টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদীর কেওড়া বাগান থেকে ৩ কেজি ৩২০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের বারসহ মো. ইয়াছ নুর (২২) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। আজ বৃহস্পতিবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ-২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল শেখ খালিদ মোহাম্মদ ইফতেখার। এ সময় পাঁচ কেজি কারেন্ট জালও জব্দ করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত ইয়াছ নুর সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপ উত্তরপাড়ার মো. জাকারিয়ার ছেলে।
বিজিবির অধিনায়ক জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন গতকাল বুধবার রাতে মিয়ানমার থেকে শাহপরীর দ্বীপের নাফ নদী হয়ে স্বর্ণের একটি বড় চালান বাংলাদেশে পাচার হতে পারে। এমন সংবাদে বিজিবির একটি বিশেষ টহল দল এবং শাহপরীর দ্বীপ বিওপি থেকে একটি চোরাচালান দমন টহল দল ওই এলাকায় অভিযান চালায়। টহল দল কয়েকটি উপদলে বিভক্ত হয়ে কৌশলে সেখানে অবস্থান নেয়। পরে রাত ৮টার দিকে টহলদল ওই স্থানে ইয়াছ নুরকে নাফ নদীতে মৎস্য আহরণ শেষে জাল হাতে নিয়ে কেওড়াবাগানের ভেতর দিয়ে বেড়িবাঁধের দিকে আসতে দেখে চ্যালেঞ্জ করে। এ সময় বিজিবির উপস্থিতি বুঝতে পেরে তিনি পালানোর চেষ্টা করেন। পরে তাঁকে আটক করা হয়।
পরে ইয়াছ নুরের শরীরে তল্লাশি চালিয়ে কোমরে অভিনব পদ্ধতিতে টেপ দিয়ে মুড়িয়ে রাখা দুটি স্বর্ণের বারের বেল্ট এবং পাঁচ কেজি কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। বেল্টগুলো খুলে ২০টি স্বর্ণের বার পাওয়া গেছে। উদ্ধারকৃত বারের ওজন তিন কেজি ৩২০ গ্রাম, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ২ কোটি ৫৮ লাখ ৩৯ হাজার টাকা।
অধিনায়ক আরও বলেন, জব্দকৃত কারেন্ট জাল টেকনাফ কাস্টমস অফিসে এবং স্বর্ণের বার কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে (ট্রেজারি শাখায়) জমা দেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তার ইয়াছ নুরসহ পলাতক দুই আসামির বিরুদ্ধে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে স্বর্ণ চোরাচালানের দায়ে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে টেকনাফ মডেল থানায় তাঁকে সোপর্দ করা হয়।

কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদীর কেওড়া বাগান থেকে ৩ কেজি ৩২০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের বারসহ মো. ইয়াছ নুর (২২) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। আজ বৃহস্পতিবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ-২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল শেখ খালিদ মোহাম্মদ ইফতেখার। এ সময় পাঁচ কেজি কারেন্ট জালও জব্দ করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত ইয়াছ নুর সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপ উত্তরপাড়ার মো. জাকারিয়ার ছেলে।
বিজিবির অধিনায়ক জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন গতকাল বুধবার রাতে মিয়ানমার থেকে শাহপরীর দ্বীপের নাফ নদী হয়ে স্বর্ণের একটি বড় চালান বাংলাদেশে পাচার হতে পারে। এমন সংবাদে বিজিবির একটি বিশেষ টহল দল এবং শাহপরীর দ্বীপ বিওপি থেকে একটি চোরাচালান দমন টহল দল ওই এলাকায় অভিযান চালায়। টহল দল কয়েকটি উপদলে বিভক্ত হয়ে কৌশলে সেখানে অবস্থান নেয়। পরে রাত ৮টার দিকে টহলদল ওই স্থানে ইয়াছ নুরকে নাফ নদীতে মৎস্য আহরণ শেষে জাল হাতে নিয়ে কেওড়াবাগানের ভেতর দিয়ে বেড়িবাঁধের দিকে আসতে দেখে চ্যালেঞ্জ করে। এ সময় বিজিবির উপস্থিতি বুঝতে পেরে তিনি পালানোর চেষ্টা করেন। পরে তাঁকে আটক করা হয়।
পরে ইয়াছ নুরের শরীরে তল্লাশি চালিয়ে কোমরে অভিনব পদ্ধতিতে টেপ দিয়ে মুড়িয়ে রাখা দুটি স্বর্ণের বারের বেল্ট এবং পাঁচ কেজি কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। বেল্টগুলো খুলে ২০টি স্বর্ণের বার পাওয়া গেছে। উদ্ধারকৃত বারের ওজন তিন কেজি ৩২০ গ্রাম, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ২ কোটি ৫৮ লাখ ৩৯ হাজার টাকা।
অধিনায়ক আরও বলেন, জব্দকৃত কারেন্ট জাল টেকনাফ কাস্টমস অফিসে এবং স্বর্ণের বার কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে (ট্রেজারি শাখায়) জমা দেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তার ইয়াছ নুরসহ পলাতক দুই আসামির বিরুদ্ধে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে স্বর্ণ চোরাচালানের দায়ে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে টেকনাফ মডেল থানায় তাঁকে সোপর্দ করা হয়।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১০ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১১ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২১ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৪ দিন আগে