
দু’হাতে নিহত সন্তানের চারটি ছবি নিয়ে হু হু করে কাঁদছিলেন টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ডেইলপাড়ার বাসিন্দা পঞ্চাশোর্ধ্ব হালিমা বেগম। বারবার বিলাপ করে বলছিলেন, ‘ইবা কি কোটিপতির পোয়া? আঁর পোয়া রিকশা চালাইতো, তাঁর হন দুষ নোয়াছিল।’ (এটা কি কোটিপতির ছেলে? আমার ছেলে রিকশা চালাতো, তার কোন দোষ ছিল না।)
নিজের সন্তানের ছবি দেখিয়ে কেঁদে কেঁদে হালিমা বলেন, তাঁর নিরপরাধ ছেলেকে হত্যা করেছেন প্রদীপ। তাঁর ফাঁসি চান। সেই সঙ্গে সিনহা হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি চান তিনি।
শুধু হালিমা বেগমই নন। উখিয়া ও টেকনাফের এরকম অনেকে আজ সোমবার সকাল ১১টায় আদালত প্রাঙ্গণে সিনহা হত্যা মামলায় অভিযুক্ত ওসি প্রদীপসহ সকল আসামির সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করছেন।
ভুক্তভোগী হালিমা বেগম বলেন, তাঁর ছেলে মো. আজিজ (২০) একজন রিকশাচালক ছিলেন। ২০১৯ সালে গ্রামের একটি চায়ের দোকান থেকে তাঁকে ধরে নিয়ে যায় ওসি প্রদীপ। পরবর্তীতে ছয় লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। ভিটে বাড়ি বন্ধক দিয়ে দাবিকৃত টাকা দিয়েও রক্ষা পায়নি তাঁর ছেলে। আজিজকে ক্রসফায়ার দিয়ে হত্যা করেছেন প্রদীপ। তিন দিন পর কক্সবাজার সদর হাসপাতালে আজিজের মরদেহের সন্ধান পাওয়া যায়। এ ঘটনায় থানায় মামলা করতে গিয়েও মামলা নেয়নি তৎকালীন থানা-পুলিশ।
এদিকে বেলা যত গড়িয়ে আসছে আদালত প্রাঙ্গণে ততই ভিড় করছেন ভুক্তভোগী ও উৎসুক জনতা। দুপুরে আলোচিত এ মামলার রায়ের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দপ্তরের জাল সিল তৈরির চেষ্টার অভিযোগে মো. আবু তৈয়ব (৪৩) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার শাহবাগ থানা-পুলিশ তাঁকে আটক করে।
১২ দিন আগে
নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন ‘নব্য জেএমবি’র সঙ্গে জড়িত সন্দেহে এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, তার বিরুদ্ধে ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের মাধ্যমে শিয়া মসজিদ, পুলিশের চেকপোস্ট ও ইসকন মন্দিরে হামলার পরিকল্পনা ও উসকানি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তবে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়ায় তাকে ‘শিশু’ হিসেবে আদালতে পাঠানো...
১৬ দিন আগে
রাজধানীর মতিঝিল এলাকা থেকে মানব পাচারকারী চক্রের সঙ্গে জড়িত চার রোহিঙ্গা সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মো. ফেরদৌস, নুরু বিবি (১৯), উম্মে কুলসুম (২০) এবং এক শিশু।
১৬ দিন আগে
অটিজম ও এডিএইচডি আক্রান্ত ছেলে ক্রিস্টান রবার্টসকে একটি সুন্দর জীবন দিতে তিনি নিজের ক্যারিয়ার বিসর্জন দিয়ে কম বেতনের চাকরি নিয়েছিলেন মা অ্যাঞ্জেলা শেলিস, যাতে ছেলেকে বেশি সময় দিতে পারেন।
২৪ দিন আগে