প্রতিনিধি, রামগড় (খাগড়াছড়ি)

খাগড়াছড়ির রামগড়ে বিয়ের ৫ দিন পর চাইথৈ মারমা নামের এক যুবককে জবাই করে হত্যার অভিযোগে উঠেছে স্ত্রী ও শ্যালকের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় গতকাল রোববার মধ্যরাতে নিহতের স্ত্রী, শ্যালক ও স্ত্রী'র সাবেক স্বামী পাইসাথৈই মারমাকে আসামি করে রামগড় থানায় মামলা দায়ের করেন নিহতের ছোট ভাই অংগ্য মারমা। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আজ সোমবার স্ত্রী চোপাই মারমা ও শ্যালক উক্যাচিং মারমাকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে রামগড় থানা-পুলিশ।
মামলার এজাহারে নিহতের ভাই অংগ্য মারমা জানান, গত ২৪শে জুলাই সকালে নিহত চাইথৈ মারমা তার স্ত্রী চোপাই মারমাকে শ্বশুর বাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে আনতে যায়। পরের দিন সকাল বেলায় শ্বশুরবাড়ির একটি কক্ষে তাঁর গলাকাটা মরদেহ পাওয়া যায়। একই বিছানায় ঘুমালেও স্বামীকে কে বা কারা হত্যা করেছ তার কোনো কিছুই জানেন না বলে দাবি স্ত্রী চোপাই মারমার। এ কথা অবিশ্বাস্য দাবি করে এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, অমতে বিয়ে করায় পূর্বের স্বামী পাইসাথৈই মারমা তাঁর ভাইয়ের ওপর ক্ষিপ্ত ছিল। নিহতের স্ত্রী তার পূর্বের স্বামীর সঙ্গে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ করে এমন সন্দেহে চোপাই মারমার সঙ্গে তাঁর বর্তমান স্বামীর মতবিরোধ দেখা দেয়। এ সমস্ত কারণে তিনি দাবি করেন নিহতের স্ত্রী, শ্যালক এবং স্ত্রী'র সাবেক স্বামী মিলে তাঁর ভাইকে হত্যা করেছেন।
রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শামসুজ্জামন আজকের পত্রিকা কে জানান, হত্যাকাণ্ডটি রহস্যজনক মনে হওয়ায় শুরুতেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্ত্রী চোপাই মারমা ও শ্যালক উখ্যাচিং মারমাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে নিহতের ছোট ভাই বাদী হয়ে রামগড় থানায় মামলা করলে আজ সোমবার তাদের গ্রেপ্তার করে আদালতে হস্তান্তর করা হয় এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি।

খাগড়াছড়ির রামগড়ে বিয়ের ৫ দিন পর চাইথৈ মারমা নামের এক যুবককে জবাই করে হত্যার অভিযোগে উঠেছে স্ত্রী ও শ্যালকের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় গতকাল রোববার মধ্যরাতে নিহতের স্ত্রী, শ্যালক ও স্ত্রী'র সাবেক স্বামী পাইসাথৈই মারমাকে আসামি করে রামগড় থানায় মামলা দায়ের করেন নিহতের ছোট ভাই অংগ্য মারমা। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আজ সোমবার স্ত্রী চোপাই মারমা ও শ্যালক উক্যাচিং মারমাকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে রামগড় থানা-পুলিশ।
মামলার এজাহারে নিহতের ভাই অংগ্য মারমা জানান, গত ২৪শে জুলাই সকালে নিহত চাইথৈ মারমা তার স্ত্রী চোপাই মারমাকে শ্বশুর বাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে আনতে যায়। পরের দিন সকাল বেলায় শ্বশুরবাড়ির একটি কক্ষে তাঁর গলাকাটা মরদেহ পাওয়া যায়। একই বিছানায় ঘুমালেও স্বামীকে কে বা কারা হত্যা করেছ তার কোনো কিছুই জানেন না বলে দাবি স্ত্রী চোপাই মারমার। এ কথা অবিশ্বাস্য দাবি করে এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, অমতে বিয়ে করায় পূর্বের স্বামী পাইসাথৈই মারমা তাঁর ভাইয়ের ওপর ক্ষিপ্ত ছিল। নিহতের স্ত্রী তার পূর্বের স্বামীর সঙ্গে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ করে এমন সন্দেহে চোপাই মারমার সঙ্গে তাঁর বর্তমান স্বামীর মতবিরোধ দেখা দেয়। এ সমস্ত কারণে তিনি দাবি করেন নিহতের স্ত্রী, শ্যালক এবং স্ত্রী'র সাবেক স্বামী মিলে তাঁর ভাইকে হত্যা করেছেন।
রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শামসুজ্জামন আজকের পত্রিকা কে জানান, হত্যাকাণ্ডটি রহস্যজনক মনে হওয়ায় শুরুতেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্ত্রী চোপাই মারমা ও শ্যালক উখ্যাচিং মারমাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে নিহতের ছোট ভাই বাদী হয়ে রামগড় থানায় মামলা করলে আজ সোমবার তাদের গ্রেপ্তার করে আদালতে হস্তান্তর করা হয় এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৬ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৭ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৭ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২১ দিন আগে