ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর উপজেলার মাছিহাতা ইউনিয়নের আটলা গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে প্রায় ২০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় বেশ কছি বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগও উঠেছে। গতকাল বুধবার রাতে দিকে ওই গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন, আলামীন (৩৫), সোহাগ (২০), মুহাম্মদ আলী (২৪), রুবেল মিয়া (১৯), সাইদুল মিয়া (২৭), হৃদয় (২০), আনার মিয়া (৪৫), রিমা আক্তার (২৬), সাজু বেগম (২৩), সানজু আরা (১৫), ময়না বেগম (১০), সাদিক মিয়া (৭), সাহানা বেগম (৫০), হামিদা খানম (২০), খুরশিদ মিয়া (২৩), রাশেদ (৩৮), কাসেম মিয়া (৩০), রিপন (১৬), রাহিমা (১১), নাজমুল (১৩), কারিমা আক্তার (১৪), রিফাত (১৪), ফারুক (৩০), ইকবাল (২৬), বাবুলের (২৫), নাদিয়া (৯)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জেলার সদর উপজেলার মাছিহাতা ইউনিয়নের আটলা গ্রামের আমির হকের ছেলে সোহাগ মিয়া ওই এলাকার ফজলুর রহমানে মেয়ের জামাই খুরশিদ মিয়াকে ‘ঘরজামাই’ ডাকেন। এই নিয়ে ২ জনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বুধবার দুপুরে হাজী মার্কেটে খুরশিদকে মারধর করেন সোহাগ মিয়া। পরে বাজারের সালিস বৈঠকে সোহাগ ও খুরশিদ মিয়াকে মিলিয়ে দেন তারা। পরে দুই গ্রুপ এলাকায় গিয়ে মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় উভয় পক্ষের প্রায় ২০ জন আহত হন। আহতদের উদ্ধারের পর ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
এই ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ এমরানুল ইসলাম জানান, এ সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ওই গ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আহতদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

একটি জুয়ার ওয়েবসাইট বন্ধ হয়, কিছুদিন পর একই ধরনের আরেকটি সাইট হাজির। একটি অ্যাপ সরিয়ে দেওয়া হলে নতুন নামে আবার চালু হয় কার্যক্রম। এভাবে প্রতিদিন গড়ে ৩০ থেকে ৩৫টি জুয়ার সাইট খোলা হয়। প্রযুক্তির এই ফাঁক গলে দেশে ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে অনলাইন জুয়া।
৪ দিন আগে
রাজধানীর মিরপুর-১৩ এলাকার শেরে বাংলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গেটের সামনে গতকাল শুক্রবার দুর্বৃত্তদের ছোড়া গুলিতে যুবদলের এক কর্মী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় এক পথচারীও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। গত মঙ্গলবার রাজারবাগ বাজারে পানির পাম্পসংলগ্ন একটি মুদি দোকানের সামনে বিএনপি কর্মী মো. পলাশকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে....
২৫ জুলাই ২০২৬
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারী, পরিকল্পনাকারী ও সহযোগীতার অভিযোগে ১ হাজার ৯৫৮ জন, অবৈধ অস্ত্রধারী ৩৩১ জন, চোরাকারবারি ও মাদক ব্যবসায়ী ১৩ হাজার ২০ জন, ছিনতাইকারী ও দস্যুতা মামলার আসামি ২ হাজার ২১১ জন এবং চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী ৮০৮ জন রয়েছেন...
১০ জুন ২০২৬
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার যাত্রাবাড়ী থানার বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
২৬ মে ২০২৬