নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম নগরের হামজারবাগ এলাকায় ৩৫টি সোনার বার ছিনতাইয়ের মামলায় মহানগর ছাত্রদলের বহিষ্কৃত নেতা ও পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী সাইফুল ইসলাম ওরফে বার্মা সাইফুলসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ৩৪টি মামলা রয়েছে।
আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বেলা সোয়া ৩টার দিকে নগরের দামপাড়া এলাকায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ এ তথ্য জানিয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার ও আগের দিন সোমবার রাজধানীর গুলশান ও চট্টগ্রাম নগরের হিলভিউ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন নগরের বায়েজিদ থানার বার্মা কলোনি এলাকার সাইফুল ইসলাম ওরফে বার্মা সাইফুল, তাঁর তিন সহযোগী শিহাব উদ্দিন, রিয়াদ হোসেন ও মীর হোসেন ওরফে লিংকন।
আসামিদের মধ্যে সাইফুল চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের সহসম্পাদক ছিলেন। পরে তাঁকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়। সাইফুলের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে নগরের বায়েজিদ এলাকায় চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসসহ নানা অপরাধে সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। ২০২১ সালে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারের পর ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সাইফুল পা হারিয়েছিলেন। ২০২৪ সালে গণ-অভ্যুত্থানের পর তাঁর বিরুদ্ধে আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি, অপহরণসহ বিভিন্ন অপরাধের ঘটনায় একাধিক মামলা হয়েছে। তবে সাইফুল নিজেকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হওয়ার দাবি করে আসছেন।
সংবাদ সম্মেলনে নগর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ বলেন, পাঁচলাইশ থানায় সোনার বার ছিনতাইয়ের ঘটনায় হওয়া মামলার তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বায়েজিদ থানা এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী বার্মা সাইফুল ও তাঁর সহযোগীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ফয়সাল আহম্মেদ বলেন, বার্মা সাইফুলের রাজনৈতিক পরিচয় থাকলেও তা মুখ্য নয়। তিনি পুলিশের কাছে অপরাধী। সাইফুলের বিরুদ্ধে অস্ত্র, চাঁদাবাজি, অপহরণ, ছিনতাইসহ নানা অপরাধের ঘটনায় ৩৪টি মামলা রয়েছে। তাঁর সহযোগীরাও একাধিক মামলার আসামি। নগরের বিভিন্ন এলাকায় তাঁরা অপরাধ সংঘটিত করে আসছেন।
সোনার বার ছিনতাইয়ের মামলাটির তদন্তে বার্মা সাইফুলের সম্পৃক্ততা পাওয়ার পর অভিযান চালিয়ে তাঁকে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ফয়সাল আহম্মেদ বলেন, সোনার বার ছিনতাইয়ের ঘটনায় এ পর্যন্ত ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় ছিনতাই হওয়া ২৯০ ভরি ওজনের ২৯টি সোনার বার ও ঘটনায় ব্যবহৃত দুটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।
এর আগে ৪ জানুয়ারি বিকেলে পাঁচলাইশ থানার হামজারবাগ এলাকায় অটোরিকশার তিন যাত্রীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ৩৫টি সোনার বার ছিনতাই করে পালিয়ে যায় দুটি মোটরসাইকেলে আসা চার দুর্বৃত্ত। ছিনতাইয়ের শিকার তিন যাত্রী চট্টগ্রাম নগরের হাজারী গলির এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীর কর্মচারী। তাঁদের সোনার বারগুলো নিয়ে ঢাকায় পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল। এ ঘটনায় পরদিন পাঁচলাইশ থানায় সুমন দেবনাথ নামের এক কর্মচারী বাদী হয়ে মামলা করেন।
জানা গেছে, ৮ ও ৯ জানুয়ারি চট্টগ্রাম ও ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সিএমপির এক চাকরিচ্যুত সদস্য ও তাঁর স্ত্রী, স্বর্ণ ব্যবসায়ীসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি তাঁদের কাছ থেকে ২৯টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়। এ সময় ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল জব্দ করেছে পুলিশ। এরপর গত সোমবার সাইফুল ইসলামসহ দুজনকে ঢাকার গুলশান থেকে এবং গতকাল রিয়াদ হোসেন ও মীর হোসেন নামের আরও দুজনকে চট্টগ্রাম নগরের হিলভিউ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

