নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা: শেষ মুহূর্তে গিয়ে স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যার ঘটনায় ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিতে রাজি হননি বাবুল আক্তার। আজ সোমবার দুপুরে তাকে আদালতে আনা হয়। জবানবন্দি দিতে রাজি না হলে বেলা ২টা ৫১ মিনিটে বিচারকের খাসকামরা থেকে তাকে কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।
মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার কাজী শাহাবুদ্দীন আহমেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, তদন্ত সংস্থা পিবিআই আসামির ১৬৪ ধারার জবানবন্দি নেওয়ার উদ্দেশ্যে আদলতে আবেদন করে। এরপর তাকে বিচারকের খাসকামরায় নেওয়া হয়। কিন্তু তিনি শেষ পর্যন্ত জবানবন্দি দিতে রাজি হননি। আসামিকে রিমান্ডে নেওয়ার জন্য নতুন করে আবেদনও করা হয়নি বলে জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।
পিবিআই সূত্রে জানা গেছে, বাবুল আক্তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে রাজি হয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বেঁকে বসেন। বেলা ১২টার দিকে তাকে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার জাহানের খাস কামরায় নেওয়া হয়। এর আগে পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে তাঁকে সকালে আদালতে আনা হয়।
গত ১২ মে দুপুরে বাবুল আক্তারের শ্বশুর মাহমুদা খাতুন মিতুর বাবা মোশারফ হোসেন বাদী হয়ে বাবুল আক্তারকে প্রধান আসামি করে আট জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। সেদিন বিকালেই বাবুলকে আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়৷
বাবুল আক্তারের দায়ের করা মামলায় সব অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিয়ে একই দিন সিএমএম আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন পিআইবি।
২০১৬ সালের ৫ জুন সকাল সোয়া ৭টায় চট্টগ্রাম মহানগরীর জিইসি মোড়ে ছেলেকে স্কুল বাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় মাহমুদা খানম মিতুকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। ওই সময় মিতুর স্বামী বাবুল আক্তার পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি পেয়ে ঢাকায় পুলিশ সদরদপ্তরে অবস্থান করছিলেন। এর আগে তিনি চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনারের দায়িত্বে ছিলেন। ঘটনার পরদিন নগরীর পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন বাবুল আক্তার।
আরও পড়ুন:

ঢাকা: শেষ মুহূর্তে গিয়ে স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যার ঘটনায় ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিতে রাজি হননি বাবুল আক্তার। আজ সোমবার দুপুরে তাকে আদালতে আনা হয়। জবানবন্দি দিতে রাজি না হলে বেলা ২টা ৫১ মিনিটে বিচারকের খাসকামরা থেকে তাকে কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।
মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার কাজী শাহাবুদ্দীন আহমেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, তদন্ত সংস্থা পিবিআই আসামির ১৬৪ ধারার জবানবন্দি নেওয়ার উদ্দেশ্যে আদলতে আবেদন করে। এরপর তাকে বিচারকের খাসকামরায় নেওয়া হয়। কিন্তু তিনি শেষ পর্যন্ত জবানবন্দি দিতে রাজি হননি। আসামিকে রিমান্ডে নেওয়ার জন্য নতুন করে আবেদনও করা হয়নি বলে জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।
পিবিআই সূত্রে জানা গেছে, বাবুল আক্তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে রাজি হয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বেঁকে বসেন। বেলা ১২টার দিকে তাকে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার জাহানের খাস কামরায় নেওয়া হয়। এর আগে পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে তাঁকে সকালে আদালতে আনা হয়।
গত ১২ মে দুপুরে বাবুল আক্তারের শ্বশুর মাহমুদা খাতুন মিতুর বাবা মোশারফ হোসেন বাদী হয়ে বাবুল আক্তারকে প্রধান আসামি করে আট জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। সেদিন বিকালেই বাবুলকে আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়৷
বাবুল আক্তারের দায়ের করা মামলায় সব অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিয়ে একই দিন সিএমএম আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন পিআইবি।
২০১৬ সালের ৫ জুন সকাল সোয়া ৭টায় চট্টগ্রাম মহানগরীর জিইসি মোড়ে ছেলেকে স্কুল বাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় মাহমুদা খানম মিতুকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। ওই সময় মিতুর স্বামী বাবুল আক্তার পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি পেয়ে ঢাকায় পুলিশ সদরদপ্তরে অবস্থান করছিলেন। এর আগে তিনি চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনারের দায়িত্বে ছিলেন। ঘটনার পরদিন নগরীর পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন বাবুল আক্তার।
আরও পড়ুন:

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৪ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৫ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৫ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৮ দিন আগে