সুমন্ত চাকমা, জুরাছড়ি (রাঙামাটি)

বর্ষা এলেই সামিরা দুরহাট ছড়ার পানি ফুলেফেঁপে উঠত। তখন জুরাছড়ি উপজেলার এই পাহাড়ি জনপদের মানুষের জীবন কার্যত থমকে যেত। স্কুলগামী শিশুরা বইখাতা বুকে চেপে ঝুঁকি নিয়ে খাল পার হওয়ার চেষ্টা করত। হোঁচট খেয়ে পানিতে পড়ে ভিজে যেত বইয়ের সঙ্গে স্বপ্নগুলোও। কৃষকেরা উৎপাদিত ফসল নিয়ে আটকে পড়তেন ছড়ার এপারে। দীর্ঘদিনের এই ঝুঁকিপূর্ণ বাস্তবতায় পরিবর্তন এনেছে একটি টেকসই ভেলা।
রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে বাস্তবায়িত ‘স্থানীয় নেতৃত্বে অন্তর্ভুক্তিমূলক অভিযোজনের মাধ্যমে জনগোষ্ঠীর সহনশীলতা বৃদ্ধি’ প্রকল্পের আওতায় সামিরা দুরহাট ছড়া এলাকায় খাল পারাপারের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে দুটি জলবায়ু সহনশীল ভেলা।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ভেলাগুলোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য বরুন বিকাশ দেওয়ান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইআরআরডি-সিএইচটি ও ইউএনডিপির উপজেলা ফ্যাসিলিটেটর জয় খীসা, করলিয়া প্রকল্পের জেলা কর্মকর্তা ড. সুকিরণ চাকমাসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
স্থানীয় নেতৃত্ব ও জনগণের অংশগ্রহণে নির্মিত এসব ভেলা এখন এলাকার ৮৪টি পরিবারের জন্য নিরাপদ যাতায়াতের ভরসা হয়ে উঠেছে।
পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের একটি প্রকল্পের আওতায় গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডার অর্থায়নে এবং ইআরআরডি-সিএইচটি ও ইউএনডিপির সহযোগিতায় ভেলাগুলো নির্মাণ করা হয়। রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের মাধ্যমে বাস্তবায়িত এই প্রকল্প স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও পুষ্টি উন্নয়নের পাশাপাশি জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু সহনশীল সমাজ গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে।
পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে টেকসই উপকরণে ভেলাগুলো নির্মাণ করা হয়েছে, যাতে বর্ষা মৌসুমেও নির্বিঘ্নে যাতায়াত করা যায়।

স্থানীয় ওয়ার্ড সদস্য জীবন চাকমা বলেন, ‘ভেলা নির্মাণের আগে বর্ষায় খাল পার হওয়া ছিল জীবনঝুঁকির মতো। এখন শিশু, নারী ও বৃদ্ধ—সবাই নিরাপদে চলাচল করতে পারছে।’
দুরহাট ছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সুজিতা চাকমা বলেন, ভেলা না থাকায় শিক্ষার্থীদের নিয়মিত স্কুলে উপস্থিতি নিশ্চিত করা কঠিন ছিল। অনেক সময় পানিতে পড়ে বইখাতা নষ্ট হতো। এখন সেই ঝুঁকি আর নেই।
ভেলাটি শুধু যাতায়াত সহজ করেনি, বদলে দিয়েছে এলাকার অর্থনৈতিক চিত্রও। কৃষকেরা এখন সহজে পাহাড়ে উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাজারে নিতে পারছেন। এতে যেমন সময় বাঁচছে, তেমনি কমছে পরিবহনের ঝুঁকি।
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইমন চাকমা বলেন, ‘এই ভেলা আমাদের এলাকার সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি এনেছে।’
রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য বরুন বিকাশ দেওয়ান বলেন, স্থানীয় জনগণের চাহিদা অনুযায়ী নেওয়া এ ধরনের উদ্যোগ পাহাড়ি অঞ্চলে জলবায়ু অভিযোজনের বাস্তব উদাহরণ। এতে মানুষ নিজেরাই পরিবর্তনের অংশীদার হচ্ছে।
বরুন বিকাশ আরও বলেন, পাহাড়ি জনপদের একটি ভেলা হয়তো আকারে ছোট অবকাঠামো, কিন্তু জুরাছড়ির মানুষের কাছে এটি নিরাপত্তা, সম্ভাবনা ও জলবায়ু সহনশীল ভবিষ্যতের প্রতীক।