চট্টগ্রাম নগরের হামজারবাগ এলাকায় ৩৫টি সোনার বার ছিনতাইয়ের মামলায় মহানগর ছাত্রদলের বহিষ্কৃত নেতা ও পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী সাইফুল ইসলাম ওরফে বার্মা সাইফুলসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ৩৪টি মামলা রয়েছে।
আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বেলা সোয়া ৩টার দিকে নগরের দামপাড়া এলাকায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ এ তথ্য জানিয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার ও আগের দিন সোমবার রাজধানীর গুলশান ও চট্টগ্রাম নগরের হিলভিউ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন নগরের বায়েজিদ থানার বার্মা কলোনি এলাকার সাইফুল ইসলাম ওরফে বার্মা সাইফুল, তাঁর তিন সহযোগী শিহাব উদ্দিন, রিয়াদ হোসেন ও মীর হোসেন ওরফে লিংকন।
আসামিদের মধ্যে সাইফুল চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের সহসম্পাদক ছিলেন। পরে তাঁকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়। সাইফুলের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে নগরের বায়েজিদ এলাকায় চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসসহ নানা অপরাধে সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। ২০২১ সালে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারের পর ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সাইফুল পা হারিয়েছিলেন। ২০২৪ সালে গণ-অভ্যুত্থানের পর তাঁর বিরুদ্ধে আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি, অপহরণসহ বিভিন্ন অপরাধের ঘটনায় একাধিক মামলা হয়েছে। তবে সাইফুল নিজেকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হওয়ার দাবি করে আসছেন।
সংবাদ সম্মেলনে নগর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ বলেন, পাঁচলাইশ থানায় সোনার বার ছিনতাইয়ের ঘটনায় হওয়া মামলার তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বায়েজিদ থানা এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী বার্মা সাইফুল ও তাঁর সহযোগীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ফয়সাল আহম্মেদ বলেন, বার্মা সাইফুলের রাজনৈতিক পরিচয় থাকলেও তা মুখ্য নয়। তিনি পুলিশের কাছে অপরাধী। সাইফুলের বিরুদ্ধে অস্ত্র, চাঁদাবাজি, অপহরণ, ছিনতাইসহ নানা অপরাধের ঘটনায় ৩৪টি মামলা রয়েছে। তাঁর সহযোগীরাও একাধিক মামলার আসামি। নগরের বিভিন্ন এলাকায় তাঁরা অপরাধ সংঘটিত করে আসছেন।
সোনার বার ছিনতাইয়ের মামলাটির তদন্তে বার্মা সাইফুলের সম্পৃক্ততা পাওয়ার পর অভিযান চালিয়ে তাঁকে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ফয়সাল আহম্মেদ বলেন, সোনার বার ছিনতাইয়ের ঘটনায় এ পর্যন্ত ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় ছিনতাই হওয়া ২৯০ ভরি ওজনের ২৯টি সোনার বার ও ঘটনায় ব্যবহৃত দুটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।
এর আগে ৪ জানুয়ারি বিকেলে পাঁচলাইশ থানার হামজারবাগ এলাকায় অটোরিকশার তিন যাত্রীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ৩৫টি সোনার বার ছিনতাই করে পালিয়ে যায় দুটি মোটরসাইকেলে আসা চার দুর্বৃত্ত। ছিনতাইয়ের শিকার তিন যাত্রী চট্টগ্রাম নগরের হাজারী গলির এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীর কর্মচারী। তাঁদের সোনার বারগুলো নিয়ে ঢাকায় পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল। এ ঘটনায় পরদিন পাঁচলাইশ থানায় সুমন দেবনাথ নামের এক কর্মচারী বাদী হয়ে মামলা করেন।
জানা গেছে, ৮ ও ৯ জানুয়ারি চট্টগ্রাম ও ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সিএমপির এক চাকরিচ্যুত সদস্য ও তাঁর স্ত্রী, স্বর্ণ ব্যবসায়ীসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি তাঁদের কাছ থেকে ২৯টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়। এ সময় ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল জব্দ করেছে পুলিশ। এরপর গত সোমবার সাইফুল ইসলামসহ দুজনকে ঢাকার গুলশান থেকে এবং গতকাল রিয়াদ হোসেন ও মীর হোসেন নামের আরও দুজনকে চট্টগ্রাম নগরের হিলভিউ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৭ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৮ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৮ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২১ দিন আগে