নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের আদালতে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলার প্রধান আসামি সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীসহ ৩৯ জন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রামের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জাহিদুল হকের আদালত এই আদেশ দেন। একই সঙ্গে মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর জন্য আগামী ২ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন।
এর আগে খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের পিপি এস ইউ এম নুরুল ইসলাম বলেছেন, আসামি চিন্ময় দাসের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২ ও ১০৯ ধারায় এবং অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে ১৪৭, ১৪৮, ১৪৯ এবং ৩০২/৩৪ ধারায় অভিযোগ গঠন করেছে আদালত। এ মামলার অভিযোগপত্রে নাম থাকা ৩৯ জন আসামির মধ্যে ১৬ জন এখনো পলাতক।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগ গঠনের শুনানিতে চিন্ময়কে অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন করেন তার আইনজীবী অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্য। শুনানি শেষে আদালত তা নামঞ্জুর করেন।
আইনজীবী না থাকায় আরেক আসামি রাজীব ভট্টাচার্য্য নিজের পক্ষে আদালতে বক্তব্য দেন। উপস্থিত বাকি ২১ আসামির পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না।
পলাতক অন্য ১৬ আসামির পক্ষে রাষ্ট্র নিয়োজিত একজন আইনজীবী থাকলেও তিনি অভিযোগ গঠনের বিরোধিতা করেননি।
মামলার বাদী ও আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফের বাবা জামাল উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘দীর্ঘ ১৪ মাস পর মামলার অভিযোগ গঠন হওয়ায় আমি খুশি। সারা বিশ্বের মানুষ এ মামলার বিচার দেখার অপেক্ষায় আছে। সাক্ষীরা যাতে নিরাপদে সাক্ষী দিতে পারে এই আশা করি।’
এর আগে গত ১৪ জানুয়ারি ৩৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের শুনানির আদেশ আজ সোমবার তারিখ নির্ধারণ করেছিল দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর রাতে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করা হয় চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে। পরে তাঁকে ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালি থানায় দায়ের হওয়া রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় আদালত চিন্ময়কে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে আসামি চিন্ময়কে প্রিজন ভ্যানে করে কারাগারে নিয়ে যাওয়ার সময় প্রায় তিন ঘণ্টা গাড়ি আটকে রেখে অবরোধ করেন চিন্ময়ের অনুসারীরা। একপর্যায়ে পুলিশ, বিজিবি লাঠিপেটা ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে গেলে সংঘর্ষ আদালত এলাকার আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে। ওই দিন আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পরে ৩০ নভেম্বর এজাহারনামীয় ৩১ জনের নামে ও ১০-১৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি দেখিয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহত আইনজীবী আলিফের বাবা মো. জামাল উদ্দিন।

চট্টগ্রামের আদালতে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলার প্রধান আসামি সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীসহ ৩৯ জন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রামের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জাহিদুল হকের আদালত এই আদেশ দেন। একই সঙ্গে মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর জন্য আগামী ২ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন।
এর আগে খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের পিপি এস ইউ এম নুরুল ইসলাম বলেছেন, আসামি চিন্ময় দাসের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২ ও ১০৯ ধারায় এবং অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে ১৪৭, ১৪৮, ১৪৯ এবং ৩০২/৩৪ ধারায় অভিযোগ গঠন করেছে আদালত। এ মামলার অভিযোগপত্রে নাম থাকা ৩৯ জন আসামির মধ্যে ১৬ জন এখনো পলাতক।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগ গঠনের শুনানিতে চিন্ময়কে অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন করেন তার আইনজীবী অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্য। শুনানি শেষে আদালত তা নামঞ্জুর করেন।
আইনজীবী না থাকায় আরেক আসামি রাজীব ভট্টাচার্য্য নিজের পক্ষে আদালতে বক্তব্য দেন। উপস্থিত বাকি ২১ আসামির পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না।
পলাতক অন্য ১৬ আসামির পক্ষে রাষ্ট্র নিয়োজিত একজন আইনজীবী থাকলেও তিনি অভিযোগ গঠনের বিরোধিতা করেননি।
মামলার বাদী ও আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফের বাবা জামাল উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘দীর্ঘ ১৪ মাস পর মামলার অভিযোগ গঠন হওয়ায় আমি খুশি। সারা বিশ্বের মানুষ এ মামলার বিচার দেখার অপেক্ষায় আছে। সাক্ষীরা যাতে নিরাপদে সাক্ষী দিতে পারে এই আশা করি।’
এর আগে গত ১৪ জানুয়ারি ৩৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের শুনানির আদেশ আজ সোমবার তারিখ নির্ধারণ করেছিল দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর রাতে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করা হয় চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে। পরে তাঁকে ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালি থানায় দায়ের হওয়া রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় আদালত চিন্ময়কে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে আসামি চিন্ময়কে প্রিজন ভ্যানে করে কারাগারে নিয়ে যাওয়ার সময় প্রায় তিন ঘণ্টা গাড়ি আটকে রেখে অবরোধ করেন চিন্ময়ের অনুসারীরা। একপর্যায়ে পুলিশ, বিজিবি লাঠিপেটা ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে গেলে সংঘর্ষ আদালত এলাকার আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে। ওই দিন আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পরে ৩০ নভেম্বর এজাহারনামীয় ৩১ জনের নামে ও ১০-১৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি দেখিয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহত আইনজীবী আলিফের বাবা মো. জামাল উদ্দিন।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১২ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১৩ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২৩ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৪ ডিসেম্বর ২০২৫