বর্ষা এলেই সামিরা দুরহাট ছড়ার পানি ফুলেফেঁপে উঠত। তখন জুরাছড়ি উপজেলার এই পাহাড়ি জনপদের মানুষের জীবন কার্যত থমকে যেত। স্কুলগামী শিশুরা বইখাতা বুকে চেপে ঝুঁকি নিয়ে খাল পার হওয়ার চেষ্টা করত। হোঁচট খেয়ে পানিতে পড়ে ভিজে যেত বইয়ের সঙ্গে স্বপ্নগুলোও। কৃষকেরা উৎপাদিত ফসল নিয়ে আটকে পড়তেন ছড়ার এপারে। দীর্ঘদিনের এই ঝুঁকিপূর্ণ বাস্তবতায় পরিবর্তন এনেছে একটি টেকসই ভেলা।
রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে বাস্তবায়িত ‘স্থানীয় নেতৃত্বে অন্তর্ভুক্তিমূলক অভিযোজনের মাধ্যমে জনগোষ্ঠীর সহনশীলতা বৃদ্ধি’ প্রকল্পের আওতায় সামিরা দুরহাট ছড়া এলাকায় খাল পারাপারের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে দুটি জলবায়ু সহনশীল ভেলা।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ভেলাগুলোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য বরুন বিকাশ দেওয়ান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইআরআরডি-সিএইচটি ও ইউএনডিপির উপজেলা ফ্যাসিলিটেটর জয় খীসা, করলিয়া প্রকল্পের জেলা কর্মকর্তা ড. সুকিরণ চাকমাসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
স্থানীয় নেতৃত্ব ও জনগণের অংশগ্রহণে নির্মিত এসব ভেলা এখন এলাকার ৮৪টি পরিবারের জন্য নিরাপদ যাতায়াতের ভরসা হয়ে উঠেছে।
পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের একটি প্রকল্পের আওতায় গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডার অর্থায়নে এবং ইআরআরডি-সিএইচটি ও ইউএনডিপির সহযোগিতায় ভেলাগুলো নির্মাণ করা হয়। রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের মাধ্যমে বাস্তবায়িত এই প্রকল্প স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও পুষ্টি উন্নয়নের পাশাপাশি জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু সহনশীল সমাজ গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে।
পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে টেকসই উপকরণে ভেলাগুলো নির্মাণ করা হয়েছে, যাতে বর্ষা মৌসুমেও নির্বিঘ্নে যাতায়াত করা যায়।

স্থানীয় ওয়ার্ড সদস্য জীবন চাকমা বলেন, ‘ভেলা নির্মাণের আগে বর্ষায় খাল পার হওয়া ছিল জীবনঝুঁকির মতো। এখন শিশু, নারী ও বৃদ্ধ—সবাই নিরাপদে চলাচল করতে পারছে।’
দুরহাট ছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সুজিতা চাকমা বলেন, ভেলা না থাকায় শিক্ষার্থীদের নিয়মিত স্কুলে উপস্থিতি নিশ্চিত করা কঠিন ছিল। অনেক সময় পানিতে পড়ে বইখাতা নষ্ট হতো। এখন সেই ঝুঁকি আর নেই।
ভেলাটি শুধু যাতায়াত সহজ করেনি, বদলে দিয়েছে এলাকার অর্থনৈতিক চিত্রও। কৃষকেরা এখন সহজে পাহাড়ে উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাজারে নিতে পারছেন। এতে যেমন সময় বাঁচছে, তেমনি কমছে পরিবহনের ঝুঁকি।
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইমন চাকমা বলেন, ‘এই ভেলা আমাদের এলাকার সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি এনেছে।’
রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য বরুন বিকাশ দেওয়ান বলেন, স্থানীয় জনগণের চাহিদা অনুযায়ী নেওয়া এ ধরনের উদ্যোগ পাহাড়ি অঞ্চলে জলবায়ু অভিযোজনের বাস্তব উদাহরণ। এতে মানুষ নিজেরাই পরিবর্তনের অংশীদার হচ্ছে।
বরুন বিকাশ আরও বলেন, পাহাড়ি জনপদের একটি ভেলা হয়তো আকারে ছোট অবকাঠামো, কিন্তু জুরাছড়ির মানুষের কাছে এটি নিরাপত্তা, সম্ভাবনা ও জলবায়ু সহনশীল ভবিষ্যতের প্রতীক।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৯ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৯ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২০ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৩ দিন আগে