ব্রাহ্মণপাড়া (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১৪) ধর্ষণের অভিযোগে বিল্লাল হোসেন (৪২) নামের এক ব্যক্তিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁকে গ্রেপ্তারের পর পুলিশ আদালতে পাঠালে বাচারক এই নির্দেশ দেন।
এর আগে গত বুধবার রাতে এ ঘটনায় থানায় মামলা করা হয়। ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রীকে পরীক্ষার জন্য গতকালই কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ।
মামলার এজাহার, পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ৩০ জুন বিল্লাল হোসেনের বাড়িতে কেউ ছিল না। এই সুযোগে শিশুটিকে ফাঁকা বাড়িতে ডেকে ভেতরে নিয়ে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের কথা কাউকে জানালে মেরে ফেলার হুমকি দেন। ভয়ে শিশুটি কাউকে কিছুই জানায়নি।
গত ৪ নভেম্বর ওই ছাত্রীর পেটে প্রচণ্ড ব্যথা উঠলে পরিবারের সদস্যরা আল্ট্রাসনোগ্রাম করে জানতে পারেন শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা। পরদিন অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে শিশুটির গর্ভপাতও হয়ে যায়। এ বিষয়ে তাকে প্রশ্ন করা হলে সে ধর্ষণের ঘটনা জানায়।
এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে বিল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন। পুলিশ গতকাল দুপুরে তাঁকে বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করেছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ব্রাহ্মণপাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নাসির উদ্দীন বলেন, ধর্ষণের কারণে ওই ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে গর্ভপাত হয়ে যায়। গতকাল ওই ছাত্রীকে হাসপাতালে ডাক্তারি পরীক্ষা করানো হয়েছে।
ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আতিক উল্লাহ বলেন, শিশুটিকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে বিল্লাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার বিল্লাল হোসেন প্রাথমিকভাবে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন। তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১৪) ধর্ষণের অভিযোগে বিল্লাল হোসেন (৪২) নামের এক ব্যক্তিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁকে গ্রেপ্তারের পর পুলিশ আদালতে পাঠালে বাচারক এই নির্দেশ দেন।
এর আগে গত বুধবার রাতে এ ঘটনায় থানায় মামলা করা হয়। ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রীকে পরীক্ষার জন্য গতকালই কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ।
মামলার এজাহার, পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ৩০ জুন বিল্লাল হোসেনের বাড়িতে কেউ ছিল না। এই সুযোগে শিশুটিকে ফাঁকা বাড়িতে ডেকে ভেতরে নিয়ে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের কথা কাউকে জানালে মেরে ফেলার হুমকি দেন। ভয়ে শিশুটি কাউকে কিছুই জানায়নি।
গত ৪ নভেম্বর ওই ছাত্রীর পেটে প্রচণ্ড ব্যথা উঠলে পরিবারের সদস্যরা আল্ট্রাসনোগ্রাম করে জানতে পারেন শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা। পরদিন অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে শিশুটির গর্ভপাতও হয়ে যায়। এ বিষয়ে তাকে প্রশ্ন করা হলে সে ধর্ষণের ঘটনা জানায়।
এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে বিল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন। পুলিশ গতকাল দুপুরে তাঁকে বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করেছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ব্রাহ্মণপাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নাসির উদ্দীন বলেন, ধর্ষণের কারণে ওই ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে গর্ভপাত হয়ে যায়। গতকাল ওই ছাত্রীকে হাসপাতালে ডাক্তারি পরীক্ষা করানো হয়েছে।
ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আতিক উল্লাহ বলেন, শিশুটিকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে বিল্লাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার বিল্লাল হোসেন প্রাথমিকভাবে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন। তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৮ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৯ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৯ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২২ দিন আগে