ষে জড়ায়। এতে জামাল মিয়া টেঁটাবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।
ইউপি সদস্য রব মিয়ার পক্ষের আহতরা হলেন—মরম মিয়া, বিলকিস বেগম, মারাজ মিয়া, মনোয়ারা বেগম, সাগর মিয়া, জুরু মিয়া, সারু মিয়া, উজ্জ্বল মিয়া, সাগর মিয়া, রমজান মিয়া, জিল্লু মিয়া, জানু মিয়া।
আব্দুল হামিদের পক্ষের আহতদের মধ্যে রাজিব মিয়া, ইদ্রিস মিয়া, শফিক মিয়ার নাম জানা গেছে।
নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুল্লাহ সরকার জানান, সরকারি খাসজমি দখল নিতে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়। সংঘর্ষে রব মিয়ার পক্ষের জামাল ঘটনাস্থলে টেঁটাবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে। তবে এখন পর্যন্ত থানায় কোনো পক্ষই মামলা করেনি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে সরকারি খাসজমির দখল নিয়ে দুই পক্ষের কয়েক দফা সংঘর্ষে একজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের নারী-পুরুষসহ অর্ধশতাধিক আহত হয়েছে।
নিহত ব্যক্তির নাম মো. জামাল মিয়া। তিনি উপজেলার ভোলাকোট ইউনিয়নের খাগালিয়া গ্রামের খোরশেদ মিয়ার ছেলে।
আজ শনিবার ৭টার দিকে উপজেলার ভোলাকোট ইউনিয়নের খাগালিয়া গ্রামের নতুন বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বর্তমান ইউপি সদস্য রব মিয়া ও সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল হামিদের পক্ষের লোকদের মধ্যে খাগালিয়া নতুন বাজার এলাকায় সরকারি খাস জায়গা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এই জমি নিয়ে আদালতে উভয় পক্ষের মামলাও চলমান। ঈদের সময় উভয় পক্ষের লোকজন বাড়িতে আসায় সংঘবদ্ধভাবে এই খাসজমির দখল নিতে যায়। দুই পক্ষ খাসজমি নিজেদের বলে দাবি করায় বাঁধে সংঘর্ষ। দেশীয় অস্ত্র নিয়ে উভয় পক্ষ তিন দফা সংঘর্ষে জড়ায়। এতে জামাল মিয়া টেঁটাবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।
ইউপি সদস্য রব মিয়ার পক্ষের আহতরা হলেন—মরম মিয়া, বিলকিস বেগম, মারাজ মিয়া, মনোয়ারা বেগম, সাগর মিয়া, জুরু মিয়া, সারু মিয়া, উজ্জ্বল মিয়া, সাগর মিয়া, রমজান মিয়া, জিল্লু মিয়া, জানু মিয়া।
আব্দুল হামিদের পক্ষের আহতদের মধ্যে রাজিব মিয়া, ইদ্রিস মিয়া, শফিক মিয়ার নাম জানা গেছে।
নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুল্লাহ সরকার জানান, সরকারি খাসজমি দখল নিতে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়। সংঘর্ষে রব মিয়ার পক্ষের জামাল ঘটনাস্থলে টেঁটাবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে। তবে এখন পর্যন্ত থানায় কোনো পক্ষই মামলা করেনি।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৫ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৫ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৬ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৯ দিন আগে